Categories
নিউজ

দিনে ৯৫ টাকা জমালে পেয়ে যাবেন ১৪ লক্ষ টাকা! মধ্যবিত্তদের জন্য দুর্দান্ত স্কিম নিয়ে এল পোস্ট অফিস

বর্তমানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশিভাগ মানুষ ব্যাংক কোনো সেভিংস অ্যাকাউন্টের থেকে পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগের উপরে বেশি আস্থা রাখছে। কারণে সুরক্ষিত সেভিংস এবং লাভজনক রিটার্নের ক্ষেত্রে এখন পোস্ট অফিসের কোন বিকল্প নেই। বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের জন্য অনেক লাভজনক স্কিম নিয়ে আসছে পোস্ট অফিস। সঠিক স্কিমে সঠিকভাবে বিনিয়োগ করতে পারলে বেশ লাভবান হবেন গ্রাহকরা।

কম বিনিয়োগে অসাধারণ রিটার্নের জন্য ‘সুমঙ্গল রুরাল পোস্টার লাইফ ইন্সুরেন্স’ স্কিমটি এখন বেশ লাভজনক। ভারতীয় ডাক বিভাগের এই প্রকল্পে ১৯ থেকে ৪৫ বছর বয়সের যে কোনো ভারতীয় নাগরিক বিনিয়োগ করতে পারবেন। এটি আসলে একটি এন্ডওমেন্ট প্ল্যান। বিভিন্ন কারণে অনেক ব্যক্তির বারংবার টাকার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাঁদের ক্ষেত্রে বেশ লাভজনক এই স্কিমটি। কারণ এর ফলে যে ব্যক্তি বিমা করছেন তিনি জীবিত থাকাকালীনই বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পেয়ে যাবেন। এই প্রকল্পে দৈনিক ৯৫ টাকা অর্থাৎ মাসিক ২৮৫০ টাকা জমা করলে ম্যাচিউরিটির পরে গ্রাহকদের প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ ১৪ লক্ষ টাকার বেশি হতে পারে। এক্ষেত্রে যদি বিনিয়োগকারীর বয়স ২৫ বছর হয় তাহলে ২০ বছরের জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে। তবে এই প্রকল্পে কিস্তিতেও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে গ্রাহকদের কাছে। তিন মাসের জন্য কিস্তি পরিশোধ করলে ৮,৮৫০ টাকা এবং ৬ মাসের জন্য পরিশোধ করলে গ্রাহককে ১৭,১০০ টাকা দিতে হবে।

এছাড়া এই প্রকল্পে রয়েছে আরও একটি বড় সুবিধা। পলিসির ধারক মারা গেলে ১০ লক্ষ টাকার নিশ্চিত বিমারাশি ছাড়াও বোনাস পাওয়া যাবে এই প্রকল্প থেকে। এই পলিসির সর্বোচ্চ মেয়াদ হল ২০ বছর এবং সর্বনিম্ন ১৫ বছর। গ্রাহক যদি ১৫ বছরের জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করেন তাহলে ৯ বছর এবং ১২ বছর পরে বীমার মোট অর্থের ২০ শতাংশ অর্থ ফেরত পাবেন। ম্যাচিউরিটির সময় বাকি অর্থ বোনাসের সাথে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ২০ বছরের জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করলে ১২ এবং ১৬ বছরে বীমার অর্থের ২০ শতাংশ অর্থ ফেরত পাবেন গ্রাহকরা এবং বাকি অর্থ ম্যাচিউরিটির সময় বোনাস সহযোগে পাওয়া যাবে।

Categories
অফবিট নিউজ ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

ঘন জঙ্গলে দেখা মিলল ‘বিরল’ কালো বাঘের, নেটদুনিয়ায় তুমুল গতিতে ভাইরাল ভিডিও

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি বেশ ভাইরাল কালো ডোরাকাটা বাঘের বিরল দৃশ্যের ভিডিও । ১৫ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি সবারই মুঠোফোনে বর্তমানে বন্দি।

ভারতের জাতীয় পশু বাঘ। কিন্তু রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্বে গর্বিত ভারতে বর্তমানে চোরাশিকারিদের দৌলতে বাঘ লুপ্তপ্রায় প্রাণীতে পরিণত হয়েছে। চিড়িয়াখানাতেই এখন বাঘের দেখা মেলে। এই অবস্থায় এইরকম বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হতে পেরে নেটিজেনরা বেশ আনন্দিত। যদিও জঙ্গলের এই ক্ষিপ্র প্রাণীটিকে সবাই ভয় পায়। তা সত্ত্বেও বাঘেদের কার্যকলাপ ডিজিটাল দুনিয়ার মাধ্যমে দেখতে সবাই ভালোবাসেন।

বনবিভাগের অফিসার সুশান্ত নন্দার (Susanta Nanda) টুইটে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির এই বাঘের ভিডিও। উড়িষ্যার (Odisha) সিমলিপাল জাতীয় উদ্যানে (Simlipal National Park) দেখা মিলেছে এই বাঘের। ভাইরাল হওয়া টুইটার ভিডিওতে দেখা গিয়েছে কালো রঙের বাঘটি গাছের গায়ে আঁচড় দিয়ে চলেছে। আন্তর্জাতিক ব্যাঘ্র দিবস উপলক্ষ্যে সামাজিক মাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে কয়েক সেকেন্ডের এই ভিডিওটি। বনদপ্তরে কাজ করার সুবাদে বন্য জন্তুদের এইরকম অনেক কার্যকলাপ ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ পান সুশান্তবাবু। তাঁর টুইটের কারণেই মাঝে মধ্যেই এইরকম ভিডিও দেখার সুযোগ পান নেটিজেনরা। টুইটে তিনি জানিয়েছেন কালো বাঘের মধ্যে অন্যধরণের জিন বর্তমান। সেকারণে ভারতীয় বনবিভাগ এই বাঘ সংরক্ষণ এবং বংশরক্ষার দিকে বিশেষ খেয়াল দিয়েছেন। বাঘের গায়ে ডোরাকাটা দাগের রহস্যের মূল কারন হল মূলত মিউটেশন (Mutation)। এর কারণেই বাঘের গায়ের কালো ডোরাকাটা দাগ বড়ো হয়ে কালো রং ধারণ করে এবং এর মধ্যে সোনালী ডোরাকাটা দাগ দেখতে পাওয়া যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে মানুষ ছাড়াও বন্যপ্রাণী থেকে শুরু করে বাড়ির পোষ্যদেরও নানা ধরণের ভিডিও ভাইরাল হয়। কিছু ভিডিও দেখে গায়ে কাঁটা দিলেও এইসব ভিডিওতে নেটিজেনরা লাইকস এবং কমেন্টস করেন প্রচুর।

Categories
নিউজ

এই জিনিসটি না করলে আগামী ১লা সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে যাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, রইল বিস্তারিত

আগামী মাস থেকে বন্ধ হয়ে যেতে পারে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের (Punjab National Bank) গ্রাহকদের একাউন্ট। KYC প্রক্রিয়া আপডেট করা না থাকলে একাউন্ট বন্ধ করার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে এই ব্যাংকের পক্ষ থেকে।

KYC হল ‘নো ইয়োর কাস্টমার’ (Know Your Customer)। এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয় মূলত গ্রাহকদের শনাক্ত করার জন্য। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংক বিনিয়োগকারীর সঠিক পরিচয়পত্র এবং ঠিকানার প্রমাণ প্রয়োজনীয় নথির দ্বারা যাচাই করে নেয়। গ্রাহকদের জমা করা এই KYC কেন্দ্রীয় KYC রেজিস্ট্রি (CKYC) -এর দ্বারা ডিজিটাল আকারে সংরক্ষিত এবং সুরক্ষিত রাখা হয়। এই কারণেই বর্তমানে সমস্ত সরকারি ব্যাংকগুলির মত পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কও গ্রাহকদের KYC বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

আগামী ৩১শে আগস্টের মধ্যে সমস্ত KYC প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক সহ সমস্ত ব্যাঙ্কগুলিতে। এই সময়সীমার মধ্যে KYC শেষ না করলে ব্যাংকের একাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ব্যক্তিগত কোন তথ্য পরিবর্তন করতে হলে ব্যাংকের নিকটবর্তী শাখায় যোগাযোগ করে নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা করতে হবে। আরবিআই (RBI) -এর তরফ থেকে KYC প্রক্রিয়াকরণের প্রধান কারণ হলো ব্যাংক এবং গ্রাহক উভয়ের সুবিধা নিশ্চিত করা। KYC আপডেট করা থাকলে ব্যাংকের যেমন সুবিধা হবে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করা তেমনি গ্রাহকদেরও কোন নতুন পরিষেবা নেওয়ার সময় ঝামেলা পোহাতে হবে না।

২০০২ সাল থেকে আরবিআই (RBI) এর পক্ষ থেকে KYC সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল । নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে KYC সংক্রান্ত যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে রাখা উচিত। তা না হলে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকদের গভীর দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হবে।

Categories
নিউজ

এবার থেকে স্টেশনে মিলবে না টিকিট! নতুন সিদ্ধান্তের পথে ভারতীয় রেল

অনলাইন বুকিংয়ে জোর দেওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টার। এর ফলে বেশ কিছু যাত্রীরা অসুবিধার সম্মুখীন হবেন।

ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রভাব ধীরে ধীরে পড়তে শুরু করেছে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় রেলেও। আগে টিকিটের জন্য কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন ছিল খুব সাধারণ একটি ঘটনা। এই কারণে ট্রেনের নির্দিষ্ট সময়সীমার বেশ কিছু আগে স্টেশনে পৌঁছতে হতে যাত্রীদের। অনেকেই আবার ট্রেন ধরার তাড়া থাকায় বিনা টিকিটে উঠে পড়তেন ট্রেনে। কেউ কেউ স্বভাবশতও ট্রেনের টিকিট কাটতেন না। ফলে জরিমানার শিকার হতে হত। ভারতীয় রেলের আয়ও এই কারণে অনেকটাই কমে যেত। রেল কর্তৃপক্ষের নতুন সিদ্ধান্তের কারণে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে।

অনলাইনের পাশাপাশি এতদিন পর্যন্ত অফলাইনে টিকিট কাউন্টার থেকে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টিকিট কাটত যাত্রীরা। যাদের অনলাইনের সুবিধা নেই তাঁরাই মূলত এই পন্থা অবলম্বন করত। কিন্তু যাদের অনলাইনে টিকিট কাটার সুবিধা আছে তাঁরা কাউন্টারে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার ঝক্কি এড়িয়ে যেত। অনলাইনেই কেটে নিত টিকিট। ফলে সময়ও যেমন বেঁচে যেত তেমনি লাইনের দাঁড়নোর হেনস্থা থেকেও মিলত রেহাই। রেল কর্তৃপক্ষের কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে বেশ কিছু যাত্রী সুফল ভোগ করলেও অসুবিধা হবে অনেকেরই। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের সমস্ত টিকিট কাউন্টার একসাথে বন্ধ হবে না বলে জানিয়েছে রেলওয়ে। এই বছর ৩০০ টি কাউন্টার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাবে সমস্ত কাউন্টার। এই কারণে অনলাইনে বুকিংয়ের উপরে মানুষের নির্ভরতা বৃদ্ধি পাবে।

আজ ডিজিটাল যুগেও অনেকেই অনলাইনের থেকে চিরাচরিত পুরনো প্রথাতেই বেশি বিশ্বাসী। অনলাইনে একই সময়ে একসাথে বুকিং করতে চাওয়ার দরুন ওয়েবসাইট অনেক সময় বেশ ধীর হয়ে যায়। আবার অনেকসময় নানা কারণে অনলাইনে টিকিট কাটাও সম্ভব হয়না। সার্ভার ডাউন সংক্রান্ত সমস্যাই এর প্রধান কারণ। ফলে সাইবার হেনস্থার শিকার হন যাত্রীরা। সমস্ত টিকিট কাউন্টার বন্ধ হয়ে গেলে বহু পরিচিত কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন অনেকেই বেশ মিস করবেন সেটা বলাই বাহুল্য। তবে আশা করা যায় যাত্রীদের উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য রেলওয়ের তরফ থেকে থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Categories
নিউজ

অভিনেত্রী সোনালি ফোগটের মৃত্যু রহস্যে নয়া মোড়, সিসিটিভিতে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এলো বিজেপি নেত্রী তথা অভিনেত্রী সোনালি ফোগাট (Sonali Phogat) মৃত্যু রহস্যে । ময়নাতদন্তের ফলে উঠে আসা এই তথ্য অনেকটাই মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে এই ঘটনার।

গত ২২শে অগাস্ট সোমবার গোয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৪১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর। জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস সিজন ১৪’ (Bigg Boss – Season 14)এর প্রতিযোগী ছিলেন সোনালী। সোনালীর জন্মস্থান ফাতেহাবাদ। হিসার দূরদর্শনের (Hisar Doordarshan) অ্যাঙ্কর হিসাবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন সোনালী। সেই সময়েই যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরে অ্যাঙ্করিং ছেড়ে দিয়ে পুরোদস্তুর অভিনয়ে মন দিয়েছিলেন তিনি। অভিনেতা রবি কিষেন (Ravi Kishan) এবং জিমি শেরগিলের (Jimmy Shergill) সাথেও তাঁকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। জি টিভির ‘আম্মা’ (Amma) নামে সিরিজে অভিনেতা নবাব শাহের (Nawab Shah) স্ত্রীয়ের ভূমিকায় অভিনয় করে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় ছিলেন প্রয়াত এই নেত্রী। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন বলে সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে। সেই পোস্টে সোনালির পরনে ছিল একটি সাদা কুর্তি ও মাথায় গোলাপি এবং সোনালি রঙের ডিজাইন করা একটি দোপাট্টা দেওয়া পাগড়ি। এমনকি মৃত্যুর আগে কথা বলেছিলেন পরিবারের সাথেও। সোমবার গোয়ায় থাকাকালীন হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছিল, এইখানে নিয়ে আসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট এবং এইসব ঘটনা শুনে সেইভাবে অসুস্থ ছিলেন না বলে অনুমান করা হচ্ছে। তাঁর মৃত্যুকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন অভিনেত্রীর ভাই রিঙ্কু ঢাকা (Rinku Dhaka)। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই সোনালীর আপ্ত সহায়ক সুধীর সাঙ্গোয়ানকে (Sudhir Sangwan) বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩০২ নম্বর ধারা অনুসারে সুধীরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। সুধীর এবং তাঁর বন্ধু সুখবিন্দর ওয়াসির বিরুদ্ধে সোনালীকে মাদক খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরে গ্রেফতার করা হয়েছে আরো দুজনকে। গোয়ার যে রেস্তোরাঁয় সর্বশেষ দেখতে পাওয়া গিয়েছিল সোনালীকে সেই রেস্তোরাঁর সিসিটিভি ফুটেজে কিছ চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। রেস্তোরাঁয় যে পানীয় তাঁকে দেওয়া হয়েছিল তাতে মাদক মেশানো ছিল। সহকারীর কাঁধে ভর দিয়ে তাঁকে রেস্তোরাঁকে বেরোতে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল ওই সিসিটিভি ফুটেজে। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে তাঁকে ধর্ষণ করেছিলেন সুধীর এবং সুখবিন্দর। বুধবার সোনালীর ভাসুর কুলদীপ ফোগাট এবং সোনালীর দাদা বিকাশ অভিযোগের তীর সুধীরের দিকেই ছিল। জেরায় মাদকের কথা স্বীকারও করেছেন দুই অভিযুক্ত। পুলিশ সূত্রের খবর, সোনালীর পানীয়র মধ্যে ১.৫ গ্রাম এমডিএমএ নামক এক ধরণের মাদক মেশানো হয়েছিল যেটা খাওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। হোটেল থেকে উদ্ধার হওয়া তাঁর পানীয় জলের বোতলেও মাদকের সামান্য চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।

প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী হৃদরোগকেই সোনালির মৃত্যুর কারণ বলে মনে করেছিল পুলিশ। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসতেই তাঁদের ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী ভোঁতা কিছু জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল তাঁকে। মাদক খাওয়ার পরে ধর্ষণের অভিযোগও বর্তমানে বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে বেশ ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে তাঁর এই মৃত্যু রহস্য। এমনকি মাদক পাচারের ঘটনাও সামনে আসা বিচিত্র নয়।

Categories
নিউজ

অবাক কাণ্ড! পুরনো সম্পর্কের পরিণতি দিতে ৭০-এর বৃদ্ধার সঙ্গে ৩৭ বছরের স্বামীর বিয়ে দিলেন স্ত্রী

পুরনো প্রেমের টানে সত্তর বছরের বৃদ্ধার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন ৩৬ বছর বয়সী যুবক। বর্তমানে এই অসমবয়সী প্রেম কাহিনীর এহেন পরিণতি নিয়ে বর্তমানে উত্তাল সামাজিক মাধ্যম।

প্রেম যে দেশ কাল কিংবা বয়স কোনো কিছুরই গণ্ডি মানেনা সেটা বহুজন চর্চিত। কিন্তু পাকিস্তানের এই ঘটনা এই কথা আবার করে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। প্রেমের ক্ষেত্রে ‘দিল তো বাচ্চা হ্যা জি’। প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয়বার বিয়ে করার ঘটনা বিরল নয়। অনেক জায়গায়তেই এই প্রথা প্রচলিত। বর্তমানের আধুনিক সমাজে বিয়ে কিংবা প্রেমের ক্ষেত্রে বয়স বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় না। শুধুমাত্র সেলিব্রিটিরাই নয় সাধারণ মানুষও এখন এই ট্রেন্ডে বিশ্বাসী। তবে পাকিস্তানের এই ঘটনাটি অনেকদিক থেকেই আলাদা।

কৈশোর বয়সেই ৩৫ বছরের কিসওয়ার বিবির প্রেমে পড়েছিলেন ইফতিকার। বাড়িতে জানালেও পরিণতি পাইনি তাঁদের সেই সম্পর্ক। বাড়ি থেকে সেই সম্পর্ক মেনে নেয়নি ইফতিকারের বাড়ির লোকেরা। জোর করে বিয়ে হয়ে যায় তাঁর। ছয় সন্তানের বাবা হওয়ার পরেও পুরনো প্রেমকে ভুলতে পারেনি ইফতিকার। বিয়ের পরেও যোগাযোগ রেখে চলেছিলেন তিনি। অন্যদিকে একমাত্র প্রেমিক ইফতিকারকেই বিয়ে করতে বদ্ধ পরিকর ছিলেন কিসওয়ার। ফলে এতদিন ধরে অবিবাহিতই ছিলেন ৭০ বছরের এই বৃদ্ধা। দেখা সাক্ষাৎ হামেশাই চলছিল তাঁদের। তাঁদের মেলামেশা করার ঘটনা জানাজানি হয়ে যায় বাড়িতে। এই অবস্থায় স্বামীর বহুবছরের অপূর্ণ ইচ্ছাকে পূর্ণ করার জন্য সচেষ্ট হন ইফতিকারের বর্তমান স্ত্রী।

নিজে উদ্যোগ নিয়ে কিসওয়ারের সাথে বিয়ে দেন ইফতিকারের স্ত্রী। পুরনো প্রেম এতবছর পরে এইভাবে পূর্ণতা পাওয়ায় স্বভাবতই খুশি নবদম্পতি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নববিবাহিত বধূ কিসওয়ার লজ্জিতভাবে জানিয়েছেন করাচি এবং মারিতে মধুচন্দ্রিমায় যাবেন তাঁরা। ইফতিকার বর্তমানে নতুন বৌকেই নিয়েই সংসার করবেন বলে জানিয়েছেন। ইফতিকারের বাবা এবং মাও সন্তানের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাচীন প্রবাদ অনুযায়ী ‘জন্ম মৃত্যু বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে’। কার সঙ্গে কোথায় কীভাবে বিয়ে হবে সেটা স্বয়ং ভগবানই জানেন। পাকিস্তানি এই দম্পতির ক্ষেত্রে ভগবানের আশীর্বাদ ছিল বলেই এতো বছর অপেক্ষার পরে কাছাকাছি আসতে পেরেছেন এই অসমবয়সী জুটি।

Categories
নিউজ

নতুন চমক তিলোত্তমার বুকে, গঙ্গার নীচে এবার ছয় লেনের সুড়ঙ্গ তৈরির পরিকল্পনা

তিলোত্তমার মাথায় খুব শীঘ্রই যুক্ত হতে চলেছে নতুন এক পালক। গঙ্গাবক্ষের নিচে যানবাহন চলাচলের জন্য তৈরী হবে চওড়া সুড়ঙ্গ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ভাইরাল হতেই বেশ আনন্দে রয়েছেন কলকাতাবাসী।

গঙ্গা কলকাতার গর্ব। এর অপার্থিব সৌন্দর্যকে উপেক্ষা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তবে ভারতের অন্যতম ব্যস্ত শহর কলকাতায় যানজট এক নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। জরুরি কাজে যাওয়ার সময় কিংবা অফিসের সময়ে কলকাতার রাস্তায় যানজটের দৃশ্য খুব স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে সবার কাছে। এবারে যানজটের ভোগান্তি থেকে শহরবাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য গঙ্গাকেই বেছে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

খুব তাড়াতাড়ি গঙ্গাবক্ষের তলা দিয়ে চালু হবে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলের জন্য উপযুক্ত সুড়ঙ্গ। ২০২৩ সালের শুরুতেই কলকাতা থেকে হাওড়া পৌঁছে যাওয়া যাবে মেট্রোতে। মেট্রোর কাজ প্রায় শেষের দিকে। এর পরেই দীর্ঘ এই সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। এই সুড়ঙ্গ তৈরির প্রধান কারণ হলো খিদিরপুর ডক এবং নেতাজি সুভাষ ডকে দিয়ে যাওয়া আসা করা পণ্যবাহী গাড়ির কারণে সৃষ্টি হওয়া যানজট। দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে আসা এইরকম ভারী ট্রাক এবং কন্টেনারের কারণে প্রায়শই যানজট তৈরী হয়। ৮০০ মিটার দৈর্ঘ্য এই সুড়ঙ্গ তৈরী হলে সেটি অনেকটাই কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন বন্দর আধিকারিকরা। বর্তমানে সিলমোহর পড়ার অপেক্ষায় রয়েছে এই সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ। আন্তর্জাতিক নির্মাণ সংস্থা ডিপিআর এই সুড়ঙ্গ তৈরির দায়িত্ব পেয়েছে। তাদের তত্ত্বাবধানে তৈরী হওয়া এই ছয় লেনের সুড়ঙ্গের কারণে বহু পণ্যবাহী গাড়ি কোনো ঝামেলা ছাড়াই খুব দ্রুত কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছে যেতে পারবে। এর ফলে শুধুমাত্র কলকাতা নয় যানজটমুক্ত হবে হাওড়া এবং পার্শ্ববর্তী এলাকাও।

কলকাতাকে নিত্যনতুনভাবে সাজিয়ে তুলতে কোনো প্রচেষ্টাই বাকি রাখছে না সরকার। প্রতিদিন নতুনভাবে যেন সেজে উঠছে তিলোত্তমা কলকাতা নগরী। এই সুড়ঙ্গ তৈরী হলে সেটি কলকাতার সৌন্দর্যকে আরো বহুগুন বাড়িয়ে দেবে সেটা বলাই বাহুল্য।

Categories
নিউজ

এবার চলন্ত ট্রেনেই কাটা যাবে টিকিট, নতুন নিয়ম চালু করল ভারতীয় রেল

ডিজিটাল পরিষেবার যুগে যাত্রীদের সুবিধার্থে উন্নত পরিষেবা আনার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় রেল দপ্তর। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও চালু হতে চলেছে এই পরিষেবা।

ট্রেনের টিকিট কাটা অনেকসময়ই বেশ ঝক্কির হয়ে যায়। সময়ের অভাবে কিংবা লাইন থাকার দরুন অনেকেই টিকিট না কেটেই ট্রেনে উঠে পড়েন। ফলে টিকিট না পাওয়ার জন্য তাঁদের জরিমানা দিতে হয় । তার উপরে বেশ কিছু মানুষ ইচ্ছাকৃতও টিকিট কাটেন না। এই কারণে যাত্রীরা যেমন হয়রানির শিকার হন তেমনি রেলের আয় অনেকটাই কমে যায়। এসব মাথায় রেখেই নতুন নিয়ম নিয়ে এসেছে ভারত সরকার। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে চালু হবে ডিজিটাল সেবা।

সময়ের অভাবে কোনো কারণে টিকিট না কাটলেও বর্তমানে ট্রেনের মধ্যে বসেই টিকিট কাটার সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। ডেবিট কার্ডের সাহায্যে চলন্ত ট্রেনেই টিকিট কেটে নিতে পারবেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন শুরুতে ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা চালু হয়েছে। পরবর্তীকালে অন্যান্য কার্ডের মাধ্যমেও পেমেন্ট করা যাবে । প্রথম দিকে পিওএস (POS) মেশিনে ২ জি (2G) সংযোগ থাকত। কিন্তু রেলওয়ে কোম্পানি ডিজিটাল পেমেন্ট প্রযুক্তির উন্নতির জন্য পিওএস মেশিনগুলিকে ৪ জিতে -তে (4G) আপগ্রেড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । এই কারণে রেলের কর্মচারীদের প্রশিক্ষণও প্রায় শুরু হয়ে গিয়েছে । যেসব যাত্রীদের টিকিট না থাকার জন্য নগদে জরিমানা দিতে হত তাঁরা উন্নত পিওএস মেশিনের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।

রেল কর্তৃপক্ষ-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, টিকিটবিহীন এসি যাত্রীদের অতিরিক্ত টাকা নিয়ে বা স্লিপার টিকিট নিয়ে টিকিট কাটার সুবিধা যাতে দেওয়া হয় সেইকারণে সারা দেশে ৩৬ হাজারের বেশি টিটিই (TTE) পয়েন্ট-অফ-সেল মেশিনের ব্যবস্থা করা হবে। এই পদ্ধতিতে রেলওয়ের রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষও সমানভাবে উপকৃত হবেন।

Categories
টেক আপডেট নিউজ

পুজোর আগেই গ্ৰাহকদের জন্য বিরাট সুখবর, আগস্টেই 5G পরিষেবা লঞ্চ করছে জিও

আগামী মাসেই আসতে চলেছে ভারতের অন্যতম বিখ্যাত টেলিকম সংস্থা রিলায়েন্স জিওর (Reliance Jio) ৫জি পরিষেবা। এই খবরে স্বভাবতই খুশি এই সংস্থার গ্রাহকরা। কারণ গ্রাহকদের অনেকদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে।

দেশের প্রথম সারির টেলিকম সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম হলো মুকেশ আম্বানির ( Mukesh Ambani) জিও। উন্নত গ্রাহক পরিষেবা এবং নেটওয়ার্কের কারণে বাকি প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে দিয়ে একেবারে প্রথমে উঠে এসেছে এই সংস্থাটি । বর্তমানে ৪জি (4G) পরিষেবার পরিবর্তে ৫জি (5G) পরিষেবা আনার চেষ্টা করছে সমস্ত টেলিকম সংস্থা। প্রতিযোগিতার বাজারে পিছিয়ে নেই এই সংস্থাটিও। স্পেক্ট্রাম ভাগ হয়ে যাওয়ার পরেই সমস্ত টেলিকম সংস্থাগুলিকে যত দ্রুত সম্ভব এই পরিষেবা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। স্বাধীনতা দিবসের দিনই এই পরিষেবা উদ্বোধনের কথা ছিল মাননীয় প্রধামনন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। কিন্তু সমস্ত পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি প্রস্তুত না থাকায় সেটি সম্ভব হয়নি। তবে সেইদিনই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভারতে ৫জি পরিষেবা চালু করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

আগামী ২৯ শে অগাস্ট অনুষ্ঠিত হবে রিলায়েন্সের বার্ষিক মিটিং। সেইখানেই সম্ভবত ঘোষণা করা হবে এই ৫জি পরিষেবার কথা। তবে এখনো জিওর তরফ থেকে জানা যায়নি যে শুরুর দিকেই তারা এক হাজার শহরে এই ৫জি পরিষেবা দিতে পারবে কিনা। সংবাদসূত্রের খবর অনুযায়ী প্রাথমিক পর্যায়ে দিল্লী, বেঙ্গালুরু , চণ্ডীগড়, হায়দ্রাবাদ সহ ১৩ টি শহরে তারা ৫জি পরিষেবা পৌঁছে দেবে। এই ১৩টি শহরের মধ্যে রয়েছে কলকাতাও। ইতিমধ্যে রিলায়েন্সের অন্যতম প্রতিযোগী এয়ারটেল (Airtel) জানিয়েছে তারা অগাস্ট মাসের মধ্যে এই পরিষেবা চালু করে দেবে। যদিও সরকারিভাবে কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি সংস্থাটির পক্ষ থেকে। ৫জি ইনস্পেকট্রাম নিলামের পরে অনুমান করা হচ্ছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের (Azadi Ka Amrit Mahotsav) সঙ্গেই শুরু হতে পারে তাদের এই ৫জি পরিষেবার যাত্রা।

গ্রাহকদের ৫জি পরিষেবা দেওয়ার দৌড়ে এয়ারটেল কিংবা জিওর সঙ্গে রয়েছে ভোডাফোন , বিএসএনএল সহ একাধিক সংস্থা। সবাই নতুন এই পরিষেবাকে যত দ্রুত সম্ভব গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেবার চেষ্টা করছে। নিলামের মাধ্যমে স্প্রেকট্রাম বণ্টন করার জন্য এই সব সংস্থার কাছ থেকে এর মধ্যেই ১৭ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা পেয়েছে ডিওটি (DoT)। ৪জি জমানা শেষ হওয়ার পরে গ্রাহকরাও ৫জি পরিষেবার জন্য অধীর আগ্রহ অপেক্ষা করছেন। এইবারে দেখার কোনো সংস্থা এই ৫জি পরিষেবার দৌড়ে এগিয়ে যায়।

Categories
নিউজ

পোস্ট অফিসের ধামাকাদার স্কিম, দিনে ৫০ টাকা জমালেই পেতে পারেন ৩৫ লক্ষ টাকা

বর্তমানে বহু ব্যক্তি ব্যাংকের পরিবর্তে পোস্ট অফিসের বিভিন্ন স্কিমে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। শেয়ার বাজার কিংবা মিউচুয়াল ফান্ডের পরিবর্তে পোস্ট অফিসই বর্তমানে বিনিয়োগের ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অন্যান্য জায়গার থেকে পোস্ট অফিস যেমন সুরক্ষিত তেমনি লাভদায়ক।

পোস্ট অফিস বর্তমানে এমন কিছু স্কিম এনেছে যার ফলে ভবিষ্যতে প্রভূত উপকৃত হবেন বিনিয়োগকারীরা। রুরাল পোস্টাল লাইফ ইন্সুরেন্স স্কিমসের (Rural Postal Life Insurance Schemes) আওতায় ‘গ্রাম সুরক্ষা যোজনা’ (Gram Suraksha Yojana) স্কিমটি যেকোনো ব্যক্তির ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করবে। এই স্কিমে যেমন ঝুঁকি নেই তেমনি রিটার্নও ভালো পাওয়া যাবে।

৫৫ থেকে ৬০ পর্যন্ত এই স্কিম অনুযায়ী প্রিমিয়াম দিয়ে অবসরকালীন নিশ্চিত জীবন যাপন করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। এই স্কিমে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নূন্যতম বয়স হতে হবে ১৯। ৫৫ বছর বয়স্ক পর্যন্ত ব্যক্তিরা এই স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারবেন। প্রতিদিন ৫০ টাকা করে বিনিয়োগ করলে ম্যাচিউরিটির পরে ৩৫ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে। মাসে যদি কোনো ব্যক্তি ১৫১৫ টাকা জমা করেন সেই ক্ষেত্রে পলিসি মূল্য গিয়ে দাঁড়াবে ১০ লক্ষ টাকা। ৫৫ বছরের জন্য বিনিয়োগ করলে এই স্কিম থেকে ৩১,৬০,০০০ টাকা পাওয়া যাবে। কোনো ব্যক্তি যদি ৫৮ বছরের জন্য করতে চান সেক্ষেত্রে পাবেন ৩৩,৪০,০০০ টাকা এবং ৬০ বছরের ক্ষেত্রে এই অর্থের পরিমান গিয়ে দাঁড়াবে ৩৪.৬০ লক্ষ টাকা। চার বছর পর থেকে এই স্কিম থেকে লোনের সুবিধাও পাবেন বিনিয়োগকারীরা। তবে তিন বছর এই যোজনাতে টাকা দিতে না পারলে লোন সারেন্ডার করতে হবে ওই ব্যক্তিকে।

নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে অনেকেই এখন পোস্ট অফিসের বিভিন্ন স্কিমের উপরেই ভরসা রাখছেন। লোকসানের সম্ভবনা এক্ষেত্রে নেই বললেই চলে। উপরন্তু বয়স শেষে নিশ্চিন্তে জীবন কাটানোর সুযোগও পাওয়া যাবে এই পোস্ট অফিসে বিনিয়োগ করলে।