Categories
অফবিট ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

খোলা আকাশের নীচে দুর্দান্ত অঙ্গভঙ্গিতে অসাধারণ নাচ সুন্দরী যুবতীর, রইল ভিডিও

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে জনপ্রিয় হিন্দি গান ‘ছাম্মা ছাম্মা’ (Chamma Chamma) তে উমা মীনাক্ষী (Uma Minakshi) নামে একজন বিমানসেবিকার দুর্দান্ত নাচের ভিডিও। নেটিজেনরা বেশ মুগ্ধ হয়েছেন তাঁর নাচ দেখে।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজকুমার সন্তোষী (Rajkumar Santoshi) পরিচালিত ‘চায়না গেট’ (China Gate) সিনেমাটি। এই সিনেমারই বিখ্যাত গান এটি। সমগ্র গানটি দৃশ্যায়িত হয়েছিল অভিনেত্রী উর্মিলা মাতণ্ডকর (Urmila Matondkar) উপরে। সিনেমার বাকি কলাকুশলীদের এই গানে দেখতে পাওয়া গেলেও মূল আকর্ষণ ছিলেন উর্মিলা। তাঁর নৃত্য দক্ষতায় গানটি সেইসময় খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেই বিখ্যাত গানেই পা মেলালেন এই বিমানসেবিকা।

কথায় বলে ‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে’। সেই কথাই প্রমান করে দিল এই বিমান সেবিকাটি। নিজের পেশাগত গন্ডির বাইরে বেরিয়ে একেবারে অন্য ভূমিকায় ধরা দিয়েছেন তিনি । ইতিমধ্যে তাঁর নাচের কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরালও হয়েছেন । ভাইরাল ভিডিওটিতে বিমান সেবিকার পরনে ছিল বটল গ্রিন রঙের শর্ট স্কার্ট এবং কালো রঙের টি শার্ট। বর্ষার মরসুমে বাড়ির ছাদের উপরে এই গানে দুর্দান্ত নৃত্য পরিবেশন করেছেন তিনি। তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগেও ইনস্টাগ্রামে বিভিন্ন নাচের রিলস আপলোড করে নেটিজেনদের মন জয় করে নিয়েছেন। তাঁর নাচের প্রতিটা স্টেপ এবং প্রকৃতির অপূর্ব শোভার মেলবন্ধনে সমগ্র ভিডিওটি বেশ মনোগ্রাহী হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে ভিডিওটি আপলোড করা হলেও এর লাইকস এবং কমেন্টস ইতিমধ্যে বেশ ঈর্ষণীয় জায়গায় পৌঁছেছে। ৪৪ হাজারের উপরে মানুষ ভিডিওটিকে পছন্দ করেছেন এবং হাজারের উপরে মানুষ কমেন্টে উমার নাচের প্রশংসা করেছেন।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by UMA MEENAKSHI (@yamtha.uma)

সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে বর্তমানে ভিন্ন পেশার অনেক মানুষের একেবারে অন্য রূপও ধরা পরে সবার সামনে। চিরাচরিত রূপের থেকে অন্য রূপে তাঁদের দেখতে পেয়ে সবাই বেশ আনন্দিত হন। এইভাবেই ইন্টারনেট এবং মুঠোফোনের যুগলবন্দিতে প্রতিদিনই সামাজিক মাধ্যম আরো বেশি করে সবার কাছে অনায়াসে পৌঁছে যাচ্ছে।

Categories
অফবিট ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

মাত্র ১৫ মাস বয়সে তবলা বাজিয়ে তাক লাগাল খুদে, ঝড়ের গতিতে ভাইরাল ভিডিও

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে ১৫ মাস বয়সের এক খুদে তবলচির অসাধারণ উপস্থাপনা। নেটিজেনরা এই খুদে শিল্পীটির প্রতিভা দেখে মুগ্ধ।

ভাইরাল ভিডিওটি আপলোড করা হয়েছিল আসিফ ফিরদৌসী (Asif Firdousi) নামে এক ব্যক্তির ইউটিউব চ্যানেল থেকে। ভিডিওটিতে খুদে শিল্পীর পরনে ছিল সবুজ রঙের গেঞ্জি এবং নীল রঙের হাফ প্যান্ট। মেঝেতে বসে আপন মনে তবলা বাজাচ্ছে সে। এই বয়সে পরিণত মানুষের মতো তবলা বাজানো খুদেটির পক্ষে সম্ভব না হলেও চেষ্টায় কোনো খামতি রাখেনি। চিরাচরিত তবলার বোল শুনতে পাওয়া না গেলেও নেটিজেনরা বেশ প্রশংসা করেছেন খুদেটির অসাধারণ এই প্রতিভাকে। ভিডিওটিতে জনৈক কোন ব্যক্তির স্বর শুনতে পাওয়া গিয়েছে যিনি খুদেটিকে তবলার বোল ‘না ধিন ধিন না’ শেখানোর চেষ্টা করছেন। তবলায় মনের সুখে চাঁটি মারার সঙ্গে বোলটিকে নিজের মতো করে বলারও চেষ্টা করছে সে। আধো আধো বুলিতে তবলার বহু প্রচলিত বোলকে নতুনভাবে শুনতে পেয়েছে দর্শক। তবলা বাজাতে ভালোবাসলেও টানা বাজানো সম্ভব নয় বলে মাঝে মধ্যে খুদেটিকে বিশ্রাম নিতেও দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। সব মিলিয়ে বেশ মনোগ্রাহী ভিডিও ছিল এটি যা নিমেষেই সবার মন জয় করে নিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সব রকমের ভিডিও ভাইরাল হয়। এর মধ্যে শিশুদের ভিডিও এক অনাবিল আনন্দ দেয় সবাইকে । এই ভিডিওটিও সেইরকমই আনন্দদায়ক একটি ভিডিও। ছোটবেলা থেকে এইসব প্রতিভাবান শিশুদের উৎসাহ দিলে ভবিষ্যতে তাদের প্রতিভার বিকাশ আরও ভালোভাবে হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে । তবে এই এই খুদেটির প্রচেষ্টা দেখে বোঝা যাচ্ছে আগে গিয়ে তার মধ্যে অনেক বড় তবলাবাদক হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতেই বর্তমানে এইরকম প্রতিভাবান শিল্পীদের খোঁজ পাওয়া যায় আর এদের ছোট্ট প্রয়াস অতি সহজেই সবার মন ছুঁয়ে যায়।

Categories
বিনোদন ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

অসাধারণ সুরে গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, ভাইরাল ভিডিও

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের (Srabanti Chatterjee) লাইভ পারফরম্যান্স। স্টেজের উপরে অভিনেত্রীকে সামনে থেকে দেখতে পেয়ে স্বভাবতই খুব উচ্ছসিত ওই শোয়ে উপস্থিত দর্শকরা।

টলিউড ইন্ডাস্ট্রির একজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী হলেন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। ১৯৯৭ সালে ‘মায়ার বাঁধন’(Mayar Badhon) সিনেমার মধ্যে দিয়ে অভিনয়ে হাতেখড়ি হয়েছিল সুন্দরী এই নায়িকার। এর পরে বিভিন্ন নায়কের সাথে জুটি বেঁধে বাংলা সিনেমাকে অনেক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন শ্রাবন্তী। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘চ্যাম্পিয়ন’ (Champion) , ‘দুজনে’ (Dujone) , ‘ওয়ান্টেড’ (Wanted) , ‘অমানুষ’ (Amanush), ‘জোশ’ (Josh), ‘ফাইটার’ (Fighter), ‘গয়নার বাক্স’ (Goynar Baksho) প্রভৃতি। সিনেমা ছাড়াও ছোট পর্দাতেও বর্তমানে বেশ সক্রিয় অভিনেত্রী।

জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ড্যান্স বাংলা ড্যান্স’ (Dance Bangla Dance) -এর দুটি সিজনে বিচারকের ভূমিকার দেখতে পাওয়া গিয়েছে তাঁকে। পেশাগত জীবনে সফল হওয়ার পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কারণে বহুবার বিতর্কের শিকার হয়েছেন। পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাসের (Rajiv Kumar Biswas) সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পরে অনেক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী। ২০১৬ সালে মডেল কৃষ্ণান ব্রজর (Krishnan Vraj) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরের বছরেই বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছিলেন শ্রাবন্তী। এমনকি পাইলট রোশন সিংকে (Roshan Singh) ২০১৯ সালে বিয়ের করার পরের বছরই আবার বিচ্ছেদের সুর শোনা গিয়েছিল। কিছুদিন আগে অভিনেত্রীর একটি পোস্টে নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত পেয়েছেন নেটিজেনরা।

‘আগমনী ষ্টুডিও’ (Agamani Studio) নামে একটি ফেইসবুক পেজ থেকে কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছে শ্রাবন্তীর একটি ভিডিও। কালো রঙের জমকালো পোষাক পরে স্টেজে পারফর্ম করছিলেন তিনি। প্রিয় অভিনেত্রীকে দেখতে অনেক অনুরাগী ভিড় জমেছিল ওই অনুষ্ঠানে। সবাই বেশ আপ্লুত নিজের পছন্দের অভিনেত্রীকে কাছ থেকে দেখে। ভিডিটিকে ইতিমধ্যে ২৭ হাজারের বেশি দর্শক পছন্দ করেছেন আর ভিউস সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭ লক্ষের গন্ডি। কমেন্টসে অনেকেই অভিনেত্রীর সাজের প্রশংসা করেছেন। সামনে থেকে দেখার সুযোগ না পেলেও ভিডিওর মাধ্যমে প্রিয় অভিনেত্রীকে দেখতে পেয়ে তাঁরা যে খুব খুশি তা প্রকাশ পেয়েছে অসংখ্য কমেন্টসে। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও সমানভাবে দক্ষ শ্রাবন্তী। তাই এই স্টেজে নিজের সিনেমার বেশ কয়েকটি গানে পা মেলাতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে তাঁর গলায় গান শুনে বেশি খুশি হয়েছেন দর্শকরা। সব মিলিয়ে স্টেজ একেবারে মাতিয়ে দিয়েছেন নিজের উপস্থিতি দিয়ে।

Categories
অফবিট ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

প্রকৃতির মাঝে গল্পে মত্ত বাদাম কাকু ও মাছ কাকু, রইল ভিডিও

সম্প্রতি ‘বাদাম কাকু’ ভুবন বাদ্যকারের (Bhuban Badyakar) সাথে এক ভিডিওতে দেখতে পাওয়া গিয়েছে ‘মাছ কাকু’ বলে পরিচিত কুশল বাদ্যকারকে (Kushal Badyakar)। বর্তমান যুগের এই দুই সেনসেশনকে একসাথে দেখতে পেয়ে স্বভাবতই বেশ উচ্ছসিত নেটিজেনরা।

জীবিকা নির্বাহের জন্য সাইকেলে করে বাদাম বিক্রি করতেন বীরভূমের দুবরাজপুরের বাসিন্দা ভুবন বাদ্যকার। তাঁর গাওয়া ‘কাঁচা বাদাম’ (Kacha Badam) গানটি জনপ্রিয় হয়ে যাওয়ার পরে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর এই গানটির জনপ্রিয়তা একসময় দেশ কালের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছিল। কিছুদিন আগে নিজের একক অ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর। অন্যদিকে পশ্চিম বর্ধমানের মাছ ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রেও একইরকম ঘটনা ঘটেছে। মাছ বিক্রি করার সময় কুশলবাবু ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে যে গান করতেন একসময় সেই গানই তাঁকে প্রচারের আলোয় নিয়ে এসেছিল। কিছুদিন আগে কুশলবাবুও নিজের একটি গানের অ্যালবাম প্রকাশ করার সুযোগ পেয়েছেন।

আরবিএইচ ক্রিয়েশন (RBH CREATION ) নামে ইউটিউব চ্যানেল থেকে যে ভিডিওটি বর্তমানে বেশ ভাইরাল হয়েছে তাতে এই দুই শিল্পীকে একসাথে নিজেরদের মতো করে সময় কাটাতে দেখা গিয়েছে। এমনকি জমাটি আড্ডার সাথে তাঁরা একসাথে গান বাজনাও করেছেন । গানের কারণেই তাঁদের খ্যাতি আর গানের জন্যই তাঁদের কাছাকাছি আসা বলে জানিয়েছেন এই দুই শিল্পী। বর্তমানে প্রজন্মের এই গায়কদের একসাথে গান গাইতে দেখে অনুরাগীরা যে বেশ আনন্দিত সেটা ভিডিওটির লাইকস এবং কমেন্টস থেকেই বোঝা গিয়েছে। গানের পাশাপাশি বর্তমানে ভুবনবাবু যাত্রা পালার সাথেও জড়িত। ‘খোকাবাবুর খেলাঘর’ নামে যাত্রাপালাতে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে। যাত্রার কারণেই দেউল পার্কে এসেছিলেন ভুবনবাবু। সেইখানেই তাঁর সাথে দেখা করতে হাজির হয়েছিলেন কুশলবাবু।

সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে অনেক অনামী কিন্তু প্রতিভাবান শিল্পীরা পরিচিতি পায়। তাই প্রতিভা বিকাশের মঞ্চ হিসাবে এইসব শিল্পীদের কাছে সামাজিক মাধ্যমই সবচেয়ে বড়ো ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে। ইন্টারনেট এবং মুঠোফোনের যুগলবন্দিতে এইভাবেই আগামী দিনেও খ্যাতি পাবে বাদাম কাকু কিংবা মাছ কাকু অথবা ভিন্ন পেশার কোন মানুষ।

Categories
অফবিট ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

নিজের জীবন বাজি রেখে সন্তানদের বাঁচাতে কিং কোবরার সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই মা মুরগির, ভাইরাল ভিডিও

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে মুরগির সাথে এক কেউটে সাপের লড়াইয়ের ভিডিও। সন্তানদের বাঁচাতে অসম এই লড়াইয়ে মুরগির সাহসের প্রশংসা করেছেন নেটিজেনরা।

পৃথিবীতে সন্তানকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন মা। সন্তানদের জন্য সবরকমের প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতেও পিছপা হন না তাঁরা। শুধুমাত্র মানুষের ক্ষেত্রেই নয় পশু পাখি সবার ক্ষেত্রেই এটি দেখতে পাওয়া যায়। সন্তানকে ভালো এবং নিরাপদে রাখার সবরকমের প্রচেষ্টা করে থাকেন মায়েরা।

‘ওয়াইল্ড কোবরা’ (Wild Cobra) নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভাইরাল হয়েছিল ভিডিওটি। ভিডিওটিতে দেখতে পাওয়া গিয়েছে একটি মুরগির খাঁচার মধ্যে ঢুকে গিয়েছে একটি বিশালাকায় কেউটে সাপ। দশটি ছানা নিয়ে সেখানে সংসার পেতেছিল মা মুরগি। মুরগির ছানাগুলিকে শিকার করার জন্যই যে সাপের আগমন সেটা বুঝতে পেরেই ঝাঁপিয়ে পড়ে মা মুরগি। কেউটে সাপ পৃথিবীর অন্যতম বিষাক্ত সাপ, যার এক ছোবলেই মৃত্যু অনিবার্য। কিন্তু সন্তানদের রক্ষা করার জন্য নিজের আসন্ন মৃত্যুকে সামনে দেখতে পেয়েও যথাসাধ্য লড়াই করেছে মুরগিটি। নিজের ঠোঁট দিয়ে ক্রমাগত আঘাত করে গিয়েছে সাপটিকে। সাপটিও তার ফণা দিয়ে মুরগিটিকে আঘাত করেছে। তবে সাপের বারংবার ছোবল খাওয়া সত্ত্বেও নিজের সন্তানদের বাঁচাতে লড়াই চালিয়ে গিয়েছে মুরগিটি। তবে শেষ পর্যন্ত এই লড়াইয়ে মাতৃত্বের জয় হয়েছে কিনা সেটা জানা যায়নি। ভিডিওটি আপলোডের কিছুক্ষণের মধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। অসংখ্য লাইকস এবং কমেন্টস এসেছিল ভিডিওটিতে। প্রত্যেকেই মা মুরগির প্রশংসা করেছেন। মায়েরা সন্তানদের জন্য লড়াই করতে যে ভয় পায়না সেটা এই মুরগিটি সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের ভিডিও দেখতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে কিছু হাড়হিম করা ভিডিও থাকে। এই ভিডিওটি দেখে মানুষের গায়ে কাঁটা দিলেও মা মুরগির এই লড়াই দেখে অনেকেই বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছেন। মায়ের ভালোবাসা এবং স্নেহ মানুষ ভাষায় প্রকাশ করতে পারে। এমনকি প্রতিবাদ করলেও সবাই বুঝতে পারে। কিন্তু যারা পারে না তাদের প্রকাশের ভিন্ন ভাষা দেখতে পাওয়া গেল এই ভিডিওর মাধ্যমে।

Categories
অফবিট ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

সমুদ্রের পাড়ে অসাধারণ অঙ্গভঙ্গিতে বেলি ডান্স করে তাক লাগালেন সুন্দরী যুবতী, রইল ভিডিও

বেলি ড্যান্সের ড্যান্সের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের মন জিতে নিয়েছেন মার্কিন মহিলা মিস থেয়া (Miss Thea)। বেশ কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছিল তাঁর নাচের ভিডিওটি। দর্শকরা ইতিমধ্যে বেশ পছন্দ করেছেন তাঁর নাচ।

বেলি ড্যান্সে তাঁর পারদর্শিতা সমগ্র উপস্থাপনার মধ্যে বারবার ফুটে উঠেছে। তার উপরে সমুদ্রের মনোরম পরিবেশ একটা আলাদা মাত্রা যোগ করেছে তাঁর নাচের মধ্যে। বেশ দৃষ্টিনন্দন পুরো উপস্থাপনাটি। থেয়া দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ড্যান্স একাডেমির ইন্সট্রাক্টর। এর পাশাপাশি তিনি একজন দক্ষ পারফর্মার। ভাইরাল ভিডিওটিতে থেয়ার পরনে ছিল কালো রঙের বিকিনি এবং স্কার্ট। থেয়া তাঁর অসাধারণ নাচের মধ্যে দিয়ে পুরনো দিনের ব্যান্ড ক্যামেলের (Camel) নস্টালজিয়া নতুন করে ফিরিয়ে এনেছেন দর্শকদের মধ্যে।

১৯৮১ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই ব্যান্ডের অ্যালবাম ‘চামেলিওন’ (Chameleon) । থেয়া যে গানে নাচ করেছেন সেটি এই অ্যালবাম থেকেই নেওয়া। ১৯৭১ সালে তৈরী হয়েছিল প্রোগ্রেসিভ ব্যান্ড ক্যামেল। রক গান ছাড়াও জ্যাজ, ফোক কিংবা ক্লাসিকাল মিউজিকের কারণেও এই ব্যান্ডের জনপ্রিয়তা হয়েছিল আকাশছোঁয়া। যারা আগে এই ব্যান্ডের গান শোনেনি তাঁরা থেয়ার এই মনোমুগ্ধকর ভিডিওটি দেখার পরে নাচের সাথে সাথে গানটিরও প্রেমে পড়ে গিয়েছেন। দর্শক এতটাই পছন্দ করেছেন তাঁর এই পাফরম্যান্স যে ভিডিওটির লাইকস এবং ভিউস সংখ্যা বেশ ঈর্ষণীয় জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। বর্তমানে ভিডিওটির লাইকস সংখ্যা ২ হাজার এবং ভিউস সংখ্যা ৩ লাখের উপরে।

ভিডিওটি পুরনো দিনের ভালোলাগায় আচ্ছন্ন করে দিয়েছিল দর্শকদের। শুধুমাত্র এই ভিডিওর ক্ষেত্রেই নয় এর আগেও এইরকম হয়েছে। পুরানো দিনের হারিয়ে যাওয়া কোনো গান আবার নতুন করে ধরা দিয়েছে দর্শকদের কাছে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে মানুষ নতুন করে প্রেমে পড়েছে পুরানের ।

Categories
বিনোদন ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

বাড়ির ছাদে শালিক পাখির সঙ্গে কথোপকথন ভুবন বাদ্যকরের, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

সম্প্রতি জনপ্রিয় শিল্পী ভুবন বাদ্যকারের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাখিদের সাথে সময় কাটানোর সময় ক্যামেরাবন্দি হয়েছিলেন এই শিল্পী।

জীবিকা নির্বাহের জন্য একসময় কাঁচা বাদাম বিক্রি করতেন ভুবনবাবু। বাদাম বিক্রি করার সময় তাঁর গাওয়া গান একসময় ভাইরাল হয়ে যায় চতুর্দিকে। রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিলেন গানের দৌলতে। তাঁর গানের জনপ্রিয়তা একসময় ছাড়িয়েছিল দেশ কালের গণ্ডিও। এর পরে অ্যালবামে গান গাওয়ার সুযোগ পেয়ে আরো বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন। পেশাদার জগতে সাফল্য পাওয়ার পরে বর্তমানে তাঁর আর্থিক উন্নতিও হয়েছে। নিজের পুরনো বাড়িকে নতুনভাবে সাজিয়েছেন। গানের পাশাপাশি যাত্রাতেও যোগ দিয়েছেন সম্প্রতি।

বেশ কিছুদিন আগে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও আপলোড করেছিলেন ভুবনবাবু। সেই ভিডিওটিতে দেখতে পাওয়া গিয়েছে ছাদের উপরে উঠে পাখিদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করছেন শিল্পী। এমনকি পাখিদের খাবার খাওয়ানোর সময় দর্শকদের সাথেও কথা বলছিলেন। পাখিদের খাবার খাইয়ে বেশ খুশি তিনি। তাঁর মুখের অভিব্যক্তিতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে মনের আনন্দ। বর্তমানে নিজের এই চ্যানেল থেকে ভালো পরিমানে পরিচিতি পেয়েছেন ভুবনবাবু। চ্যানেল থেকে উপার্জনও মন্দ নয় তাঁর। আগে শুধুমাত্র বাংলাতেই কথা বলতেন। এখন হিন্দিতেও কথা বলার চেষ্টা করেন তিনি। সব মিলিয়ে বেশ ভালোভাবেই দিন কাটছে তাঁর।

প্রতিভা মানুষের জীবনকে কতটা বদলে দিতে পারে সেটার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলেন ভুবনবাবু। সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরে তাঁর জীবনযাত্রা যেমন বদলে গিয়েছে তেমনি তাঁর কাজের পরিধিও বৃদ্ধি পেয়েছে আগে থেকে অনেক বেশি।

Categories
অফবিট ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

দুর্দান্ত কায়দায় বোতল দিয়ে এক ঝাঁক মাছ ধরলেন তরুণ, ঝড়ের গতিতে ভাইরাল ভিডিও

অভিনব পদ্ধতিতে মাছ ধরে নেটদুনিয়ায় তাক লাগিয়ে দিলেন এক যুবক। বর্তমানে বেশ ভাইরাল হয়ে গিয়েছে তাঁর এই ভিডিও। অনেকেই যে তাঁর এই পদ্ধতি ইতিমধ্যে প্রয়োগ করা শুরু করেছেন সেটা বলাই বাহুল্য।

মাছ ভাত প্রিয় বাঙালির মাছ না হলে খাওয়া সম্পূর্ণ হয়না। দুপুর কিংবা রাতের খাদ্যতালিকা থেকে শুরু করে কোন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে মাছ মেনুতে থাকবেই। গ্রামে অনেকেরই নিজস্ব পুকুর রয়েছে। পুকুরের টাটকা মাছের স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ স্বভাবতই বেশি। কিন্তু পুকুর থাকা সত্ত্বেও অনেকেই মাছ ধরার কৌশল জানেন না। সেইজন্য বাজার থেকেই মাছ কিনে আনতে হয় অধিকাংশ মানুষকে।

এই সমস্ত সমস্যার সমাধান একপ্রকার করে দিয়েছে এই যুবকটি। ‘ফিশ এন্ড ফিশিং’ (Fish and Fishing) নামে ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভাইরাল হয়েছে যুবকটির এই ভিডিও। ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখতে পাওয়া গিয়েছে, শুধুমাত্র বোতলের সাহায্যেই খুব অনায়াসে তিনি মাছ ধরছেন। বোতলের সাহায্যে মাছ ধরতে গেলে প্রয়োজন মাছের খাবার, প্লাস্টিকের বোতল এবং একটি সুতো। প্রথমে যুবকটি প্লাস্টিকের বোতলটিকে মাঝ বরাবর একটি বড় ছিদ্র করে নিয়েছেন। এর পরে প্লাস্টিকের বোতলের ঢাকনা ভালো করে বন্ধ করে সুতো দিয়ে বেঁধে দিয়েছে। এর ফলে মাছ বোতলের মধ্যে বন্দি হলেও বেরিয়ে আসতে পারবে না। বোতলের মুখ বেঁধে দেওয়ার আগে বোতলের মধ্যে দিয়ে দিয়েছে মাছের খাবার। খাবারের লোভে মাছ বোতলবন্দি হবে। বোতলটিকে সুতো বাঁধা অবস্থায় জলের মধ্যে চুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর বেশ কিছুক্ষণ পরে দেখতে পাওয়া গিয়েছে অনেক মাছ বোতলের মধ্যে ধরা পড়েছে। এইভাবেই একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মাছ শিকার করেছেন যুবকটি।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে অনেকরকমের ভিডিও ভাইরাল হয়। অনেকসময় শিক্ষণীয় কিছু ভিডিও থাকে যা থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। বর্তমানে ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোনের যুগলবন্দিতে সামাজিক মাধ্যম মানুষের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। ফলে সব রকমের ভিডিও দেখার সুযোগ পাচ্ছেন সব শ্রেণীর মানুষ। সমাজের সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত অনেক উন্নতি হচ্ছে এই কারণে।

Categories
অফবিট নিউজ ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

ঘন জঙ্গলে দেখা মিলল ‘বিরল’ কালো বাঘের, নেটদুনিয়ায় তুমুল গতিতে ভাইরাল ভিডিও

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি বেশ ভাইরাল কালো ডোরাকাটা বাঘের বিরল দৃশ্যের ভিডিও । ১৫ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি সবারই মুঠোফোনে বর্তমানে বন্দি।

ভারতের জাতীয় পশু বাঘ। কিন্তু রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্বে গর্বিত ভারতে বর্তমানে চোরাশিকারিদের দৌলতে বাঘ লুপ্তপ্রায় প্রাণীতে পরিণত হয়েছে। চিড়িয়াখানাতেই এখন বাঘের দেখা মেলে। এই অবস্থায় এইরকম বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হতে পেরে নেটিজেনরা বেশ আনন্দিত। যদিও জঙ্গলের এই ক্ষিপ্র প্রাণীটিকে সবাই ভয় পায়। তা সত্ত্বেও বাঘেদের কার্যকলাপ ডিজিটাল দুনিয়ার মাধ্যমে দেখতে সবাই ভালোবাসেন।

বনবিভাগের অফিসার সুশান্ত নন্দার (Susanta Nanda) টুইটে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির এই বাঘের ভিডিও। উড়িষ্যার (Odisha) সিমলিপাল জাতীয় উদ্যানে (Simlipal National Park) দেখা মিলেছে এই বাঘের। ভাইরাল হওয়া টুইটার ভিডিওতে দেখা গিয়েছে কালো রঙের বাঘটি গাছের গায়ে আঁচড় দিয়ে চলেছে। আন্তর্জাতিক ব্যাঘ্র দিবস উপলক্ষ্যে সামাজিক মাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে কয়েক সেকেন্ডের এই ভিডিওটি। বনদপ্তরে কাজ করার সুবাদে বন্য জন্তুদের এইরকম অনেক কার্যকলাপ ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ পান সুশান্তবাবু। তাঁর টুইটের কারণেই মাঝে মধ্যেই এইরকম ভিডিও দেখার সুযোগ পান নেটিজেনরা। টুইটে তিনি জানিয়েছেন কালো বাঘের মধ্যে অন্যধরণের জিন বর্তমান। সেকারণে ভারতীয় বনবিভাগ এই বাঘ সংরক্ষণ এবং বংশরক্ষার দিকে বিশেষ খেয়াল দিয়েছেন। বাঘের গায়ে ডোরাকাটা দাগের রহস্যের মূল কারন হল মূলত মিউটেশন (Mutation)। এর কারণেই বাঘের গায়ের কালো ডোরাকাটা দাগ বড়ো হয়ে কালো রং ধারণ করে এবং এর মধ্যে সোনালী ডোরাকাটা দাগ দেখতে পাওয়া যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে মানুষ ছাড়াও বন্যপ্রাণী থেকে শুরু করে বাড়ির পোষ্যদেরও নানা ধরণের ভিডিও ভাইরাল হয়। কিছু ভিডিও দেখে গায়ে কাঁটা দিলেও এইসব ভিডিওতে নেটিজেনরা লাইকস এবং কমেন্টস করেন প্রচুর।

Categories
বিনোদন ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

‘দারোয়ান’ বিতর্কে রান্নাঘরের সঞ্চালিকা সুদীপা চ্যাটার্জীকে সপাটে জবাব অরিত্রর

জি বাংলার জনপ্রিয় শো রান্নাঘরের (Rannaghor) সঞ্চালিকা সুদিপা চট্টোপাধ্যায়ের (Sudipa Chatterjee) সাথে অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিকের (Aritra Dutta Banik) উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের কারণে বর্তমানে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া।

জি বাংলার জনপ্রিয় শোগুলির মধ্যে অন্যতম হলো রান্নাঘর। এই শোয়ের মাধ্যমে ছোট পর্দায় বেশ পরিচিতি পেয়েছেন সুদীপা। বহু বছর ধরে এই শোয়ের সঞ্চালিকা হওয়ার দরুণ দর্শকদের ঘরে ঘরে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Agnidev Chatterjee) স্ত্রী ছাড়াও অন্য পরিচিতি বানিয়ে নিতে পেরেছেন। অন্যদিকে শিশুশিল্পী হিসাবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন অরিত্র। ২০০৩ সালে ‘তিথির অতিথি’ (Tithir Atithi) নামে একটি ধারাবাহিকে অভিনয়ের দরুণ তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। এর পরে মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty) নাচের রিয়েলিটি শো ‘ড্যান্স বাংলা ড্যান্স জুনিয়রের’ (Dance Bangla Dance Junior) সঞ্চালক হিসাবে তাঁর আত্মপ্রকাশ পরিচিতির গণ্ডি অনেকটাই বাড়িয়ে তুলেছিল। তাঁর অভিনীত প্রথম ছবি ছিল ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ (Chirodini Tumi Je Amar) । এর পরে ‘পরান যায় জ্বলিয়া রে’ (Paran Jai Jaliya Re), ‘চ্যালেঞ্জ’ (Challenge) , ‘হাঁদা ভোঁদা’ (Handa and Bhonda) প্রভৃতি সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য বেশ কিছুদিন অভিনয় জগৎ থেকে বিরতি নেওয়ার পরে বর্তমানে আবার করে বিনোদন জগতে ফিরে এসেছেন।

বিগত কয়েকদিন ধরেই নিজের সঞ্চালিত শো ছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্ট নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সুদীপা। ডেলিভারি বয়ের প্রসঙ্গে তাঁর করা মন্তব্য নিয়ে বেশ উত্তাল নেটদুনিয়া। তিনি ওই বিতর্কিত পোস্টে জানতে চেয়েছিলেন যে ফোনে কথা না বলেও কোনো ডেলিভারি বয় নির্দিষ্ট সময়ে কেন পৌঁছতে পারেন না। গ্রাহককে দরজা খুলে দিতে বলা হয়। সেই নিয়ে বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের কারণেই অরিত্রর সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন সুদীপা। অরিত্র জানিয়েছেন, এই পোস্টের মাধ্যমে সঞ্চালিকার অহংকারী মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। সেটা একেবারেই কাম্য নয়। সম্প্রতি অরিত্রর এই কথা প্রসঙ্গে সুদীপা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যে তিনি অরিত্রর কথা মেনে চলবেন না। ছোট বেলায় তাঁর জনপ্রিয়তার কারণে ট্রাফিক পুলিশের কাছে কেবলমাত্র তাঁর উপস্থিতির কথা জানালেই পাওয়া যেত ছাড়। তাছাড়া অরিত্র বড়োদের যোগ্য সম্মান দিতেও জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন সুদীপা। তবে পেশা এবং সামাজিক অবস্থান নিয়ে কথা বলায় বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন অরিত্রও। সুদীপার পরিবারকে উদ্দেশ্য করে কিছু মন্তব্য করেননি তিনি। তাই তাঁকে নিয়ে সুদিপার মন্তব্য যথাযথ নয় বলে এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন অরিত্র।

দুই শিল্পীর মধ্যে এই রকম বচসা বিনোদন জগতে প্রথমবার না। এর আগেও এই রকম ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন নেটিজেনরা। নেটিজেনদের একাংশ সুদীপার সমালোচনা করলেও সবাই এই বিতর্কের অবসানের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন ।