Categories
বিনোদন

ইন্ডাস্ট্রিটা দিন দিন বেশ্যাখানা হয়ে উঠছে! রূপাঞ্জনার প্রশ্নের যোগ্য জবাব দিলেন ঊষসী ও গৌরব

ইন্ডাস্ট্রির উঠতি নায়িকাদের নিয়ে অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্রের (Rupanjana Mitra) বিস্ফোরক মন্তব্য বর্তমানে বেশ শোরগোল ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিছু কলাকুশলী এই বিষয়ে আংশিক সহমত পোষণ করলেও অনেকেই এই বিষয়ে কিছু মন্তব্য করেননি।

রূপাঞ্জনা ছোটপর্দার জনপ্রিয় নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম। ‘খেলা’ (Khela) , ‘এক আকাশের নিচে’ (Ek Akasher Niche) , ‘তুমি আসবে বলে’ (Tumi Asbe Bole), ‘চেকমেট’ (Checkmate) , ‘সিঁদুর খেলা’ (Sindoor Khela) প্রভৃতি ধারাবাহিকে অসাধারণ অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। ধারাবাহিকের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন অনেক সিনেমাতেও। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘দাদার আদেশ’ (Dadar Adesh) , ‘মগ্ন মৈনাক ‘ (Magno Mainak), ‘তিন কন্যা’ (Teen Tanaya), ‘ইকির মিকির’ (Ikir Mikir) প্রভৃতি।

সুঅভিনেত্রীর সঙ্গে রূপাঞ্জনা একজন স্পষ্টবাদী বলেও ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত। সাম্প্রতিককালে মফস্বলের উঠতি শিল্পীদের দিকে তাঁর অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে এর আগে যারা অভিনয় জগতে আসতেন, তাঁরা প্রত্যেকেই বেশ কষ্ট করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা বানিয়ে নিয়েছেন। অনেকে এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নিজেদের আলাদা পরিচিতি বানানোর। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকে নায়িকাই কম সময়ে সাফল্য লাভের আশায় ইন্ডাস্ট্রির তথাকথিত প্ৰভাৱশালী ব্যক্তিদের নিজের অবলম্বন বানাচ্ছেন। এইসব ব্যক্তিরা আগে ইন্ডাস্ট্রিতে ‘গড ফাদার’ নামে পরিচিত হলেও এখন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ‘সুগার ড্যাডি’ বলেই বেশি খ্যাত। এইসব ব্যক্তিদের সাহায্যে উঠতি নায়িকারা কম সময়ে এবং বাকিদের থেকে কম পরিশ্রম করে আর্থিক দিক থেকে বিপুলভাবে লাভবান হচ্ছেন বলে তাঁর ধারণা। তবে এইসব সুগার ড্যাডিদের সাহচর্যে তাঁদের যে শুধুমাত্র আর্থিক দিক থেকেই উন্নতি হচ্ছে তাই নয়, আরও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে তাঁদের পরিচিতি বাড়ছে। যাদের জন্য কেরিয়ারেও খুব দ্রুত উন্নতি করছেন এইসব নবাগত নায়িকারা। এর ফলে দুই পক্ষই সমানভাবে লাভবান হচ্ছে। নবাগত নায়িকারা খুব সহজে যেমন সাফল্য পাচ্ছেন তেমনি এইসব প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নায়িকাদের ব্যক্তিগত কিংবা সামাজিকভাবে ব্যবহার করছেন নিজেদের স্বার্থে । এইসব কারণে শুধুমাত্র অভিনয় দক্ষতাকে হাতিয়ার করে নিজের জায়গা বানানোর জন্য যাঁরা ইন্ডাস্ট্রিতে আসেন তাঁরা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন এইসব সুবিধাভোগীদের তুলনায়। অভিনেত্রী এই বিষয়ে আরও বলেছেন যে পরিবারের ভয়ে অনেকেই আগে এই রাস্তা অনুসরণ করেননি। আর যদি করেও থাকেন তাহলে এখনকার মতো এতটা প্রকাশ্যে আসার সুযোগ পেত না।

রূপাঞ্জনার এই বক্তব্যের সাথে অনেকেই সহমত পোষণ করলেও সবাই সমর্থন করেননি। রূপাঞ্জনার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ছোটপর্দার দুই নায়ক নায়িকা ঊষসী রায় এবং গৌরব চক্রবর্তী। জি বাংলার ‘বকুল কথা’ (Bokul Kotha) ধারাবাহিকে নাম ভূমিকায় অভিনয় নিজেদের আলাদা পরিচিতি বানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এখন ধারাবাহিকের সঙ্গে অভিনয় করছেন বিভিন্ন ওয়েব সিরিজেও। এই বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, নবাগতদের এই সুযোগ নেওয়ার বিষয় সম্বন্ধে তাঁর ধারণা অনেক কম। তবে কষ্টের কোন বিকল্প নেই বলে তাঁর ধারণা। এর সাথে তিনি এও বলেছেন এই বিষয়ে যা ঘটছে তার কোথাও না কোথাও কিছুটা সত্যতা রয়েছে। অন্যদিকে অভিনেতা গৌরব জানিয়েছেন, নিজেদের জন্য কে কোন পন্থা অবলম্বন করবে সেটা একান্তই নিজের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সৎ পথে থাকলে তাঁদের ভাল হবে। তবে যদি খারাপ কিছু করে থাকেন তবে সামাজিকভাবে সবার কাছেই সেটা প্রকাশিত হবে। তাঁর ধারণা সমাজের ইতিবাচক দিকেই সবার মনোনিবেশ করা উচিত।

ইন্ডাস্ট্রির অনেক না জানা কালো দিক মাঝে মধ্যেই এইভাবে সবার সামনে চলে আসে। দর্শকদের মনোরঞ্জনের আড়ালেও যে কত ঘটনা ঘটে সেটা এইরকম ঘটনা কিংবা মন্তব্য সামনে না এলে বোঝা যায় না।

Categories
বিনোদন

‘দারোয়ান’ বিতর্কে নেটিজেনদের অশ্লীল কটাক্ষের শিকার সুদীপা, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন রান্নাঘরের রানী

‘সুইগি’ বিতর্কে অবশেষে সবার কাছে ক্ষমা চাইলেন ‘রান্নাঘর’ (Rannaghor) শোয়ের সঞ্চালিকা সুদীপা চ্যাটার্জি (Sudipa Chatterjee)। বেশ কিছুদিন ধরেই এই বিষয় নিয়ে সবার কাছে সমালোচিত হচ্ছিলেন তিনি। এখন ক্ষমা চাওয়ার পরে সেই বিতর্কের অবসান ঘটবে বলে আশা করা যায়।

জি বাংলার অনেক জনপ্রিয় শোয়ের মধ্যে অন্যতম হল রান্নাঘর। ২০০৫ সাল থেকে এই শোয়ে সঞ্চালিকার ভূমিকায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে সুদীপাকে। পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Agnidev Chatterjee) স্ত্রী ছাড়াও এই শোয়ের সুবাদে নিজের আলাদা পরিচিত বানিয়ে নিয়েছেন সুদীপা। তবে কিছুদিন আগে সুইগি ডেলিভারি বয়কে নিয়ে করা মন্তব্যের কারণে সাম্প্রতিককালে বেশ কয়েকদিন ধরে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তিনি । এই বিষয়ে অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিকের (Aritra Dutta Banik) সাথে তাঁর বাকযুদ্ধ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। অনেকেই তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন সুদীপা। তিনি ওই পোস্টে জানিয়েছেন যে তিনি তাঁর মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে যা বলতে চেয়েছেন সেটা ভুলভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ডেলিভারি বয়কে অপমান করতে চাননি। তাঁর এই রকম মন্তব্যের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যে কল না করার অপশন বেছে নেওয়ার পরেও বারংবার কল আসার কারণ খুঁজে বের করা । তাঁর বক্তব্যকে একেবারে ভিন্নভাবে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। এখন ম্যাপের মাধ্যমে বাড়ি চিনে নেওয়ার সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ফোন করে বাড়ির ঠিকানা জিজ্ঞাসা করার বিপক্ষে তিনি। তবে তাঁর প্রতি এত বিদ্বেষমূলক মন্তব্য দেখে তিনি যে বেশ মর্মাহত সেটাও এই পোস্টে উল্লেখ করেছেন। সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। মায়ের আগমনের সাথে সাথেই তিনি সব রকমের বিতর্কের ইতি ঘটাতে চেয়েছেন।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Sudipa Chatterjee (@sudiparrannaghor)

সোশ্যাল মিডিয়া যেমন মানুষকে পরিচিতি এনে দেয় তেমনি জন্ম দেয় অনেক বিতর্কের। এই কারণে মাঝে মধ্যেই অনেকেই ব্যক্তিগত রোষের শিকার হন। তবে বাকস্বাধীনতা সবারই আছে। সেই কারণে বিতর্কও রয়েছে। তবে যত দ্রুত বির্তকের অবসান ঘটবে ততই ভালো বার্তা যাবে সমাজের কাছে।

Categories
বিনোদন

টেলিভিশন ছেড়ে কোথায় হারিয়ে গেলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ত্বরিতা চট্টোপাধ্যায়

মহানায়ক উত্তমকুমারের (Uttam Kumar) নাতবৌ হওয়া সত্ত্বেও তেমনভাবে জনপ্রিয়তা পান নি অভিনেত্রী ত্বরিতা চট্টোপাধ্যায় (Twarita Chatterjee)। এই নিয়ে প্রথমবার সংবাদমাধ্যমকে জানালেন নিজের মনের কথা। অনেকেই মনে করছেন বিনোদন জগৎ ছেড়ে চলে গিয়েছেন তিনি।

বিনোদন জগতে একটি অন্যতম পরিচিত মুখ হলেন ত্বরিতা। বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। কিছুদিন আগে শেষ হয়েছিল জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কড়ি খেলা’ (Kori Khela)। সেখানে তাঁর অভিনয় ভালো লেগেছিল সবার। এছাড়া ‘করুণাময়ী রানী রাসমণি’ (Karunamoyee Rani Rashmoni) ধারাবাহিকে ‘সারদামণি’র মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে আলাদাভাবে নজর কেড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। তাঁর অভিনীত ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম ‘তুমি আসবে বলে’ (Tumi Asbe Bole), ‘জড়োয়ার ঝুমকো’ (Jarowar Jhumko) প্রভৃতি।

কিছুদিন আগে অভিনেতা সৌরভ বন্দোপাধ্যায়ের (Sourav Banerjee ) সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ত্বরিতা। সৌরভ বাংলা টেলিভিশনের পরিচিত মুখ। এছাড়া উত্তমকুমারের নাতি হিসাবেও তাঁর বেশ খ্যাতি রয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে একটি ক্যাফেও চালান ত্বরিতা। কেরিয়ারের শুরুতে ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ (Ogo Bodhu Sundori) নামে একটি সিরিয়ালে অভিনয়ের প্রস্তাব ছেড়ে দিয়েছিলেন। এর পরে ওই ধারাবাহিকে অভিনয় করে জনপ্রিয় হয়েছিলেন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী (Ritabhari Chakraborty)। এই ধারাবাহিকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াটা তাঁর ভুল হয়েছিল বলে ওই সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন তিনি। এর পরে আর কোনো ধারাবাহিকে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে পার্শ্বচরিত্রেও তাঁর অভিনয় দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। পেশাগত জীবনে তাঁর সাফল্যের পেছনে শ্বশুরবাড়ির অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে কিছুদিনের বিশ্রাম নিয়ে আবার নতুন করে কাজে ফিরবেন বলে জানা গিয়েছে ওই সাক্ষাৎকারে। তবে ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে যাওয়ার যে গুঞ্জন উঠেছে তা অস্বীকার করেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি অনেকেই অন্য কোনো পেশা কিংবা শখের সাথে যুক্ত। কারণ বিনোদন জগতে সবকিছুই অনেকটাই অনির্দিষ্ট। তাই বিকল্প পেশার কথা সবাই ভেবে রাখেন নিজেদের সুরক্ষিত ভবিষ্যতের জন্য। ত্বরিতাও ব্যতিক্রমী নন। তবে অভিনয় দক্ষতার কারণেই বর্তমানে বিনোদন জগতে নিজের জায়গা তিনি বানিয়ে নিতে পেরেছেন। আশা করা যায় আগামী দিনে আরও ভালো চরিত্রে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যাবে।

Categories
বিনোদন

‘দিদি নং ১’ রচনা ব্যানার্জীকে হারাতে কোমর বেঁধে মাঠে নামছেন ‘শ্রীময়ী’ ইন্দ্রাণী হালদার

নতুন রূপে জি বাংলার পর্দায় ফিরছেন অভিনেত্রী ইন্দ্রানী হালদার (Indrani Haldar)। তাঁর এই নতুনভাবে প্রত্যাবর্তন বেশ খুশির খবর তাঁর অনুরাগীদের কাছে।

বাংলা বিনোদন জগতে ইন্দ্রানী হালদার একটি অতি পরিচিত নাম। সিরিয়ালের পাশাপাশি সিনেমাতেও করেছেন অনবদ্য অভিনয়। তবে বর্তমানে ছোটপর্দাতেই বেশি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে তাঁকে। ১৯৮৬ সালে জোছন দস্তিদারের (Jochon Dastidar) পরিচালনায় ‘তেরো পার্বণ’ (Tero Parbon) নামে ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেছিলেন তিনি। সিনেমায় অসাধারণ অভিনয়ের কারণে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড (National Award)- এর পাশাপাশি দুটো আনন্দলোক পুরস্কারও (Anandalok Award) রয়েছে তাঁর প্রাপ্তির ঝুলিতে। এছাড়া অনেক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকাতেও দেখতে পাওয়া গিয়েছে তাঁকে ।

‘শ্রীময়ী’ (Sreemoyee) ধারাবাহিকের মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে ছিলেন ইন্দ্রানী। তবে সেইসময় অন্য একটি ধারাবাহিকে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একটি নারীকেন্দ্রিক রিয়েলিটি শোতে তাঁকে দেখতে পাওয়া যাবে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যে সেই শোয়ের শুটিংও সেরে ফেলেছেন। তবে কবে দেখতে পাওয়া যাবে এই শোটি সে বিষয়ে কিছু জানান নি তিনি। তাঁর নতুন এই শোটি জি বাংলায় সম্প্রচারিত হবে বলে জানা গিয়েছে। তাহলে কি আর কোনোদিন স্টার জলসার পর্দায় দেখতে পাওয়া যাবে না তাঁকে? এই নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু এখনো পর্যন্ত জানাননি অভিনেত্রী। বর্তমানে যেসব রিয়েলিটি শো জি বাংলার পর্দায় বেশ জনপ্রিয় তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রচনা বন্দোপাধ্যায় (Rachna Banerjee) সঞ্চালিত ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ (Didi No. 1)। একসময় চুটিয়ে সিনেমা করার পরে বর্তমানে এই রিয়েলিটি শোয়ের কারণেই সারা বাংলার দিদি হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন সুন্দরী রচনা। তাঁর দক্ষ সঞ্চালনার কারণে বহু বছর ধরে দিদি নম্বর ওয়ান অনেকবার পুরস্কৃত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ইন্দ্রানীর নতুন শো জি বাংলার পর্দায় সম্পচারিত হলে দুই নায়িকার মধ্যে লড়াই দেখতে পাওয়ার সম্ভবনা অনেকটাই। দর্শক এই সংবাদ পাওয়ার পরে স্বভাবতই বেশ উৎসাহী হয়ে উঠেছেন।

২০১৫ সালে ‘গোয়েন্দা গিন্নি’ (Goyenda Ginni ) নামে একটি ধারাবাহিকে অভিনয় করে বেশ ভালোই প্রশংসা পেয়েছিলেন ইন্দ্রানী। সবাই আশা করেছিলেন এই ধারাবাহিকের নতুন সিজন নিয়ে আরেকবার পর্দায় দেখতে পাওয়া যাবে তাঁকে। কিন্তু অন্য ধরণের শোতে তাঁকে দেখতে অনুরাগীরা অপেক্ষা করে থাকবেন সেটা বলাই বাহুল্য।

Categories
বিনোদন

চতুর্থ বিয়ের পথে শ্রাবন্তী? অভিরূপের এই কাজে লজ্জায় লাল অভিনেত্রী

ফের জীবনে নতুন প্রেম এল অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের (Srabanti Chatterjee)। নতুন প্রেমিকের করা পোস্টে লজ্জায় রাঙা হলেন অভিনেত্রী। অনুরাগীরা এখন তাঁর চতুর্থ বিয়ের অপেক্ষায়।

বাংলা সিনেমা জগতে জনপ্রিয় নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম হলে শ্রাবন্তী। নিজের সফল অভিনয় জীবনে অনেক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। তাঁর অভিনয় প্রতিভা এবং মিষ্টি রূপের কারণে অনুরাগীর সংখ্যা অসংখ্য। ১৯৯৭ সালে ‘মায়ার বাঁধন’ (Mayar Badhon) ছিল তাঁর অভিনীত প্রথম সিনেমা। এর পরে ‘দুজনে’ (Dujone), ‘অমানুষ’ (Amanush) , ‘জোশ’ (Josh) , ‘ওয়ান্টেড’ (Wanted) প্রভৃতি সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শকদের মন জিতে নিয়েছিল। সিনেমার পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের জন্যও বিভিন্ন সময়ে পেজ থ্রির পাতায় এসেছেন শ্রাবন্তী।

সোশ্যাল মিডিয়ার এক পোস্ট থেকেই শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমের ইঙ্গিত মিলল। অভিনেত্রীর বর্তমানে বিশেষ বন্ধু হিসেবে পরিচিত হলেন অভিরূপ নাগ চৌধুরী । তিনি সম্প্রতি একটি সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন তাঁর পাগলাটে মেয়ে পছন্দ। সেই পোস্টে শ্রাবন্তীর সলজ্জ কমেন্টের পরেই গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। লজ্জায় রাঙা ইমোজিও দেন ওই পোস্টে। ফলে সবার ধারণা নতুন করে বিশেষ এই বন্ধুটির প্রেমে পড়েছেন টলি কুইন। আসন্ন পুজোর আগে নিজেদের প্রিয় অভিনেত্রীর প্রেমের খবরে ভক্তরা বেশ খুশি। কিন্তু এর আগেও অভিনেত্রীর জীবনে তিনবার প্রেম এসেছে যা বিয়ে পর্যন্ত পরিণতিও পেয়েছে। তবে কিছুদিন পরেই আগের সম্পর্ক ভেঙে নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন বারংবার। এই কারনে সফল এই অভিনেত্রীকে অনেকবার নেটিজেনদের ট্রোলের মুখোমুখিও হতে হয়েছে। তবে সেসব সমালোচনাকে সরিয়ে দিয়ে নিজের মতো করে জীবন উপভোগ করেছেন তিনি। এবারেও সেইভাবেই নতুন জীবনের সূচনা করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Srabanti ❤️ (@srabanti.smile)

নতুন প্রেম এবং বিয়ের বিতর্কের মধ্যেও কাজে বিরাম দেননি শ্রাবন্তী। পুজোর আগে বেশ কিছু প্রজেক্টের সাথে যুক্ত হতে চলেছেন। তবে এখনকার গুঞ্জন যদি সত্যি হয় তবে এইবারের পুজো হয়তো অনেকটাই অন্যরকম কাটবে তাঁর।

Categories
বিনোদন ভিডিও

রঞ্জিত মল্লিকের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন স্ত্রী দীপা মল্লিক

অভিনেতা হিসেবে রঞ্জিত মল্লিককে (Ranjit Mallick) সবাই চিনলেও ব্যক্তি হিসাবে তিনি কেমন সেটা কাছের মানুষ ছাড়া সবার কাছেই প্রায় অজানা। জনপ্রিয় এই অভিনেতার না জানা দিক নিয়ে প্রথমবার কথা বললেন সহধর্মিণী দীপা মল্লিক (Deepa Mallick)।

টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে বাংলা সিনেমায় তাঁর অসাধারণ অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে গিয়েছেন। ১৯৭১ সালে মৃনাল সেন (Mrinal Sen) পরিচালিত ‘ইন্টারভিউ’ (Interview) সিনেমার মধ্যে দিয়ে বাংলা সিনেমা জগতে তাঁর পদার্পন ঘটেছিল। এর পরে ‘ইন্দ্রজিৎ’ (Indrajit), ‘শাখা প্রশাখা’ (Shakha Proshakha ), ‘সন্তান’ (Santan ) , ‘নিয়তি’ (Niyoti) , ‘জীবন নিয়ে খেলা’ (Jibon Niye Khela ) সহ একাধিক সিনেমায় তাঁর অসাধারণ অভিনয় আজও মানুষের মনে গেঁথে রয়েছে। তবে ‘শত্রু’ (Shatru ) সিনেমায় শুভঙ্কর স্যান্যাল নামে এক সৎ পুলিশ অফিসারের চরিত্র তাঁকে একসময় বেশি পরিচিতি দিয়েছিল।

বর্তমানেও তিনি অভিনয় জগতের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তবে আগে যেমন প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করতেন এখন সেই ভূমিকায় তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যায়না । সংবাদসূত্রের খবর অনুযায়ী দীর্ঘ ১৪ বছর পরে আবার প্রধান ভূমিকায় দেখতে পাওয়া যাবে তাঁকে। পুলিশ অফিসার শুভঙ্কর স্যানালের পরিবর্তে আইনজীবী শুভঙ্কর স্যানাল হিসেবে নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ ঘটবে তাঁর। টলিউড ইন্ডাস্ট্রির সাথে দীর্ঘদিন জড়িত থাকার সুবাদে অভিনয়ের বাইরেও তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই চেনেন। তা সত্ত্বেও চেনা গন্ডির বাইরে ব্যক্তি রঞ্জিত মল্লিক সেইভাবে কখনো প্রকাশ্যে আসেননি। এতদিন বাদে প্রধান চরিত্রে তাঁর ফিরে আসা নিয়ে কথা বললেন স্ত্রী দীপা মল্লিক। এক সাক্ষৎকারে অভিনেতার স্ত্রী জানিয়েছেন স্ক্রিপ্টের ব্যাপারে বরাবরই একটু খুঁতখুঁতে অভিনেতা। ভালো স্ক্রিপ্ট না হলে কাজ করতে রাজি হন না। এই চরিত্রে অভিনয়ের প্রধান কারণ হিসেবে দীপাদেবী জানিয়েছেন চরিত্রটি তাঁর মনের মতো হয়েছে বলেই তিনি রাজি হয়েছেন। বর্তমানের সামাজিক দুরাবস্থা তাঁকে বেশ কষ্ট দেয়। আইনজীবী হিসাবে সেইসব দুর্নীতির প্রতিবাদ করার সুযোগ পাবেন অভিনয়ের মাধ্যমে।

 

শত্রু সিনেমাটি মুক্তির পরেই বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল মূলত পুলিশ অফিসার শুভঙ্কর স্যানালের চরিত্রে রঞ্জিতবাবুর অসাধারণ অভিনয়ের কারণে। সিনেমার সাথে সাথে চরিত্রটিও মানুষের কাছে বাস্তবে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আইকনিক এই চরিত্র নিয়েও নিজের মনের কথা ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) মা। মহানায়ক উত্তম কুমারের (Uttam Kumar) প্রয়ানের পরেই মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। সর্বকালের সেরা অভিনেতার এইভাবে চলে যাওয়াতে শুধুমাত্র বাংলা সিনেমা জগৎ নয়, সমগ্র সিনেমাপ্রেমী মানুষই শোকে বিহ্বল হয়ে গিয়েছিলেন। এমতবস্থায় তাঁর অভিনীত সিনেমাটি মানুষের মনে কতটা জায়গা করে নিতে পারবে এই নিয়ে সন্দেহ ছিল। তবে স্ক্রিপ্ট এবং চরিত্রের দৃঢ়তার কারণে এই সিনেমাটির সাফল্য নিয়ে বেশ আশাবাদী ছিলেন রঞ্জিতবাবু। বহু বছর পরে একই নামে আর একজন প্রতিবাদী মানুষকে দেখে দর্শকদের যে আবারো ভালো লাগবে সেটা বলাই বাহুল্য।

স্বর্ণযুগের প্রথম সারির অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। পার্শ্বচরিত্র ছাড়াও বেশ কিছু সিনেমায় নায়কের চরিত্রে তাঁর অভিনয় এবং সংলাপ দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। প্রিয় নায়কের এইভাবে আবার ফিরে আসাকে দর্শক খুব ভালোবেসেই গ্রহণ করবে বলে আশা করা যায়।

Categories
বিনোদন

Chumki Choudhury: শোকের ছায়া চৌধুরী পরিবারে, মাতৃহারা অঞ্জন কন্যা চুমকি চৌধুরী

গত রবিবার নীরবে যবনিকা পতন ঘটল টালিগঞ্জে। প্রয়াত হলেন স্বনামধন্য পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর (Anjan Choudhury) স্ত্রী জয়শ্রী চৌধুরী (Jaysree Choudhury)।

মহানায়ক উত্তম কুমারের (Uttam Kumar) প্রয়াণের পরে অভিভাবকহীন বাংলা সিনেমাকে দিশা দেখিয়েছিলেন অঞ্জন চৌধুরী। একের পর এক সুপারহিট বাংলা সিনেমা পরিচালনা করেছিলেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই উত্থান ঘটেছে বর্তমানের অনেক জনপ্রিয় নায়ক নায়িকার। তাঁর পরিচালিত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘শত্রু’ (Shatru) ,’গুরু দক্ষিণা’ (Guru Dakshina) ,’হীরক জয়ন্তী’ (Hirak Jayanti) প্রভৃতি। পরিচালকের সুযোগ্যা কন্যা চুমকি চৌধুরীও (Chumki Chowdhury ) বাংলা সিনেমা জগতে একসময় চুটিয়ে অভিনয় করেছিলেন। ২০০৭ সালে মারা গিয়েছিলেন এই পরিচালক। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টির কারণে আজও বাংলা সিনেমা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। স্বামী পরিচালক হিসেবে সুখ্যাতি অর্জন করলেও বরাবরই পর্দার আড়ালে ছিলেন স্ত্রী জয়শ্রী। অঞ্জনবাবুর সফলতার পিছনে তাঁর অবদান অনেকখানি।

স্বামীর মৃত্যুর পরে দুই কন্যা চুমকি এবং রিনা আর একমাত্র ছেলে সন্দীপকে আঁকড়ে ছিলেন জয়শ্রীদেবী। গত কয়েকদিন ধরেই বেশ অসুস্থ হয়ে একবালপুরের এক নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। গত রবিবার মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওয়ের কারণে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। মায়ের মৃত্যুর পরে পুত্র সন্দীপ চৌধুরী (Sandip Choudhury) সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন এই শোকসংবাদটি। অনেক সফল পারিবারিক সিনেমার পরিচালক ছিলেন অঞ্জনবাবু। তাঁর বাস্তব জীবনও সিনেমার থেকে কোনো অংশে কম ছিল না। বাবা মায়ের অমতে পালিয়ে গিয়ে অঞ্জনবাবুর সাথে সংসার পেতেছিলেন জয়শ্রীদেবী। পরে অঞ্জনবাবুর মায়ের নির্দেশে সামাজিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তাঁরা। স্বীকৃতি পেয়েছিলেন চৌধুরী পরিবারের বউয়ের। স্বামীর কেরিয়ার গড়ে তোলার পিছনে তাঁর অনেক আত্মত্যাগ রয়েছে। নিজের গয়না বেচে দিয়ে স্বামীকে সাহায্য করেছিলেন প্রযোজনা সংস্থা খুলতে। তবে বরাবরই পর্দার আড়ালে থাকতে ভালোবাসতেন। অনেক প্রতিভা টাকা সত্ত্বেও স্বামীর প্রযোজনা সংস্থার বাইরে কাজ করা অনুমতি কখনো পাননি। ফলে সেইভাবে সামনে আসতে পারেনি তাঁর প্রতিভা। তবে পরিবারের স্বার্থে সবকিছুকে বিসর্জন দিয়ে সংসারেই মন দিয়েছিলেন জয়শ্রীদেবী। ভালো নৃত্যশিল্পী হওয়ার দরুন পরবর্তীকালে দুই কন্যাকে নাচের তালিমও দিয়েছিলেন। তিনি ভালো গানও গাইতে পারতেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী কন্যা চুমকি চৌধুরী। বরাবর সবার আড়ালে থাকা এই শিল্পীর শেষ যাত্রাও হল সবার অলক্ষ্যেই। অনেকেই জানতে পারলেন না কখন চলে গেলেন তাঁদের প্রিয় ‘ঝুনুদি’।

বাংলা সিনেমায় অঞ্জনবাবুর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর সাফল্যের পিছনে রয়েছে স্ত্রী জয়শ্রীদেবীর হাত। একসময় অঞ্জনবাবুর জন্যই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলা সিনেমা জগৎ। অথচ তাঁর সহধর্মিণীর চলে যাওয়ার সময় পাশে ছিল না ইন্ডাস্ট্রির কেউই।

Categories
বিনোদন ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

ক্যামেরা অন করেই স্নান করছেন মধুমিতা, ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই অশ্লীল কটাক্ষের শিকার অভিনেত্রী

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্নানের ছবি পোস্ট করে সমালোচনার শিকার হয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার (Madhumita Sarcar)। তবে তাঁর এই পোস্ট ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে মতানৈক্য দেখতে পাওয়া গিয়েছে।

কাজের ফাঁকে বর্তমানে ছুটির মেজাজে রয়েছেন অভিনেত্রী। নিজের মুসৌরি সফরের বিভিন্ন ছবি অনুরাগীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন তিনি। এর মধ্যে একটি স্নানের দৃশ্যের ছবি নিয়ে নেটিজেনদের একাংশের অশ্লীল কটাক্ষের মুখে পড়েছেন মধুমিতা। তবে বেশ কিছু নেটিজেনদের মতে তাঁর ছবি সেইভাবে শ্লীলতার সীমা অতিক্রম করেনি। ফলে এখন এই নিয়ে দ্বিমত দেখা দিয়েছে তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে। এইসব বিতর্ককে তোয়াক্কা না করে এখন মনের আনন্দে ছুটি উপভোগ করছেন মধুমিতা। ভ্রমণপ্রিয় এই অভিনেত্রী বরাবরই নিজের মতো করে ঘুরতে ভালোবাসেন। সেইসব সোলো ট্রিপের কাহিনী বহুবার সামাজিক মাধ্যমে দিয়েছেন তিনি। তবে তাঁর পোস্ট করা ছবি নিয়ে এই প্রথমবার বির্তকের সম্মুখীন হলেন না। এর আগেও তাঁর ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিছুদিন আগে গলায় লাভ বাইট নিয়ে ছবি তোলায় বেশ বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন। তাঁর বিকিনি পরিহিতা ছবি নিয়েও নানা ধরণের মন্তব্য করেছিলেন নেটিজেনরা। সব মিলিয়ে বিতর্ক এবং মধুমিতা বর্তমানে প্রায় সমার্থক হয়ে গিয়েছে।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Madhumita Sarcar (@madhumita_sarcar)

বির্তকের সাথে সাথে এখন নিজের কেরিয়ারের মধ্যগগনে রয়েছেন অভিনেত্রী। হাতে রয়েছে অনেক কাজের সুযোগ। কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে ‘কুলের আচার’ ( Kuler achar) সিনেমাটি। এই সিনেমায় তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায় (Vikram Chatterjee)। বিয়ের পরে মেয়েদের স্বামীর পদবি গ্রহণ করা উচিত নাকি পিতৃদত্ত পদবি এই নিয়েই তৈরী হয়েছে সিনেমার গল্প। টলিউড ছাড়াও দক্ষিণী সিনেমাতেও অভিনয় করার প্রস্তাব পেয়েছেন মধুমিতা। নাম এখনো জানা না গেলেও তার বিপরীতে থাকবেন ওই ইন্ডাস্ট্রির একজন জনপ্রিয় নায়ক। এখন সেইসব প্রস্তুতির ফাঁকে একটু জিরিয়ে নিতেই তাঁর এই মুসৌরি সফর।

Categories
বিনোদন ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার সঙ্গে চুটিয়ে রোম্যান্স করছেন ‘মহানায়ক’ সোহম, প্রকাশ্যে এল ভিডিও

‘মহানায়ক’ সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) সাথে রোম্যান্সে মত্ত বর্তমানে রাজনৈতিক জগতের অন্যতম বিতর্কিত নাম অর্পিতা মুখার্জী ((Arpita Mukherjee))। ভাইরাল এই ভিডিওকে ঘিরে উত্তাল সমগ্র নেটদুনিয়া।

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অভিনেত্রী এবং মডেল অর্পিতা। টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে তেমনভাবে নিজের পরিচিতি তৈরি করতে পারেননি তিনি। তবে ‘বুম্বাদা’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) থেকে শুরু করে সুপারস্টার জিৎ (Jeet) অনেকের সাথেই অভিনয় করেছেন। অভিনেত্রীর চেয়েও বর্তমানে পার্থ ঘনিষ্ঠ বলেই বেশি পরিচিতি পাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তাঁর পুরনো ছবি এখন বেশ ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে। সমুদ্রের ধারে বিকিনি পরা ছবি থেকে শুরু রোম্যান্সের দৃশ্য সবকিছুই এখন চর্চার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। যেসব অভিনেতার বিপরীতে অর্পিতা অভিনয় করেছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন সোহম। নায়ক হিসেবে বাংলা সিনেমা জগতে বেশ পরিচিতি রয়েছে তাঁর। তবে অভিনেতার সাথে সাথে তাঁর আরেকটি পরিচয়ও রয়েছে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। এই কারণেই বির্তক আরো বেশি করে ঘিরে ধরেছে ভিডিওটিকে । ২০০৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল সোহম এবং অর্পিতা অভিনীত জিনা: দ্য এন্ডলেস লাভ’ (Jeena The Endless Love) অ্যালবামটি । এই ছবির আগুন ছুঁয়েছে (Agoon Chhuechhe Mon) গানের দৃশ্যেই সোহমের সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ছিলেন অর্পিতা। তবে সিনেমাটি তেমনভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি দর্শকদের মধ্যে।

মহানায়ক সম্মানে ভূষিত হওয়ার পরে নেটিজেনদের কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন সোহম। এই সম্মান পাওয়ার যোগ্য তিনি নন বলে অনেকে মন্তব্যও করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। অভিনেতাকে অর্পিতার সাথে অভিনয় করতে দেখে নেটিজেনরা বেশ বিদ্রুপ করেছেন। এইসব কারণ ছাড়াও ভিডিওটিকে ঘিরে মানুষের ক্ষোভের অন্যতম কারণ হলো গানটি গেয়েছেন রূপঙ্কর বাগচী (Rupankar Bagchi)। সম্প্রতি প্রয়াত গায়ক কেকে (KK)- কে নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের কারণে দর্শকদের ভালোবাসা হারিয়েছেন গায়ক। অনেক জায়গাতেই তাঁর গান রীতিমতো ব্যান করে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এই তিনটি কারণেই ভিডিওটি বর্তমানে বেশ সমালোচিত।

Categories
বিনোদন

খলনায়ক হয়েও জিতেছেন সকলের মন, মিঠাইয়ের শেষ শুটিংয়ে গুরুতর আহত ওমি আগরওয়াল

শুটিং চলাকালীন গুরুতরভাবে আহত হলেন অভিনেতা জন ভট্টাচার্য (John Bhattacharya)। সংবাদসূত্রে খবর আঘাত লাগার পরেও শুটিং শেষ করেছেন ‘মিঠাই’ (Mithai) ধারাবাহিকের ওমি আগারওয়াল (Omi Agarwal)।

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকের প্রধান চরিত্র সিদ্ধার্থ (Siddharth) এবং মিঠাইয়ের (Mithai ) জীবন দুর্বিষহ করতে হাজির হয়েছিল ওমি। মিঠাই -সিডের ব্যক্তিগত সম্পর্ক মধুর হওয়ার আগে থেকেই এদের জীবনে আবির্ভাব ঘটে এই খলনায়কের। তবে সিরিয়ালের গল্প অনুযায়ী কয়েকটি এপিসোডের পরেই শেষ হতে চলেছে ওমি চরিত্রটি । কিন্তু শেষের আগেই মোক্ষম কামড় দিয়েছে ওমি। মোদক বাড়িকে বোম্ব দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে সে। বর্তমানে এই নিয়েই মিঠাইয়ের টানটান এপিসোড চলছে। অবশেষে বোম্ব স্কোয়াডের সাহায্য ছাড়াই সিদ্বার্থ প্লাস দিয়ে বোম্ব নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছে। এখন মোদক পরিবারে খুশির হাওয়া বইলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় ওমি।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Shaurja Batyacharyya (@john00240)

শেষের দিকের এই দৃশ্যটির শুটিং করতে গিয়েই আঘাত পেয়েছেন ওমিরুপী জন। গুলির বারুদের কারণে আঙুলে রক্তক্ষরণ হয়েছে। পায়েও যথেষ্ট আঘাত পেয়েছেন অভিনেতা। তবে চোট আঘাত নিয়েই শুটিং শেষ করেছেন। এই সিরিয়ালের মধ্যে দিয়েই প্রথমবার খলনায়ক রূপে ধরা দিলেন সুদর্শন এই নায়ক। এইকারণে মনে বেশ কিছুটা সন্দেহ নিয়েই শুরু করেছিলেন এই চরিত্রে অভিনয় করা। দর্শকরা মনে মনে তাঁকে বেশ অপছন্দ করলেও এটাই তাঁর অভিনয়য়ের সফলতা বলে মনে করছেন জন।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Shaurja Batyacharyya (@john00240)

পর্দায় সম্পর্ক খারাপ হলেও বাস্তবে মিঠাই ধারাবাহিকের সবার সাথে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন অভিনেতা। সেই কারণে চরিত্রটি শেষ হয়ে যাওয়ায় অভিনেতার সাথে সাথে বাকি কলাকূশলীদেরও মন খারাপ। আহত হলেও বর্তমানে অভিনেতার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।