Categories
ভিডিও লাইফ স্টাইল

এইভাবে কাশ্মীরি চিকেন বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, হাত চাটবে আট থেকে আশি, শিখে নিন রেসিপি

মৎস্যপ্রিয় বাঙালির পছন্দের খাদ্যতালিকা মাংস ছাড়া একেবারে অসম্পূর্ণ। দুপুরবেলা গরম ভাতের সাথে কিংবা যেকোন অনুষ্ঠান চিকেন কিংবা মাটনের যেকোন লোভনীয় পদ থাকবেই। মাংসের ঝোল থেকে শুরু করে কাবাব কিংবা স্ন্যাকসের জন্য সুস্বাদু পকোড়া সবেতেই মাংসের জয়জয়কার। বিভিন্ন উপাদান দিয়ে নানা ভাবে মাংস রান্না করা যায়। একেবারে সাধারণ ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিংবা রেস্টুরেন্ট স্টাইলে যেভাবেই হোক বাঙালি মাংসের যেকোন পদেই তৃপ্তি খুঁজে পায়।

উপকরণ :
১. চিকেন
২. নুন
৩. হলুদ গুঁড়ো
৪. লাল লংকার গুঁড়ো
৫. সর্ষের তেল
৬. পেয়াঁজ
৭. আদা বাটা
৮. রসুন বাটা
৯. টমেটো বাটা
১০. কাশ্মীরি লাল লংকার গুঁড়ো
১১. ধনে গুঁড়ো
১২. জিরে গুঁড়ো
১৩. গোলমরিচ গুঁড়ো
১৪. গরম মশলা
১৫. টক দই
১৬. দুধ
১৭. চিনি
১৮. ধনে পাতা

প্রণালী :
১ কেজি চিকেনকে ভালো করে ধুয়ে ১/২ চামচ হলুদে গুঁড়ো , লাল লংকার গুঁড়ো এবং স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। ৫ থেকে ১০ মিনিট এইভাবে মাংসকে ম্যারিনেট করে রাখতে হবে।

এর পরে কড়াই গরম করে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণের থেকে একটু বেশি সর্ষের তেল। তেল ভাল করে গরম হয়ে গেলে এর মধ্যে ম্যারিনেট করে রাখা মাংসের টুকরোগুলোকে দিয়ে ৩ থেকে ৪ মিনিট উল্টেপাল্টে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। চিকেনগুলো হালকা করে ভাজা হয়ে গেলে কড়াই থেকে তুলে নিয়ে আলাদা পাত্রে রেখে দিতে হবে।

মাংস ভাজার তেলের মধ্যেই দিয়ে দিতে হবে ৩টি বড় আকারের পেয়াঁজ কুচি। পেয়াঁজকে ৫ থেকে ৬ মিনিট ভালো করে ভেজে নেওয়ার পরে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ২ টেবিল চামচ আদা রসুন বাটা। গ্যাসের আঁচ কমিয়ে দিয়ে ২ থেকে ৩ মিনিট ভাল করে কষিয়ে নিতে হবে। আদা রসুন বাটা থেকে কাঁচা গন্ধ চলে গেলে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে বড় আকারের ২টো টমেটো বাটা।

টমেটো বাটা ভালো করে কষে শুকিয়ে এলে দিতে হবে ১ টেবিল চামচ কাশ্মীরি লংকার গুঁড়ো, ১/২ টেবিল চামচ লাল লংকার গুঁড়ো , ১ এবং ১/২ টেবিল চামচ ধনে গুঁড়ো এবং ১ চামচ জিরে গুঁড়ো,সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো এবং অল্প পরিমানে গরম মশলা। পরিমানমত লবণ দিয়ে সমস্ত মশলাগুলিকে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। মশলা কষানোর সময় গরম জল ব্যবহার করলে রান্নার স্বাদ ভালো হয়। তাই মশলা কষে শুকিয়ে এলে যোগ করতে হবে অল্প পরিমাণে গরম জল।

এইভাবে ভালো করে কষিয়ে নেওয়ার পরে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ৩ টেবিল চামচ ফেটানো টক দই। গ্যাসের আঁচ আবার কমিয়ে দিয়ে গ্রেভির সাথে ফেটানো টক দই ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। মশলা ভালো করে কষে গিয়ে তেল বেরোতে শুরু করলে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ গ্লাস দুধ।

দুধ ঘন হয়ে না আসা পর্যন্ত ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। দুধ যোগ করার আগে ভালো করে গরম করে নিয়ে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। ৫ থেকে ৬ মিনিট রান্না করার পরে ভাজা চিকেনগুলো দিয়ে দিতে হবে। মশলার সাথে ৫ মিনিট ধরে মাঝারি আঁচে ভাল করে চিকেন কষিয়ে নিতে হবে। চিকেন কষানোর সময় বারবার ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে যাতে কড়াইয়ের নিচে ধরে না যায়।

চিকেন ভাল করে কষানো হয়ে এলে দিয়ে দিতে হবে গরম জল। ১০ মিনিট মত কড়াইয়ের ঢাকা বন্ধ করে দিতে হবে যতক্ষণ না চিকেন ভাল করে সেদ্ধ হয়ে যায়। এর মাঝে ঢাকা খুলে প্রয়োজন হলে লবণ দিতে হবে। এই পর্যায়ে যোগ করতে হবে অল্প পরিমাণে চিনি। দুধ এবং দইয়ের সাথে এই রান্নায় চিনি যোগ করলে স্বাদ আরও ভাল হবে। ৫ থেকে ৬ মিনিট এইভাবে ঢাকা দিয়ে রান্না করার পরে দিয়ে দিতে হবে ধনে পাতা কুচি।

এর কিছুক্ষণ পরে গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। সাধারণ ঘরোয়া মশলা দিয়েই মাংসের এই অসাধরণ পদটি পরিবেশনের জন্য একদম তৈরী।

Categories
বিনোদন

প্রথম স্ত্রী দেবশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অবসাদে ভুগছিলেন, মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

সম্প্রতি নিজের আসন্ন ছবি কাছের মানুষ’ (Kacher Manush) উপলক্ষ্যে অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়ের (Debashree Roy) সাথে নিজের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি (Prosenjit Chatterjee)। এই দুই অভিনেতার ব্যাক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে এমনিতেই সিনেমাপ্রেমী মানুষদের কৌতূহলের শেষ নেই। এইবারে বুম্বাদার মুখে আসল ঘটনা শুনে অনেকেই বেশ অবাক হয়েছেন।

পরিচালক হৃষিকেশ মুখার্জির (Hrishikesh Mukherjee) ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ (Chotto Jigyasa) সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম হাতেখড়ি হয়েছিল প্রসেনজিতের। এর পরে বিমল রায়ের (Bimal Roy) ‘দুই পাতা’ (Duti Pata) সিনেমায় প্রথমবার প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে ১৯৮৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অমর সঙ্গী’ ( Amar Sangi) সিনেমার মধ্যেই দিয়ে তাঁর পরিচিতি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বিভিন্ন নায়িকার বিপরীতে একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘চোখের বালি’ (Chokher Bali ), ‘দোসর’ (Dosar), ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’ (Shob Charitro Kalponik), ‘অটোগ্রাফ’ (Autograph) ‘ক্ষত’ (Khawto), প্রাক্তন (Praktan) , ‘জাতিস্মর’ (Jaatishwar) প্রভৃতি। ২০১২ সালে বাঙালি পরিচালক দিবাকর ব্যানার্জী (Dibakar Banerjee) পরিচালিত ‘সাংহাই’ (Shanghai) নামে হিন্দি সিনেমায় ইমরান হাসমি (Emraan Hashmi) , অভয় দেওল (Abhay Deol) -এর মত হিন্দি সিনেমার খ্যাতনামা নায়কদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অসাধারণ চরিত্রে অভিনয় করে জিতে নিয়েছিলেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতার (Best Supporting Actor) পুরস্কার। এছাড়া ‘দোসর’ (Dosar) , ‘মনের মানুষ’ (Moner Manush) , ‘শঙ্খচিল’ (Shankhachil) প্রভৃতি সিনেমার জন্য সেরা নায়কের পুরস্কার জিতেছিলেন। ২০১৩ সালে তাঁকে সরকারের পক্ষ থেকে মহানায়ক সম্মানে (Mohanayak Samman) ভূষিত করা হয়েছিল। অন্যদিকে বাংলা সিনেমা জগতে দেবশ্রী রায়ও এক উল্লেখযোগ্য নাম। বাংলা সিনেমার সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সফল অভিনয় জীবনে অনেক হিন্দি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। ১৯৬৬ সালে হিরণ্ময় সেন (Hiranmoy Sen) পরিচালিত ‘পাগলা ঠাকুর’ (Pagal Thakur) সিনেমায় রামকৃষ্ণদেবের ছোটবেলার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ১৯৮১ সালে অপর্ণা সেন ( Aparna Sen) পরিচালিত ‘৩৬ চৌরঙ্গী লেন’ (36 Chowringhee Lane) সিনেমার জন্য ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড জিতেছিলেন খ্যাতনামা এই অভিনেত্রী। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘কুহেলি’ (Kuheli ) , ‘বালিকা বধূ’ (Balika Vadhu ) ,’অন্তরে বাহিরে’ (Antare Bahire ) প্রভৃতি। সিনেমা জগৎ থেকে কিছু বছরের বিরতি নেওয়ার পরে জি বাংলায় ‘সর্বজয়া’ (Sarbajaya) নামে ধারাবাহিকে একেবারে অন্য ভূমিকায় ধরা দিয়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রী ছাড়াও দেবশ্রী একজন পেশাদার নৃত্যশিল্পী। ‘নটরাজ ড্যান্স ট্রুপ’ (Natraj dance troupe) বলে তাঁর নাচের নিজস্ব দল রয়েছে। এছাড়া সারমেয় প্রেমী হিসেবেও তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে।

নিজেদের দীর্ঘ অভিনয় জীবনে এই দুই অভিনেতা অনেকের বিপরীতে অভিনয় করলেও বাংলা সিনেমায় প্রসেনজিৎ -দেবশ্রী জুটি একসময় বেশ হিট ছিল সবার কাছে। পেশাদার জীবনে একসাথে অভিনয় করতে গিয়ে একসময় ব্যক্তিগতভাবেও একে ওপরের বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলেন এই দুই শিল্পী। ১৯৯৪ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও পরের বছরই তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। প্রসেনজিৎ এর পরেও দু’বার বিবাহসূত্রে বাঁধা পড়লেও দেবশ্রী রায় এখনও অবিবাহিত রয়ে গিয়েছেন। কিছুদিন আগে কাছের মানুষ অভিজিৎ গুহ (Abhijit Guha)-এর সাথে শেয়ার করলেন দেবশ্রী রায়ের সাথে বিচ্ছেদের পরে তাঁর মনের অবস্থা। এই ঘটনার পরে দেড় বছর নিজেকে ঘরবন্দি করে রেখেছিলেন অভিনেতা। এর পরে আবার নতুন করে শুরু করেছিলেন নিজের জীবন। তবে বরাবরই নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তেমনভাবে আলোচনা করেননি বুম্বাদা। কিন্তু কাছের মানুষ সিনেমার প্রচারে সহ অভিনেতা দেব (Dev) তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মজা করলেও প্রসেনজিতের কাছ থেকে তেমন কোন নেতিবাচক প্রতিক্রয়া দেখতে পাওয়া যায়নি। ছবির প্রচারের জন্য দেব যে স্ট্যান্ড আপ কমেডির আয়োজন করেছিলেন তাতে বেশ স্বতঃফূর্তভাবেই অংশ নিয়েছিলেন। এমনকি দেব তাঁর বিয়ের সংখ্যা চারটে বললে সেটাকে তিনটে বলে শুধরেও দিয়েছেন বুম্বাদা।

সিনেমার বাইরেও পছন্দের অভিনেতাদের ব্যাক্তিগত কাহিনী নিয়ে সবারই বেশ কৌতূহল থাকে। কিন্তু প্রায় সব অভিনেতাই পেশাগত  গণ্ডির বাইরে বেরিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত টানাপোড়েনের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে চান না। এতে গসিপ আরও বৃদ্ধি পায়। তবে এখন এইসব গোপন কথাকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসাটা ছবির প্রচারের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এই কারণে অনেক অভিনেতার জীবনের না জানা তথ্য আকস্মিকভাবেই সামনে চলে আসে যা ছবির সাফল্যের উপরে পরবর্তীকালে অনেকটাই প্রভাব ফেলে।

Categories
নিউজ

দিনে ৯৫ টাকা জমালে পেয়ে যাবেন ১৪ লক্ষ টাকা! মধ্যবিত্তদের জন্য দুর্দান্ত স্কিম নিয়ে এল পোস্ট অফিস

বর্তমানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশিভাগ মানুষ ব্যাংক কোনো সেভিংস অ্যাকাউন্টের থেকে পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগের উপরে বেশি আস্থা রাখছে। কারণে সুরক্ষিত সেভিংস এবং লাভজনক রিটার্নের ক্ষেত্রে এখন পোস্ট অফিসের কোন বিকল্প নেই। বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের জন্য অনেক লাভজনক স্কিম নিয়ে আসছে পোস্ট অফিস। সঠিক স্কিমে সঠিকভাবে বিনিয়োগ করতে পারলে বেশ লাভবান হবেন গ্রাহকরা।

কম বিনিয়োগে অসাধারণ রিটার্নের জন্য ‘সুমঙ্গল রুরাল পোস্টার লাইফ ইন্সুরেন্স’ স্কিমটি এখন বেশ লাভজনক। ভারতীয় ডাক বিভাগের এই প্রকল্পে ১৯ থেকে ৪৫ বছর বয়সের যে কোনো ভারতীয় নাগরিক বিনিয়োগ করতে পারবেন। এটি আসলে একটি এন্ডওমেন্ট প্ল্যান। বিভিন্ন কারণে অনেক ব্যক্তির বারংবার টাকার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাঁদের ক্ষেত্রে বেশ লাভজনক এই স্কিমটি। কারণ এর ফলে যে ব্যক্তি বিমা করছেন তিনি জীবিত থাকাকালীনই বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পেয়ে যাবেন। এই প্রকল্পে দৈনিক ৯৫ টাকা অর্থাৎ মাসিক ২৮৫০ টাকা জমা করলে ম্যাচিউরিটির পরে গ্রাহকদের প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ ১৪ লক্ষ টাকার বেশি হতে পারে। এক্ষেত্রে যদি বিনিয়োগকারীর বয়স ২৫ বছর হয় তাহলে ২০ বছরের জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে। তবে এই প্রকল্পে কিস্তিতেও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে গ্রাহকদের কাছে। তিন মাসের জন্য কিস্তি পরিশোধ করলে ৮,৮৫০ টাকা এবং ৬ মাসের জন্য পরিশোধ করলে গ্রাহককে ১৭,১০০ টাকা দিতে হবে।

এছাড়া এই প্রকল্পে রয়েছে আরও একটি বড় সুবিধা। পলিসির ধারক মারা গেলে ১০ লক্ষ টাকার নিশ্চিত বিমারাশি ছাড়াও বোনাস পাওয়া যাবে এই প্রকল্প থেকে। এই পলিসির সর্বোচ্চ মেয়াদ হল ২০ বছর এবং সর্বনিম্ন ১৫ বছর। গ্রাহক যদি ১৫ বছরের জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করেন তাহলে ৯ বছর এবং ১২ বছর পরে বীমার মোট অর্থের ২০ শতাংশ অর্থ ফেরত পাবেন। ম্যাচিউরিটির সময় বাকি অর্থ বোনাসের সাথে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ২০ বছরের জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করলে ১২ এবং ১৬ বছরে বীমার অর্থের ২০ শতাংশ অর্থ ফেরত পাবেন গ্রাহকরা এবং বাকি অর্থ ম্যাচিউরিটির সময় বোনাস সহযোগে পাওয়া যাবে।

Categories
বিনোদন

‘ফোন সেক্সে মেলেনি কাজ’, বলিউডের নোংরা কেচ্ছা ফাঁস করে দিলেন রাধিকা আপ্তে

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বলিউডের অন্ধকার দিক নিয়ে অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তের (Radhika Apte) বিস্ফোরক মন্তব্য। তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে বর্তমানে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বলিউডে।

থিয়েটারে অভিনয় দিয়ে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন রাধিকা। এর পরে ২০০৫ সালে তাঁকে প্রথম সিনেমার পর্দায় দেখতে পাওয়া গিয়েছিল ‘বাহ লাইফ হো তো এইসি’ (Vaah! Life Ho Toh Aisi!)- তে । এর পরে বিভিন্ন সিনেমায় নানা রকমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘বদলাপুর’ (Badlapur) সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ‘মাঝি দ্য মাউন্টেন ম্যান’ (Manjhi – The Mountain Man) সিনেমায় একেবারে অন্যরূপে ধরা দিয়েছেন। এছাড়া ‘শোর ইন দ্যা সিটি’ (Shor in the City) , ‘প্যাড ম্যান’ ( Pad Man) প্রভৃতি সিনেমায় তাঁর অসাধারণ অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল। ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘পার্চড’ (Parched) সিনেমায় তাঁর সাহসী অভিনয় বিতর্কের সূচনা করেছিল। ছবি মুক্তির আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছিল অভিনেতা আদিল হুসেনের (Adil Hussain) সাথে তাঁর অন্তরঙ্গ দৃশ্য। তবে শুধুমাত্র বলিউডেই নয়, বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ভাষার সিনেমাতেও তিনি অভিনয় করেছেন। ‘অন্তহীন’ (Antaheen) , ‘রূপকথা নয় ‘ (Rupkatha Noy)-এর মত বাঙালি সিনেমার সঙ্গে বেশ কিছু মারাঠি এবং তেলেগু সিনেমাতেও অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে রাধিকাকে।

সিনেমা জগতে নিজের অভিনয় দক্ষতার কারণে যেমন তাঁর পরিচিতি রয়েছে, তেমনি তাঁকে নিয়ে বহুবার বির্তকও সৃষ্টি হয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন যে ‘দেব ডি’ (Dev.D) সিনেমার অডিশনে তাঁকে ফোন সেক্স করতে বলেছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ (Anurag Kashyap)। এই বিষয়ে তাঁর কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না বলেও ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে সেটা ব্যক্তিগতভাবে নাকি সিনেমার প্রয়োজনে সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি। কিন্তু তাঁকে শেষ পর্যন্ত ওই সিনেমায় নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে ভালো রকমের বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তবে বিতর্ক এবং রাধিকা এখন প্রায় সমার্থক হয়ে গিয়েছে। একসময় অভিনেতা তুষার কাপুরের (Tusshar Kapoor) সাথে তাঁর প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল বলিউডে।

তবে এই সম্পর্ক নিয়েই কেউই পরবর্তীকালে ব্যক্তিগতভাবে কিছু প্রকাশ করেন নি। ব্রিটিশ আমেরিকান সিনেমা ‘দ্য ওয়েডিং গেস্ট’ (The Wedding Guest) সিনেমায় অভিনেতা দেব প্যাটেলের (Dev Patel) সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে সমালোচনার শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। বর্তমানে নিজের ব্যক্তিগত এবং পেশাদার কারণে কয়েকবার বিতর্কের সম্মুখীন হলেও আসন্ন বেশ কয়েকটি সিনেমা নিয়ে বেশ ব্যস্ত রয়েছেন রাধিকা । এর মধ্যে অন্যতম হল বিক্রম ভেদা’ (Vikram Vedha) যা এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও ‘মিসেস আন্ডারকভার’ (Mrs. Undercover) এবং ‘মনিকা ও মাই ডার্লিং’ (Monica, O My Darling) এর মত সিনেমাতেও অভিনয় করছেন তিনি।

বলিউডের নানা অন্ধকার দিক নিয়ে মাঝে মধ্যেই সরব হয়েছেন অভিনেতারা। ক্যামেরার পিছনের এইসব ঘটনা সামনে আসলেই অনেক রকমের বির্তকের সূচনা হয়। অনেক না জানা ঘটনা এবং তথ্য সামনে আসে সিনেমাপ্রেমী মানুষের কাছে। মাঝে মধ্যে সেটি সিনেমার প্রচারের অঙ্গ হলেও আদতে এই ঘটনাগুলির কিছুটা সত্যতা থাকতেও পারে।

Categories
অফবিট ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

খোলা আকাশের নীচে দুর্দান্ত অঙ্গভঙ্গিতে অসাধারণ নাচ সুন্দরী যুবতীর, রইল ভিডিও

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে জনপ্রিয় হিন্দি গান ‘ছাম্মা ছাম্মা’ (Chamma Chamma) তে উমা মীনাক্ষী (Uma Minakshi) নামে একজন বিমানসেবিকার দুর্দান্ত নাচের ভিডিও। নেটিজেনরা বেশ মুগ্ধ হয়েছেন তাঁর নাচ দেখে।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজকুমার সন্তোষী (Rajkumar Santoshi) পরিচালিত ‘চায়না গেট’ (China Gate) সিনেমাটি। এই সিনেমারই বিখ্যাত গান এটি। সমগ্র গানটি দৃশ্যায়িত হয়েছিল অভিনেত্রী উর্মিলা মাতণ্ডকর (Urmila Matondkar) উপরে। সিনেমার বাকি কলাকুশলীদের এই গানে দেখতে পাওয়া গেলেও মূল আকর্ষণ ছিলেন উর্মিলা। তাঁর নৃত্য দক্ষতায় গানটি সেইসময় খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেই বিখ্যাত গানেই পা মেলালেন এই বিমানসেবিকা।

কথায় বলে ‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে’। সেই কথাই প্রমান করে দিল এই বিমান সেবিকাটি। নিজের পেশাগত গন্ডির বাইরে বেরিয়ে একেবারে অন্য ভূমিকায় ধরা দিয়েছেন তিনি । ইতিমধ্যে তাঁর নাচের কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরালও হয়েছেন । ভাইরাল ভিডিওটিতে বিমান সেবিকার পরনে ছিল বটল গ্রিন রঙের শর্ট স্কার্ট এবং কালো রঙের টি শার্ট। বর্ষার মরসুমে বাড়ির ছাদের উপরে এই গানে দুর্দান্ত নৃত্য পরিবেশন করেছেন তিনি। তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগেও ইনস্টাগ্রামে বিভিন্ন নাচের রিলস আপলোড করে নেটিজেনদের মন জয় করে নিয়েছেন। তাঁর নাচের প্রতিটা স্টেপ এবং প্রকৃতির অপূর্ব শোভার মেলবন্ধনে সমগ্র ভিডিওটি বেশ মনোগ্রাহী হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে ভিডিওটি আপলোড করা হলেও এর লাইকস এবং কমেন্টস ইতিমধ্যে বেশ ঈর্ষণীয় জায়গায় পৌঁছেছে। ৪৪ হাজারের উপরে মানুষ ভিডিওটিকে পছন্দ করেছেন এবং হাজারের উপরে মানুষ কমেন্টে উমার নাচের প্রশংসা করেছেন।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by UMA MEENAKSHI (@yamtha.uma)

সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে বর্তমানে ভিন্ন পেশার অনেক মানুষের একেবারে অন্য রূপও ধরা পরে সবার সামনে। চিরাচরিত রূপের থেকে অন্য রূপে তাঁদের দেখতে পেয়ে সবাই বেশ আনন্দিত হন। এইভাবেই ইন্টারনেট এবং মুঠোফোনের যুগলবন্দিতে প্রতিদিনই সামাজিক মাধ্যম আরো বেশি করে সবার কাছে অনায়াসে পৌঁছে যাচ্ছে।

Categories
লাইফ স্টাইল

বাড়িতে লাগান এই ফুলের গাছ, দূর হবে অর্থনৈতিক সংকট

বাস্তুশাস্ত্র মতে বাড়িতে কাঠ করবীর গাছ থাকলে তা গৃহ শান্তি মেটাতে এবং লক্ষীর কৃপাদৃষ্টি লাভে সহায়তা করে। জীবনের নানা রকমের সমস্যা সমাধানের উপায় রয়েছে বাস্তুশাস্ত্রে। এইসব উপায়ের সাহায্যে খুব সহজেই গৃহদোষ কেটে গিয়ে সুখ শান্তি এবং অর্থনৈতিক সাফল্য আসে।

মূলত তিন প্রকার ফুল দেখতে পাওয়া যায় এই গাছটির। বিভিন্ন রঙের ফুলের মাহাত্ম্য বাস্তু মতে বিভিন্ন। করবী মূলত লাল গোলাপি বা সাদা ফুলবিশিষ্ট চিরহরিৎ গুল্ম। অনেকেই এই গাছকে বন্য উদ্ভিদ বলে মনে করলেও সেটা ভুল তথ্য। কারণ বাস্তুমতে এই গাছটি লক্ষী দেবীর প্রতীক হিসাবে বিবেচিত হয়। আলাদা করে কোন যত্ন ছাড়াই এই গাছ জন্মাতে পারে এবং বৃদ্ধি পায়। পার্ক কিংবা রাস্তার পাশে প্রায়শই এই গাছ দেখতে পাওয়া যায়। অনেকেই বাড়িতে এই গাছ রাখতে পছন্দ না করলেও বাস্তুমতে আলাদা তাৎপর্য রয়েছে এই গাছটির।

কাঠ করবী গাছের সাদা ফুল বাস্তু মতে দেবী লক্ষীর প্রিয়। অন্যদিকে ভগবান বিষ্ণু পছন্দ করেন হলুদ রং। তাই সাদা ফুল দেবী লক্ষীকে নিবেদন করলে তিনি সন্তুষ্ট হবেন। অন্যদকে হলুদ ফুল দিয়ে পুজো করলে ভগবান বিষ্ণুর কৃপাদৃষ্টি পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাস্তুবিদরা। তাই বাস্তুমতে যাঁরা অর্থকষ্টে রয়েছেন তাঁরা এই গাছ রোপন করলে ভাল ফল পাবেন।

তবে এই গাছটিকে বাড়ির উত্তর কিংবা উত্তর-পূর্ব দিকে রোপন করলেই মা লক্ষীর আশীর্বাদ পাওয়া যাবে। বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠানের আগে কাঠ করবী গাছ বাড়িতে আনলে বিষ্ণুদেবতার আশীর্বাদে সম্মান এবং প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। এই গাছ বাড়িতে থাকলে ইতিবাচক শক্তির বিকাশ ঘটবে । বাড়ির প্রবেশ দ্বারের কাছে এই গাছ রোপন করলে বহু সমস্যা কেটে যায় এবং বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি বিরাজ করে বলে জানিয়েছেন অভিজ্ঞ বাস্তুবিদরা। এই গাছে সারা বছর ফুলের সমাহার দেখতে পাওয়া যায়।

তাই একবার রোপন করলে সারা বছর যেমন ভগবানের পুজোর জন্য ফুল পাওয়া যাবে তেমনি অর্থকষ্টও থাকবে না। আর্থিক দিক থেকে এই গাছটি ভাল হলেও এই গাছের ফুলের বীজ খুব বিষাক্ত। সেই কারণে শিশুরা যাতে এই গাছের কাছে যেতে না পরে সেইদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Disclaimer : বাস্তুবিদদের অভিজ্ঞ পরামর্শ এবং মতামত অনুযায়ী প্রতিবেদনটি লিখিত। ব্যক্তিবিশেষে এর ফলাফল আলাদা হতে পারে। সংবাদ২৪অনলাইন এই তথ্যের সত্যতা বিচার করেনি। এক্ষেত্রে প্রয়োগের পূর্বে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ আবশ্যক ।

Categories
লাইফ স্টাইল

জমি ছাড়াই বাড়ির টবে বেগুন চাষ, ফলন হবে দুর্দান্ত, শিখে নিন সহজ পদ্ধতি

বেগুন একটি অন্যতম উপকারী সবজি। এর পুষ্টিগুণ প্রচুর। এখন সারা বছর বাজারে সস্তায় পাওয়া গেলেও বেগুন মূলত শীতকালীন সবজি। তবে বাজারের রাসায়নিক জাত বেগুনের থেকে বাড়ির টবে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পাওয়া সবজির উপকারিতা অনেক বেশি। তবে বেগুনের কারণে অনেকেরই শরীরে আল্যার্জি হয়। তাঁরা এই সবজি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে পারেন।

বেগুনের অনেক উপকারিতা রয়েছে। বেগুনের মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন এ চোখের স্বাস্থ্যের পক্ষে উপযোগী। এছাড়া ত্বক ভালো রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। উপকারী এই সবজিটি শরীরের খারাপ কোলেস্টরলকে কমিয়ে শরীর সুস্থ রাখে। এছাড়া বেগুনে ক্যালোরি কম থাকায় স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিরা ওজনের বাড়ার ভয় না করে বেগুন খেতে পারেন। বর্তমানে ইনসোমিয়া কিংবা ঘুম না আসার সমস্যা অনেকের মধ্যে রয়েছে। আয়র্বেদিক মতে বেগুন খেলে এই সমস্যার সমাধান হয়।

বাড়িতে বেগুন চাষ করতে গেলে প্রথমে টব কিংবা বালতির প্রয়োজন।

১. বালতি কিংবা টবের মধ্যে দোআঁশ এবং গোবর সার মিশিয়ে বেগুন চাষের জন্য জমি তৈরী করে নিতে হবে।

২.নার্সারি কিংবা কোনো ভালো দোকান থেকে বেগুন গাছের চারা নিয়ে এসে মাটিতে ভালো করে পুঁতে দিতে হবে। তবে বেগুনের বীজ কিনে এনে তার থেকে চারা বেরোলে সেই চারাও ব্যবহার করা যাবে। তবে একটি টবের মধ্যে দুটির বেশি চারা একসাথে বসানো উচিত নয়।

৩. চারা গাছ মাটিতে ভালো করে পুঁতে দেওয়ার পরে জল দিয়ে ভালো করে মাটি ভিজিয়ে দিতে হবে। এইভাবে গাছের নিয়মিত পরিচর্যা করলে ১৫ দিনের মধ্যে গাছটি বেশ বড় হয়ে যাবে।

৪. তবে বেগুন গাছে পোকার উপদ্রব খুব বেশি পরিমানে হয়। সেই জন্য পোকার উপদ্রব থেকে গাছকে বাঁচানোর জন্য ব্যবহার করতে হবে রাসায়নিক সার। সারের জন্য প্রয়োজন ১০ গ্রাম ফুরাডান যা গাছের গোড়ায় দিয়ে দিতে হবে। এর পরে একে একে ৬ গ্রাম ভিটামিন গুঁড়ো , ১৫ থেকে ২০ গ্রাম টিএসপি সার এবং ৮ থেকে ১০ গ্রাম ইউরিয়া সার দিতে হবে যা গাছের নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করবে। ৮ থেকে ১০ গ্রাম পটাস সার দেওয়ার পরে গোবর সার এবং মাটি দিয়ে গাছের গোড়াকে ভালো করে ঢেকে দিতে হবে।

৫. ৩০ দিন পরে বেগুন গাছ বড় হয়ে গেলে মাচার সাহায্যে বেঁধে দিতে হবে। ৪০ থেকে ৫০ দিন পর খাওয়ার উপযোগী বেগুন ফলবে।

Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে পটলের ভর্তা বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, গরম ভাতের সাথে জাস্ট জমে যাবে

পটল একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং উপাদেয় সবজি। ডালের সাথে পটল ভাজা বাঙালির প্রিয় পদের মধ্যে অন্যতম। তবে পটলের অন্যান্য পদও বাঙালির খুব প্রিয়। পটলের ভর্তা তার মধ্যে অন্যতম। গরম ভাতের সাথে এই সুস্বাদু পদটি দুপুরে কিংবা রাতের খাওয়ার জন্য একেবারে আদর্শ। পটলের একঘেঁয়ে পদ থেকে এই পদটি অনেকটাই আলাদা।

উপকরণ :
১. পটল
২. জল
৩. সর্ষের তেল
৪. শুকনো লঙ্কা
৫. কালোজিরে
৬. রসুন
৭. কাঁচালঙ্কা
৮. পেয়াঁজ
৯. হলুদ গুঁড়ো
১০. লাল লংকার গুঁড়ো
১১. নুন
১২. চিনি

প্রণালী :
এই প্রথমে ৫০০ গ্রাম পটলকে ভাল করে ধুয়ে একটু খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। যেহেতু পটলের খোসার মধ্যেও খাদ্যগুণ বর্তমান সেইকারণে সমস্ত খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া উচিত হবে না। এর পরে পটলগুলিকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। একটি কড়াইতে অল্প পরিমাণে জল দিয়ে পটলগুলিকে ভালো করে ভাপিয়ে নিতে হবে। পটল ভাপানো হয়ে গেলে একটি মিক্সিতে ভাপা পটলগুলিকে ভাল করে পেস্ট করে নিতে হবে।

কড়াইতে পরিমাণমতো তেল দিয়ে ভালো করে গরম করতে নিতে হবে। তেল ভালো করে গরম হয়ে গেলে দিয়ে দিতে হবে অল্প পরিমাণে কালোজিরে এবং ৩ থেকে ৪টি শুকনো লঙ্কা। শুকনো লঙ্কা কিছুটা ভাজা ভাজা হয়ে গেলে কয়েকটি লঙ্কা তুলে নিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে।

এইবারে তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে আগে থেকে থেঁতো করে রাখা ১০ থেকে ১২ টা রসুন। রসুনের স্বাদ তেলের মধ্যে ভালো করে মিশে গেলে এর মধ্যে দিতে হবে ৩টি কাঁচালঙ্কা এবং ২টি মাঝারি আকারের পেয়াঁজ। সবগুলি ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পরে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে অল্প পরিমাণে হলুদ গুঁড়ো এবং সামান্য লাল লংকার গুঁড়ো। সমস্ত উপকরণকে ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পরে পটলের মিশ্রণটিকে দিয়ে দিতে হবে।

এইবারে মাঝারি আঁচে ভালো করে মিশ্রণটিকে মশলার সাথে নাড়া চাড়া করে নিতে হবে। মিশ্রণটি যত ঘন হয়ে আসবে স্বাদও তত ভালো হবে। এই পর্যায়ে স্বাদমতো নুন এবং চিনি দিয়ে দিতে হবে আর এর সাথে দিয়ে দিতে হবে আগে থেকে আলাদা করে রাখা শুকনো লঙ্কা ভাজা।

এইভাবে ভালো করে ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করে নিলেই সুস্বাদু পটলের ভর্তা পরিবেশনের জন্য তৈরী হয়ে যাবে।

Categories
অর্থনীতি

পুজোর মরসুমে বাড়ল সোনার দাম, জানুন কলকাতায় ১০ গ্ৰাম সোনার বাজারদর

সপ্তাহান্তে আবার ঊর্ধ্বগতি দেখতে পাওয়া গেল সোনার এবং রুপোর মূল্যের। কিছুদিন আগে সোনার মূল্যে আকস্মিক ধ্বস নামায় পুজোর মরসুমে বেশ আশার আলো দেখছিলেন ক্রেতারা। কারণ এসময়েই আসন্ন উৎসবের জন্য গয়না কেনার পরিকল্পনা করছিলেন অনেকেই। এই দুর্গাপূজা দিয়েই বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বনের সূচনা হয়ে যাবে। কিন্তু আজ আবার দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ক্রেতাদের কপালে।

পুজোর আগে আবার সোনার দাম বাড়ায় বেশ চিন্তায় রয়েছেন সবাই। আজকে গতকালের থেকে ২২ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের মূল্য বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ৪৬,৬৫০ টাকা এবং ১ গ্রাম সোনার মূল্য হয়েছে ৪,৬৬৫ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার পাশাপাশি ২৪ ক্যারেট সোনার মূল্যবৃদ্ধিতেও বেশ চিন্তায় পড়েছেন ক্রেতারা। আজ ২৪ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের মূল্য গতকালের থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৫০,৮৯০ টাকা এবং ১ গ্রাম সোনার মূল্য হয়েছে ৫,০৮৯ টাকা। অন্যদিকে সোনার সঙ্গে দাম বেড়েছে রুপোরও। গতকালের থেকে দাম বেড়ে প্রতি কেজি রুপোর বর্তমান মূল্য হয়েছে ৫৪,২০০ টাকা এবং ৮ গ্রাম রুপোর মূল্য হয়েছে ৪৩৩.৬০ টাকা।

 

দেশীয় বাজারের সোনার মূল্য অনেকটাই নির্ভর করে আন্তর্জাতিক বাজারের সোনার মূল্যের উপরে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের মূল্য বৃদ্ধি ঘটলে দেশীয় বাজারেও তার প্রভাব পড়ে। করোনার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে আকাশছোঁয়া হয়েছিল হলুদ ধাতুর মূল্য। সেইকারণে দেশীয় বাজারেও সোনার মূল্য হয়েছিল রেকর্ড দর। ২০২১ সালে অগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সোনার মূল্য হয়েছিল ৫৬,২০০ টাকা। আজকে সোনার দাম আগের দিনের থেকে বৃদ্ধি পেলেও রেকর্ড দরের থেকে ৯,৫৫০ টাকা কম। সোনার দাম আবার করে নাগালের মধ্যে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন মধ্যবিত্তরা।

Categories
বিনোদন

ইন্ডাস্ট্রিটা দিন দিন বেশ্যাখানা হয়ে উঠছে! রূপাঞ্জনার প্রশ্নের যোগ্য জবাব দিলেন ঊষসী ও গৌরব

ইন্ডাস্ট্রির উঠতি নায়িকাদের নিয়ে অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্রের (Rupanjana Mitra) বিস্ফোরক মন্তব্য বর্তমানে বেশ শোরগোল ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিছু কলাকুশলী এই বিষয়ে আংশিক সহমত পোষণ করলেও অনেকেই এই বিষয়ে কিছু মন্তব্য করেননি।

রূপাঞ্জনা ছোটপর্দার জনপ্রিয় নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম। ‘খেলা’ (Khela) , ‘এক আকাশের নিচে’ (Ek Akasher Niche) , ‘তুমি আসবে বলে’ (Tumi Asbe Bole), ‘চেকমেট’ (Checkmate) , ‘সিঁদুর খেলা’ (Sindoor Khela) প্রভৃতি ধারাবাহিকে অসাধারণ অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। ধারাবাহিকের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন অনেক সিনেমাতেও। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘দাদার আদেশ’ (Dadar Adesh) , ‘মগ্ন মৈনাক ‘ (Magno Mainak), ‘তিন কন্যা’ (Teen Tanaya), ‘ইকির মিকির’ (Ikir Mikir) প্রভৃতি।

সুঅভিনেত্রীর সঙ্গে রূপাঞ্জনা একজন স্পষ্টবাদী বলেও ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত। সাম্প্রতিককালে মফস্বলের উঠতি শিল্পীদের দিকে তাঁর অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে এর আগে যারা অভিনয় জগতে আসতেন, তাঁরা প্রত্যেকেই বেশ কষ্ট করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা বানিয়ে নিয়েছেন। অনেকে এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নিজেদের আলাদা পরিচিতি বানানোর। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকে নায়িকাই কম সময়ে সাফল্য লাভের আশায় ইন্ডাস্ট্রির তথাকথিত প্ৰভাৱশালী ব্যক্তিদের নিজের অবলম্বন বানাচ্ছেন। এইসব ব্যক্তিরা আগে ইন্ডাস্ট্রিতে ‘গড ফাদার’ নামে পরিচিত হলেও এখন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ‘সুগার ড্যাডি’ বলেই বেশি খ্যাত। এইসব ব্যক্তিদের সাহায্যে উঠতি নায়িকারা কম সময়ে এবং বাকিদের থেকে কম পরিশ্রম করে আর্থিক দিক থেকে বিপুলভাবে লাভবান হচ্ছেন বলে তাঁর ধারণা। তবে এইসব সুগার ড্যাডিদের সাহচর্যে তাঁদের যে শুধুমাত্র আর্থিক দিক থেকেই উন্নতি হচ্ছে তাই নয়, আরও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে তাঁদের পরিচিতি বাড়ছে। যাদের জন্য কেরিয়ারেও খুব দ্রুত উন্নতি করছেন এইসব নবাগত নায়িকারা। এর ফলে দুই পক্ষই সমানভাবে লাভবান হচ্ছে। নবাগত নায়িকারা খুব সহজে যেমন সাফল্য পাচ্ছেন তেমনি এইসব প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নায়িকাদের ব্যক্তিগত কিংবা সামাজিকভাবে ব্যবহার করছেন নিজেদের স্বার্থে । এইসব কারণে শুধুমাত্র অভিনয় দক্ষতাকে হাতিয়ার করে নিজের জায়গা বানানোর জন্য যাঁরা ইন্ডাস্ট্রিতে আসেন তাঁরা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন এইসব সুবিধাভোগীদের তুলনায়। অভিনেত্রী এই বিষয়ে আরও বলেছেন যে পরিবারের ভয়ে অনেকেই আগে এই রাস্তা অনুসরণ করেননি। আর যদি করেও থাকেন তাহলে এখনকার মতো এতটা প্রকাশ্যে আসার সুযোগ পেত না।

রূপাঞ্জনার এই বক্তব্যের সাথে অনেকেই সহমত পোষণ করলেও সবাই সমর্থন করেননি। রূপাঞ্জনার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ছোটপর্দার দুই নায়ক নায়িকা ঊষসী রায় এবং গৌরব চক্রবর্তী। জি বাংলার ‘বকুল কথা’ (Bokul Kotha) ধারাবাহিকে নাম ভূমিকায় অভিনয় নিজেদের আলাদা পরিচিতি বানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এখন ধারাবাহিকের সঙ্গে অভিনয় করছেন বিভিন্ন ওয়েব সিরিজেও। এই বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, নবাগতদের এই সুযোগ নেওয়ার বিষয় সম্বন্ধে তাঁর ধারণা অনেক কম। তবে কষ্টের কোন বিকল্প নেই বলে তাঁর ধারণা। এর সাথে তিনি এও বলেছেন এই বিষয়ে যা ঘটছে তার কোথাও না কোথাও কিছুটা সত্যতা রয়েছে। অন্যদিকে অভিনেতা গৌরব জানিয়েছেন, নিজেদের জন্য কে কোন পন্থা অবলম্বন করবে সেটা একান্তই নিজের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সৎ পথে থাকলে তাঁদের ভাল হবে। তবে যদি খারাপ কিছু করে থাকেন তবে সামাজিকভাবে সবার কাছেই সেটা প্রকাশিত হবে। তাঁর ধারণা সমাজের ইতিবাচক দিকেই সবার মনোনিবেশ করা উচিত।

ইন্ডাস্ট্রির অনেক না জানা কালো দিক মাঝে মধ্যেই এইভাবে সবার সামনে চলে আসে। দর্শকদের মনোরঞ্জনের আড়ালেও যে কত ঘটনা ঘটে সেটা এইরকম ঘটনা কিংবা মন্তব্য সামনে না এলে বোঝা যায় না।