Categories
বিনোদন

প্রথম স্ত্রী দেবশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অবসাদে ভুগছিলেন, মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

সম্প্রতি নিজের আসন্ন ছবি কাছের মানুষ’ (Kacher Manush) উপলক্ষ্যে অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়ের (Debashree Roy) সাথে নিজের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি (Prosenjit Chatterjee)। এই দুই অভিনেতার ব্যাক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে এমনিতেই সিনেমাপ্রেমী মানুষদের কৌতূহলের শেষ নেই। এইবারে বুম্বাদার মুখে আসল ঘটনা শুনে অনেকেই বেশ অবাক হয়েছেন।

পরিচালক হৃষিকেশ মুখার্জির (Hrishikesh Mukherjee) ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ (Chotto Jigyasa) সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম হাতেখড়ি হয়েছিল প্রসেনজিতের। এর পরে বিমল রায়ের (Bimal Roy) ‘দুই পাতা’ (Duti Pata) সিনেমায় প্রথমবার প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে ১৯৮৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অমর সঙ্গী’ ( Amar Sangi) সিনেমার মধ্যেই দিয়ে তাঁর পরিচিতি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বিভিন্ন নায়িকার বিপরীতে একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘চোখের বালি’ (Chokher Bali ), ‘দোসর’ (Dosar), ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’ (Shob Charitro Kalponik), ‘অটোগ্রাফ’ (Autograph) ‘ক্ষত’ (Khawto), প্রাক্তন (Praktan) , ‘জাতিস্মর’ (Jaatishwar) প্রভৃতি। ২০১২ সালে বাঙালি পরিচালক দিবাকর ব্যানার্জী (Dibakar Banerjee) পরিচালিত ‘সাংহাই’ (Shanghai) নামে হিন্দি সিনেমায় ইমরান হাসমি (Emraan Hashmi) , অভয় দেওল (Abhay Deol) -এর মত হিন্দি সিনেমার খ্যাতনামা নায়কদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অসাধারণ চরিত্রে অভিনয় করে জিতে নিয়েছিলেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতার (Best Supporting Actor) পুরস্কার। এছাড়া ‘দোসর’ (Dosar) , ‘মনের মানুষ’ (Moner Manush) , ‘শঙ্খচিল’ (Shankhachil) প্রভৃতি সিনেমার জন্য সেরা নায়কের পুরস্কার জিতেছিলেন। ২০১৩ সালে তাঁকে সরকারের পক্ষ থেকে মহানায়ক সম্মানে (Mohanayak Samman) ভূষিত করা হয়েছিল। অন্যদিকে বাংলা সিনেমা জগতে দেবশ্রী রায়ও এক উল্লেখযোগ্য নাম। বাংলা সিনেমার সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সফল অভিনয় জীবনে অনেক হিন্দি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। ১৯৬৬ সালে হিরণ্ময় সেন (Hiranmoy Sen) পরিচালিত ‘পাগলা ঠাকুর’ (Pagal Thakur) সিনেমায় রামকৃষ্ণদেবের ছোটবেলার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ১৯৮১ সালে অপর্ণা সেন ( Aparna Sen) পরিচালিত ‘৩৬ চৌরঙ্গী লেন’ (36 Chowringhee Lane) সিনেমার জন্য ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড জিতেছিলেন খ্যাতনামা এই অভিনেত্রী। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘কুহেলি’ (Kuheli ) , ‘বালিকা বধূ’ (Balika Vadhu ) ,’অন্তরে বাহিরে’ (Antare Bahire ) প্রভৃতি। সিনেমা জগৎ থেকে কিছু বছরের বিরতি নেওয়ার পরে জি বাংলায় ‘সর্বজয়া’ (Sarbajaya) নামে ধারাবাহিকে একেবারে অন্য ভূমিকায় ধরা দিয়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রী ছাড়াও দেবশ্রী একজন পেশাদার নৃত্যশিল্পী। ‘নটরাজ ড্যান্স ট্রুপ’ (Natraj dance troupe) বলে তাঁর নাচের নিজস্ব দল রয়েছে। এছাড়া সারমেয় প্রেমী হিসেবেও তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে।

নিজেদের দীর্ঘ অভিনয় জীবনে এই দুই অভিনেতা অনেকের বিপরীতে অভিনয় করলেও বাংলা সিনেমায় প্রসেনজিৎ -দেবশ্রী জুটি একসময় বেশ হিট ছিল সবার কাছে। পেশাদার জীবনে একসাথে অভিনয় করতে গিয়ে একসময় ব্যক্তিগতভাবেও একে ওপরের বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলেন এই দুই শিল্পী। ১৯৯৪ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও পরের বছরই তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। প্রসেনজিৎ এর পরেও দু’বার বিবাহসূত্রে বাঁধা পড়লেও দেবশ্রী রায় এখনও অবিবাহিত রয়ে গিয়েছেন। কিছুদিন আগে কাছের মানুষ অভিজিৎ গুহ (Abhijit Guha)-এর সাথে শেয়ার করলেন দেবশ্রী রায়ের সাথে বিচ্ছেদের পরে তাঁর মনের অবস্থা। এই ঘটনার পরে দেড় বছর নিজেকে ঘরবন্দি করে রেখেছিলেন অভিনেতা। এর পরে আবার নতুন করে শুরু করেছিলেন নিজের জীবন। তবে বরাবরই নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তেমনভাবে আলোচনা করেননি বুম্বাদা। কিন্তু কাছের মানুষ সিনেমার প্রচারে সহ অভিনেতা দেব (Dev) তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মজা করলেও প্রসেনজিতের কাছ থেকে তেমন কোন নেতিবাচক প্রতিক্রয়া দেখতে পাওয়া যায়নি। ছবির প্রচারের জন্য দেব যে স্ট্যান্ড আপ কমেডির আয়োজন করেছিলেন তাতে বেশ স্বতঃফূর্তভাবেই অংশ নিয়েছিলেন। এমনকি দেব তাঁর বিয়ের সংখ্যা চারটে বললে সেটাকে তিনটে বলে শুধরেও দিয়েছেন বুম্বাদা।

সিনেমার বাইরেও পছন্দের অভিনেতাদের ব্যাক্তিগত কাহিনী নিয়ে সবারই বেশ কৌতূহল থাকে। কিন্তু প্রায় সব অভিনেতাই পেশাগত  গণ্ডির বাইরে বেরিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত টানাপোড়েনের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে চান না। এতে গসিপ আরও বৃদ্ধি পায়। তবে এখন এইসব গোপন কথাকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসাটা ছবির প্রচারের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এই কারণে অনেক অভিনেতার জীবনের না জানা তথ্য আকস্মিকভাবেই সামনে চলে আসে যা ছবির সাফল্যের উপরে পরবর্তীকালে অনেকটাই প্রভাব ফেলে।

Categories
বিনোদন

‘ফোন সেক্সে মেলেনি কাজ’, বলিউডের নোংরা কেচ্ছা ফাঁস করে দিলেন রাধিকা আপ্তে

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বলিউডের অন্ধকার দিক নিয়ে অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তের (Radhika Apte) বিস্ফোরক মন্তব্য। তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে বর্তমানে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বলিউডে।

থিয়েটারে অভিনয় দিয়ে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন রাধিকা। এর পরে ২০০৫ সালে তাঁকে প্রথম সিনেমার পর্দায় দেখতে পাওয়া গিয়েছিল ‘বাহ লাইফ হো তো এইসি’ (Vaah! Life Ho Toh Aisi!)- তে । এর পরে বিভিন্ন সিনেমায় নানা রকমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘বদলাপুর’ (Badlapur) সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ‘মাঝি দ্য মাউন্টেন ম্যান’ (Manjhi – The Mountain Man) সিনেমায় একেবারে অন্যরূপে ধরা দিয়েছেন। এছাড়া ‘শোর ইন দ্যা সিটি’ (Shor in the City) , ‘প্যাড ম্যান’ ( Pad Man) প্রভৃতি সিনেমায় তাঁর অসাধারণ অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল। ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘পার্চড’ (Parched) সিনেমায় তাঁর সাহসী অভিনয় বিতর্কের সূচনা করেছিল। ছবি মুক্তির আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছিল অভিনেতা আদিল হুসেনের (Adil Hussain) সাথে তাঁর অন্তরঙ্গ দৃশ্য। তবে শুধুমাত্র বলিউডেই নয়, বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ভাষার সিনেমাতেও তিনি অভিনয় করেছেন। ‘অন্তহীন’ (Antaheen) , ‘রূপকথা নয় ‘ (Rupkatha Noy)-এর মত বাঙালি সিনেমার সঙ্গে বেশ কিছু মারাঠি এবং তেলেগু সিনেমাতেও অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে রাধিকাকে।

সিনেমা জগতে নিজের অভিনয় দক্ষতার কারণে যেমন তাঁর পরিচিতি রয়েছে, তেমনি তাঁকে নিয়ে বহুবার বির্তকও সৃষ্টি হয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন যে ‘দেব ডি’ (Dev.D) সিনেমার অডিশনে তাঁকে ফোন সেক্স করতে বলেছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ (Anurag Kashyap)। এই বিষয়ে তাঁর কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না বলেও ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে সেটা ব্যক্তিগতভাবে নাকি সিনেমার প্রয়োজনে সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি। কিন্তু তাঁকে শেষ পর্যন্ত ওই সিনেমায় নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে ভালো রকমের বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তবে বিতর্ক এবং রাধিকা এখন প্রায় সমার্থক হয়ে গিয়েছে। একসময় অভিনেতা তুষার কাপুরের (Tusshar Kapoor) সাথে তাঁর প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল বলিউডে।

তবে এই সম্পর্ক নিয়েই কেউই পরবর্তীকালে ব্যক্তিগতভাবে কিছু প্রকাশ করেন নি। ব্রিটিশ আমেরিকান সিনেমা ‘দ্য ওয়েডিং গেস্ট’ (The Wedding Guest) সিনেমায় অভিনেতা দেব প্যাটেলের (Dev Patel) সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে সমালোচনার শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। বর্তমানে নিজের ব্যক্তিগত এবং পেশাদার কারণে কয়েকবার বিতর্কের সম্মুখীন হলেও আসন্ন বেশ কয়েকটি সিনেমা নিয়ে বেশ ব্যস্ত রয়েছেন রাধিকা । এর মধ্যে অন্যতম হল বিক্রম ভেদা’ (Vikram Vedha) যা এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও ‘মিসেস আন্ডারকভার’ (Mrs. Undercover) এবং ‘মনিকা ও মাই ডার্লিং’ (Monica, O My Darling) এর মত সিনেমাতেও অভিনয় করছেন তিনি।

বলিউডের নানা অন্ধকার দিক নিয়ে মাঝে মধ্যেই সরব হয়েছেন অভিনেতারা। ক্যামেরার পিছনের এইসব ঘটনা সামনে আসলেই অনেক রকমের বির্তকের সূচনা হয়। অনেক না জানা ঘটনা এবং তথ্য সামনে আসে সিনেমাপ্রেমী মানুষের কাছে। মাঝে মধ্যে সেটি সিনেমার প্রচারের অঙ্গ হলেও আদতে এই ঘটনাগুলির কিছুটা সত্যতা থাকতেও পারে।

Categories
বিনোদন

ইন্ডাস্ট্রিটা দিন দিন বেশ্যাখানা হয়ে উঠছে! রূপাঞ্জনার প্রশ্নের যোগ্য জবাব দিলেন ঊষসী ও গৌরব

ইন্ডাস্ট্রির উঠতি নায়িকাদের নিয়ে অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্রের (Rupanjana Mitra) বিস্ফোরক মন্তব্য বর্তমানে বেশ শোরগোল ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিছু কলাকুশলী এই বিষয়ে আংশিক সহমত পোষণ করলেও অনেকেই এই বিষয়ে কিছু মন্তব্য করেননি।

রূপাঞ্জনা ছোটপর্দার জনপ্রিয় নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম। ‘খেলা’ (Khela) , ‘এক আকাশের নিচে’ (Ek Akasher Niche) , ‘তুমি আসবে বলে’ (Tumi Asbe Bole), ‘চেকমেট’ (Checkmate) , ‘সিঁদুর খেলা’ (Sindoor Khela) প্রভৃতি ধারাবাহিকে অসাধারণ অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। ধারাবাহিকের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন অনেক সিনেমাতেও। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘দাদার আদেশ’ (Dadar Adesh) , ‘মগ্ন মৈনাক ‘ (Magno Mainak), ‘তিন কন্যা’ (Teen Tanaya), ‘ইকির মিকির’ (Ikir Mikir) প্রভৃতি।

সুঅভিনেত্রীর সঙ্গে রূপাঞ্জনা একজন স্পষ্টবাদী বলেও ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত। সাম্প্রতিককালে মফস্বলের উঠতি শিল্পীদের দিকে তাঁর অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে এর আগে যারা অভিনয় জগতে আসতেন, তাঁরা প্রত্যেকেই বেশ কষ্ট করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা বানিয়ে নিয়েছেন। অনেকে এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নিজেদের আলাদা পরিচিতি বানানোর। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকে নায়িকাই কম সময়ে সাফল্য লাভের আশায় ইন্ডাস্ট্রির তথাকথিত প্ৰভাৱশালী ব্যক্তিদের নিজের অবলম্বন বানাচ্ছেন। এইসব ব্যক্তিরা আগে ইন্ডাস্ট্রিতে ‘গড ফাদার’ নামে পরিচিত হলেও এখন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ‘সুগার ড্যাডি’ বলেই বেশি খ্যাত। এইসব ব্যক্তিদের সাহায্যে উঠতি নায়িকারা কম সময়ে এবং বাকিদের থেকে কম পরিশ্রম করে আর্থিক দিক থেকে বিপুলভাবে লাভবান হচ্ছেন বলে তাঁর ধারণা। তবে এইসব সুগার ড্যাডিদের সাহচর্যে তাঁদের যে শুধুমাত্র আর্থিক দিক থেকেই উন্নতি হচ্ছে তাই নয়, আরও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে তাঁদের পরিচিতি বাড়ছে। যাদের জন্য কেরিয়ারেও খুব দ্রুত উন্নতি করছেন এইসব নবাগত নায়িকারা। এর ফলে দুই পক্ষই সমানভাবে লাভবান হচ্ছে। নবাগত নায়িকারা খুব সহজে যেমন সাফল্য পাচ্ছেন তেমনি এইসব প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নায়িকাদের ব্যক্তিগত কিংবা সামাজিকভাবে ব্যবহার করছেন নিজেদের স্বার্থে । এইসব কারণে শুধুমাত্র অভিনয় দক্ষতাকে হাতিয়ার করে নিজের জায়গা বানানোর জন্য যাঁরা ইন্ডাস্ট্রিতে আসেন তাঁরা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন এইসব সুবিধাভোগীদের তুলনায়। অভিনেত্রী এই বিষয়ে আরও বলেছেন যে পরিবারের ভয়ে অনেকেই আগে এই রাস্তা অনুসরণ করেননি। আর যদি করেও থাকেন তাহলে এখনকার মতো এতটা প্রকাশ্যে আসার সুযোগ পেত না।

রূপাঞ্জনার এই বক্তব্যের সাথে অনেকেই সহমত পোষণ করলেও সবাই সমর্থন করেননি। রূপাঞ্জনার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ছোটপর্দার দুই নায়ক নায়িকা ঊষসী রায় এবং গৌরব চক্রবর্তী। জি বাংলার ‘বকুল কথা’ (Bokul Kotha) ধারাবাহিকে নাম ভূমিকায় অভিনয় নিজেদের আলাদা পরিচিতি বানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এখন ধারাবাহিকের সঙ্গে অভিনয় করছেন বিভিন্ন ওয়েব সিরিজেও। এই বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, নবাগতদের এই সুযোগ নেওয়ার বিষয় সম্বন্ধে তাঁর ধারণা অনেক কম। তবে কষ্টের কোন বিকল্প নেই বলে তাঁর ধারণা। এর সাথে তিনি এও বলেছেন এই বিষয়ে যা ঘটছে তার কোথাও না কোথাও কিছুটা সত্যতা রয়েছে। অন্যদিকে অভিনেতা গৌরব জানিয়েছেন, নিজেদের জন্য কে কোন পন্থা অবলম্বন করবে সেটা একান্তই নিজের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সৎ পথে থাকলে তাঁদের ভাল হবে। তবে যদি খারাপ কিছু করে থাকেন তবে সামাজিকভাবে সবার কাছেই সেটা প্রকাশিত হবে। তাঁর ধারণা সমাজের ইতিবাচক দিকেই সবার মনোনিবেশ করা উচিত।

ইন্ডাস্ট্রির অনেক না জানা কালো দিক মাঝে মধ্যেই এইভাবে সবার সামনে চলে আসে। দর্শকদের মনোরঞ্জনের আড়ালেও যে কত ঘটনা ঘটে সেটা এইরকম ঘটনা কিংবা মন্তব্য সামনে না এলে বোঝা যায় না।

Categories
বিনোদন

টিআরপি তালিকায় বড়সড় অঘটন! ঋদ্ধি-খড়ির রোমান্সে সিংহাসন দখল গাঁটছড়ার, জায়গা হারাল মিঠাই

ফের বিরাট রদবদল টিআরপি (TRP) তালিকায়! দীর্ঘদিন ধরে রাজত্ব করেও শেষরক্ষা করতে পারল না ‘মিঠাই’ (Mithai) ধারাবাহিকটি। এমনকি সেরা তিনেও জায়গা করতে পারল না। এমনিতেই বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলগুলিতে বিভিন্ন ধারাবাহিকের মধ্যে টিআরপি নিয়ে লড়াই চলতে থাকে। প্রত্যেক সপ্তাহে টিআরপি রেটিংকে ধরে রাখার এই লড়াই জারি থাকে বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে। এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকায় দেখা যাচ্ছে অন্য সমস্ত ধারাবাহিকগুলিকে পিছনে ফেলে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে ‘গাঁটছড়া’ (Gaantchhora) ধারাবাহিকটি। ফ্যাশন রাম্পে হেঁটেই বাজিমাত করল খড়ি-দ্যুতিরা।

চলতি সপ্তাহের টিআরপি তালিকায় বেঙ্গল টপার হওয়া ‘মিঠাই’ ধারাবাহিকটি চ্যানেল টপারও হতে পারেনি। নতুন সপ্তাহে স্বমহিমায় ফিরে এসেছে ‘গাঁটছড়া’ ধারাবাহিকটি।টিআরপি রেটিংয়ে ৮.২ নম্বর পেয়ে ধারাবাহিকটি সপ্তাহের সেরা হয়েছে। অন্যদিকে সবাইকে চমকে দিয়ে ৮.০ নম্বর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘গৌরী এলো’ ধারাবাহিকটি। ৭.৪ নম্বর নিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছে ‘আলতা ফড়িং’। ব্যাঙ্কবাবুকে কী ভাবে বিপদের হাত থেকে ফড়িং রক্ষা করবে সেই নিয়েই জমে উঠেছে ধারাবাহিকটি। ৭.২ নম্বর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ‘মিঠাই’ ধারাবাহিকটি। অন্যদিকে ৭.১ নম্বর নিয়ে ‘ধুলোকণা’ ধারাবাহিকটি রয়েছে পঞ্চম স্থানে। ৬.৮ নম্বর পেয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ‘লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার’ ধারাবাহিকটি।

নীচে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক চলতি সপ্তাহের সেরা দশ ধারাবাহিকের রেটিং তালিকা :-

প্রথম :- গাঁটছড়া (৮.২)
দ্বিতীয় :- গৌরী এলো (৮.০)
তৃতীয় :- আলতা ফড়িং (৭.৪)
চতুর্থ :- মিঠাই (৭.২)
পঞ্চম :- ধুলোকণা (৭.১)
ষষ্ঠ :- লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার (৬.৮)
সপ্তম :- জগদ্ধাত্রী ও অনুরাগের ছোঁয়া (৬.৪)
নবম :- সাহেবের চিঠি ও খেলনা বাড়ি (৫.৯)
দশম :- মাধবীলতা (৫.৭)

Categories
বিনোদন

পরিচালক মহেশ ভাটকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করলেন কঙ্গনা রানাওয়াত

সম্প্রতি পরিচালক মহেশ ভাটকে (Mahesh Bhatt) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। তাঁর এই মন্তব্য বর্তমানে শোরগোল ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

২০০৬ সালে ‘গ্যাংস্টার’ (Gangster) সিনেমার মধ্যে দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ ঘটে কঙ্গনার। এই সিনেমায় অসাধারণ অভিনয়ের জন্য তিনি ফ্লিমফেয়ার অ্যাওয়ার্ডও (Filmfare Award) পেয়েছিলেন। এর পরে একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন বলিউডকে। ‘ওহ লামহে’ (Woh Lamhe) , ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ (Life in a Metro) , ‘ফ্যাশন’ (Fashion), ‘ওয়ানস আপন আ টাইম ইন মুম্বাই’ (Once Upon a Time in Mumbaai) প্রভৃতি সিনেমায় তাঁর অভিনয় মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। ২০১১ সালে ‘তনু ওয়েডস মনু’(Tanu Weds Manu) সিনেমায় একেবারে অন্যরূপে ধরা দিয়েছেন তিনি। ২০১৪ সালে ‘কুইন’ (Queen) এবং ২০১৫ সালে ‘তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস’ (Tanu Weds Manu: Returns) সিনেমার জন্য ন্যাশনাল ফ্লিম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডও (National Film fare Award) রয়েছে তাঁর প্রাপ্তির তালিকায়।

কেরিয়ারে সফল হলেও বারংবার বিতর্কের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। এই কারণে বলিউডে ‘বিতর্ক কুইন’ নামেই বেশি খ্যাতি তাঁর। এবারেও পরিচালক মহেশ ভাটকে (Mahesh Bhatt) নিয়ে তিনি যে মন্তব্য করেছেন তাতে নতুন করে বিতর্কের সূচনা হয়েছে। মহেশ ভাটের মা ইসলাম ধর্মাবলম্বী ছিলেন বলে পরিচালকের ধর্ম নিয়ে বেশ ধোয়াঁশা রয়েছে বলিউডে। সূত্রের খবর অনুযায়ী আইনত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নি পরিচালকের বাবা এবং মা। সেই কারণে মহেশের পরিচয় নিয়ে সন্দিহান অনেকেই। পরবর্তীকালে বাবার ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন তিনি।

নিজের ব্যক্তিগত জীবনে প্রথম স্ত্রী কিরণের (Kiran) সাথে আইনতভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়েও সোনি রাজদানকে (Soni Razdan) বিয়ে করেছিলেন পরিচালক। এমনকি দ্বিতীয় বিয়ের সময় মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করতে হয়েছিল তাঁকে। তাই তাঁর প্রথম পক্ষের সন্তান পূজা ভাট (Puja Bhatt) এবং রাহুল ভাট (Rahul Bhatt) হিন্দু হলেও দ্বিতীয় পক্ষের দুই সন্তান অভিনেত্রী আলিয়া ভাট (Alia Bhatt) এবং শাহীন ভাট (Shaheen Bhatt) মুসলিম ধর্মাবলম্বী বলে জানা গিয়েছে। নিজের ইন্সটা স্টোরিতে কঙ্গনা জানিয়েছেন যে তাঁর কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী পরিচালকের আসল নাম আসলাম। কিন্তু কোথাও তিনি এই নাম ব্যবহার করেন না। তাঁর এই বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে নেটদুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে। বর্তমানে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর (Indira Gandhi) বায়োপিক ‘এমার্জেন্সি’ (Emergency) -এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী। এর মাঝে এইরকম উস্কানিমূলক মন্তব্যকে অনেকে প্রচারের অঙ্গ বলে মনে করছেন।

Categories
বিনোদন ভাইরাল ভিডিও ভিডিও

অসাধারণ সুরে গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, ভাইরাল ভিডিও

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের (Srabanti Chatterjee) লাইভ পারফরম্যান্স। স্টেজের উপরে অভিনেত্রীকে সামনে থেকে দেখতে পেয়ে স্বভাবতই খুব উচ্ছসিত ওই শোয়ে উপস্থিত দর্শকরা।

টলিউড ইন্ডাস্ট্রির একজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী হলেন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। ১৯৯৭ সালে ‘মায়ার বাঁধন’(Mayar Badhon) সিনেমার মধ্যে দিয়ে অভিনয়ে হাতেখড়ি হয়েছিল সুন্দরী এই নায়িকার। এর পরে বিভিন্ন নায়কের সাথে জুটি বেঁধে বাংলা সিনেমাকে অনেক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন শ্রাবন্তী। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘চ্যাম্পিয়ন’ (Champion) , ‘দুজনে’ (Dujone) , ‘ওয়ান্টেড’ (Wanted) , ‘অমানুষ’ (Amanush), ‘জোশ’ (Josh), ‘ফাইটার’ (Fighter), ‘গয়নার বাক্স’ (Goynar Baksho) প্রভৃতি। সিনেমা ছাড়াও ছোট পর্দাতেও বর্তমানে বেশ সক্রিয় অভিনেত্রী।

জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ড্যান্স বাংলা ড্যান্স’ (Dance Bangla Dance) -এর দুটি সিজনে বিচারকের ভূমিকার দেখতে পাওয়া গিয়েছে তাঁকে। পেশাগত জীবনে সফল হওয়ার পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কারণে বহুবার বিতর্কের শিকার হয়েছেন। পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাসের (Rajiv Kumar Biswas) সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পরে অনেক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী। ২০১৬ সালে মডেল কৃষ্ণান ব্রজর (Krishnan Vraj) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরের বছরেই বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছিলেন শ্রাবন্তী। এমনকি পাইলট রোশন সিংকে (Roshan Singh) ২০১৯ সালে বিয়ের করার পরের বছরই আবার বিচ্ছেদের সুর শোনা গিয়েছিল। কিছুদিন আগে অভিনেত্রীর একটি পোস্টে নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত পেয়েছেন নেটিজেনরা।

‘আগমনী ষ্টুডিও’ (Agamani Studio) নামে একটি ফেইসবুক পেজ থেকে কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছে শ্রাবন্তীর একটি ভিডিও। কালো রঙের জমকালো পোষাক পরে স্টেজে পারফর্ম করছিলেন তিনি। প্রিয় অভিনেত্রীকে দেখতে অনেক অনুরাগী ভিড় জমেছিল ওই অনুষ্ঠানে। সবাই বেশ আপ্লুত নিজের পছন্দের অভিনেত্রীকে কাছ থেকে দেখে। ভিডিটিকে ইতিমধ্যে ২৭ হাজারের বেশি দর্শক পছন্দ করেছেন আর ভিউস সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭ লক্ষের গন্ডি। কমেন্টসে অনেকেই অভিনেত্রীর সাজের প্রশংসা করেছেন। সামনে থেকে দেখার সুযোগ না পেলেও ভিডিওর মাধ্যমে প্রিয় অভিনেত্রীকে দেখতে পেয়ে তাঁরা যে খুব খুশি তা প্রকাশ পেয়েছে অসংখ্য কমেন্টসে। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও সমানভাবে দক্ষ শ্রাবন্তী। তাই এই স্টেজে নিজের সিনেমার বেশ কয়েকটি গানে পা মেলাতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে তাঁর গলায় গান শুনে বেশি খুশি হয়েছেন দর্শকরা। সব মিলিয়ে স্টেজ একেবারে মাতিয়ে দিয়েছেন নিজের উপস্থিতি দিয়ে।

Categories
বিনোদন

‘দারোয়ান’ বিতর্কে নেটিজেনদের অশ্লীল কটাক্ষের শিকার সুদীপা, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন রান্নাঘরের রানী

‘সুইগি’ বিতর্কে অবশেষে সবার কাছে ক্ষমা চাইলেন ‘রান্নাঘর’ (Rannaghor) শোয়ের সঞ্চালিকা সুদীপা চ্যাটার্জি (Sudipa Chatterjee)। বেশ কিছুদিন ধরেই এই বিষয় নিয়ে সবার কাছে সমালোচিত হচ্ছিলেন তিনি। এখন ক্ষমা চাওয়ার পরে সেই বিতর্কের অবসান ঘটবে বলে আশা করা যায়।

জি বাংলার অনেক জনপ্রিয় শোয়ের মধ্যে অন্যতম হল রান্নাঘর। ২০০৫ সাল থেকে এই শোয়ে সঞ্চালিকার ভূমিকায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে সুদীপাকে। পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Agnidev Chatterjee) স্ত্রী ছাড়াও এই শোয়ের সুবাদে নিজের আলাদা পরিচিত বানিয়ে নিয়েছেন সুদীপা। তবে কিছুদিন আগে সুইগি ডেলিভারি বয়কে নিয়ে করা মন্তব্যের কারণে সাম্প্রতিককালে বেশ কয়েকদিন ধরে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তিনি । এই বিষয়ে অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিকের (Aritra Dutta Banik) সাথে তাঁর বাকযুদ্ধ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। অনেকেই তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন সুদীপা। তিনি ওই পোস্টে জানিয়েছেন যে তিনি তাঁর মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে যা বলতে চেয়েছেন সেটা ভুলভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ডেলিভারি বয়কে অপমান করতে চাননি। তাঁর এই রকম মন্তব্যের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যে কল না করার অপশন বেছে নেওয়ার পরেও বারংবার কল আসার কারণ খুঁজে বের করা । তাঁর বক্তব্যকে একেবারে ভিন্নভাবে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। এখন ম্যাপের মাধ্যমে বাড়ি চিনে নেওয়ার সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ফোন করে বাড়ির ঠিকানা জিজ্ঞাসা করার বিপক্ষে তিনি। তবে তাঁর প্রতি এত বিদ্বেষমূলক মন্তব্য দেখে তিনি যে বেশ মর্মাহত সেটাও এই পোস্টে উল্লেখ করেছেন। সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। মায়ের আগমনের সাথে সাথেই তিনি সব রকমের বিতর্কের ইতি ঘটাতে চেয়েছেন।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Sudipa Chatterjee (@sudiparrannaghor)

সোশ্যাল মিডিয়া যেমন মানুষকে পরিচিতি এনে দেয় তেমনি জন্ম দেয় অনেক বিতর্কের। এই কারণে মাঝে মধ্যেই অনেকেই ব্যক্তিগত রোষের শিকার হন। তবে বাকস্বাধীনতা সবারই আছে। সেই কারণে বিতর্কও রয়েছে। তবে যত দ্রুত বির্তকের অবসান ঘটবে ততই ভালো বার্তা যাবে সমাজের কাছে।

Categories
বিনোদন

দেবের সঙ্গে শুটিংয়ের চলাকালীন যা করেছিলেন কোয়েল, আজও ভুলতে পারেননি অভিনেত্রী

সম্প্রতি নিজের অভিনয় জীবনের এক মজার অভিজ্ঞতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। এর আগেও বেশ কিছু কথা অনুরাগীদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু এইবারের ঘটনা বেশ অন্যরকম।

২০০৩ সালে ‘নাটের গুরু’ (Nater Guru) সিনেমার মধ্যে দিয়ে সিনেমা জগতে পা রেখেছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের (Ranjit Mallick) কন্যা কোয়েল। এর পরে এখনও পর্যন্ত দর্শকদের অনেক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘বন্ধন’ (Bandhan), ‘শুধু তুমি’ (Shudhu Tumi), ‘মানিক’(Manik), ‘প্রেমের কাহিনী’ (Premer Kahini) , ‘সাত পাঁকে বাঁধা’ (Saat Paake Bandha) প্রভৃতি। ২০১৩ সালে প্রযোজক নিসপাল সিংয়ের (Nispal Singh) সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন কোয়েল। বিয়ের পরেও অনেক সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। তবে ‘মিতিন মাসি’ (Mitin Mashi) সিনেমায় তাঁকে একেবারে অন্যরকমভাবে পেয়েছিল দর্শক। চিরাচরিত নায়িকার ইমেজ ছেড়ে বুদ্ধিমতী এবং সাহসী মহিলা গোয়েন্দার চরিত্রে তাঁর অসাধারণ অভিনয় মন কেড়ে নিয়েছিল দর্শকদের। এছাড়া ‘রক্ত রহস্য’ (Rawkto Rawhoshyo) , ‘সাগরদ্বীপের যখের ধন’ (Sagardwipey Jawker Dhan) কিংবা ‘বনি’ (Bony) -এর মতো সিনেমাতেও তাঁকে অন্যরূপে দেখতে পেয়েছিল দর্শক।

নিজের দীর্ঘ সফল অভিনয় জীবনে টলিউডের বেশ অনেক নায়কের সাথেই কাজ করেছিলেন কোয়েল। তবে কেরিয়ারের শুরুতে দেবের (Dev) সঙ্গেই বেশিভাগ ছবিতে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। তাঁদের দুজনের এই জুটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল দর্শকদের কাছে। ১৪ বছর আগে মুক্তি পেয়েছিল ‘মন মানে না’ (Mon Mane Na) সিনেমাটি। সেই সিনেমার নস্ট্যালজিয়া এখনও বর্তমান দর্শকদের কাছে। সেই ছবির সঙ্গেই জড়িত একটি মজার কাহিনী জানতে পারা গেল অভিনেত্রীর কাছ থেকে। এই ছবির একটি দৃশ্যে বাসের মধ্যে পূর্বনির্ধারিত সিটে বসার কথা ছিল নায়ক দেবের। কিন্তু তিনি তখন সহযাত্রীদের সাথে ঝগড়ায় ব্যস্ত। সিনেমার গল্প অনুযায়ী সেই সুযোগে দেবের সিটে বসে পড়বেন কোয়েল। শুটিংয়ের সময় অভিনেত্রী বাসের বাইরে পরিচালকের নির্দেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে কোয়েল জানিয়েছেন, ভেতরের আওয়াজের কারণে শট নেওয়ার জন্য পরিচালক যে তাঁর নাম ধরে ডাকছিলেন সেটা তিনি শুনতে পাননি। তিনি তখন প্রকৃতির শোভা দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। অনেক পরে পরিচালকের ডাকে তাঁর সম্বিৎ ফেরে এবং শুটিং শুরু করেন। শুটিং ভুলে প্রকৃতির দৃশ্য দেখার জন্য পরে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

সিনেমায় নায়ক নায়িকের কেমিস্ট্রি কিংবা তাঁদের অভিনয় যেমন দর্শকদের আনন্দ দেয় তেমনি ক্যামেরার পিছনে ঘটে যাওয়া ঘটনা জানতে পারলেও বেশ মজা পান তাঁরা। মাঝে মধ্যেই সিনেমার এইরকম অনেক না জানা ঘটনা সামনে আসে অনুরাগীদের যা পুরনো স্মৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে।

Categories
বিনোদন

টেলিভিশন ছেড়ে কোথায় হারিয়ে গেলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ত্বরিতা চট্টোপাধ্যায়

মহানায়ক উত্তমকুমারের (Uttam Kumar) নাতবৌ হওয়া সত্ত্বেও তেমনভাবে জনপ্রিয়তা পান নি অভিনেত্রী ত্বরিতা চট্টোপাধ্যায় (Twarita Chatterjee)। এই নিয়ে প্রথমবার সংবাদমাধ্যমকে জানালেন নিজের মনের কথা। অনেকেই মনে করছেন বিনোদন জগৎ ছেড়ে চলে গিয়েছেন তিনি।

বিনোদন জগতে একটি অন্যতম পরিচিত মুখ হলেন ত্বরিতা। বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। কিছুদিন আগে শেষ হয়েছিল জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কড়ি খেলা’ (Kori Khela)। সেখানে তাঁর অভিনয় ভালো লেগেছিল সবার। এছাড়া ‘করুণাময়ী রানী রাসমণি’ (Karunamoyee Rani Rashmoni) ধারাবাহিকে ‘সারদামণি’র মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে আলাদাভাবে নজর কেড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। তাঁর অভিনীত ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম ‘তুমি আসবে বলে’ (Tumi Asbe Bole), ‘জড়োয়ার ঝুমকো’ (Jarowar Jhumko) প্রভৃতি।

কিছুদিন আগে অভিনেতা সৌরভ বন্দোপাধ্যায়ের (Sourav Banerjee ) সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ত্বরিতা। সৌরভ বাংলা টেলিভিশনের পরিচিত মুখ। এছাড়া উত্তমকুমারের নাতি হিসাবেও তাঁর বেশ খ্যাতি রয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে একটি ক্যাফেও চালান ত্বরিতা। কেরিয়ারের শুরুতে ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ (Ogo Bodhu Sundori) নামে একটি সিরিয়ালে অভিনয়ের প্রস্তাব ছেড়ে দিয়েছিলেন। এর পরে ওই ধারাবাহিকে অভিনয় করে জনপ্রিয় হয়েছিলেন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী (Ritabhari Chakraborty)। এই ধারাবাহিকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াটা তাঁর ভুল হয়েছিল বলে ওই সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন তিনি। এর পরে আর কোনো ধারাবাহিকে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে পার্শ্বচরিত্রেও তাঁর অভিনয় দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। পেশাগত জীবনে তাঁর সাফল্যের পেছনে শ্বশুরবাড়ির অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে কিছুদিনের বিশ্রাম নিয়ে আবার নতুন করে কাজে ফিরবেন বলে জানা গিয়েছে ওই সাক্ষাৎকারে। তবে ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে যাওয়ার যে গুঞ্জন উঠেছে তা অস্বীকার করেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি অনেকেই অন্য কোনো পেশা কিংবা শখের সাথে যুক্ত। কারণ বিনোদন জগতে সবকিছুই অনেকটাই অনির্দিষ্ট। তাই বিকল্প পেশার কথা সবাই ভেবে রাখেন নিজেদের সুরক্ষিত ভবিষ্যতের জন্য। ত্বরিতাও ব্যতিক্রমী নন। তবে অভিনয় দক্ষতার কারণেই বর্তমানে বিনোদন জগতে নিজের জায়গা তিনি বানিয়ে নিতে পেরেছেন। আশা করা যায় আগামী দিনে আরও ভালো চরিত্রে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যাবে।

Categories
বিনোদন

‘দিদি নং ১’ রচনা ব্যানার্জীকে হারাতে কোমর বেঁধে মাঠে নামছেন ‘শ্রীময়ী’ ইন্দ্রাণী হালদার

নতুন রূপে জি বাংলার পর্দায় ফিরছেন অভিনেত্রী ইন্দ্রানী হালদার (Indrani Haldar)। তাঁর এই নতুনভাবে প্রত্যাবর্তন বেশ খুশির খবর তাঁর অনুরাগীদের কাছে।

বাংলা বিনোদন জগতে ইন্দ্রানী হালদার একটি অতি পরিচিত নাম। সিরিয়ালের পাশাপাশি সিনেমাতেও করেছেন অনবদ্য অভিনয়। তবে বর্তমানে ছোটপর্দাতেই বেশি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে তাঁকে। ১৯৮৬ সালে জোছন দস্তিদারের (Jochon Dastidar) পরিচালনায় ‘তেরো পার্বণ’ (Tero Parbon) নামে ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেছিলেন তিনি। সিনেমায় অসাধারণ অভিনয়ের কারণে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড (National Award)- এর পাশাপাশি দুটো আনন্দলোক পুরস্কারও (Anandalok Award) রয়েছে তাঁর প্রাপ্তির ঝুলিতে। এছাড়া অনেক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকাতেও দেখতে পাওয়া গিয়েছে তাঁকে ।

‘শ্রীময়ী’ (Sreemoyee) ধারাবাহিকের মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে ছিলেন ইন্দ্রানী। তবে সেইসময় অন্য একটি ধারাবাহিকে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একটি নারীকেন্দ্রিক রিয়েলিটি শোতে তাঁকে দেখতে পাওয়া যাবে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যে সেই শোয়ের শুটিংও সেরে ফেলেছেন। তবে কবে দেখতে পাওয়া যাবে এই শোটি সে বিষয়ে কিছু জানান নি তিনি। তাঁর নতুন এই শোটি জি বাংলায় সম্প্রচারিত হবে বলে জানা গিয়েছে। তাহলে কি আর কোনোদিন স্টার জলসার পর্দায় দেখতে পাওয়া যাবে না তাঁকে? এই নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু এখনো পর্যন্ত জানাননি অভিনেত্রী। বর্তমানে যেসব রিয়েলিটি শো জি বাংলার পর্দায় বেশ জনপ্রিয় তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রচনা বন্দোপাধ্যায় (Rachna Banerjee) সঞ্চালিত ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ (Didi No. 1)। একসময় চুটিয়ে সিনেমা করার পরে বর্তমানে এই রিয়েলিটি শোয়ের কারণেই সারা বাংলার দিদি হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন সুন্দরী রচনা। তাঁর দক্ষ সঞ্চালনার কারণে বহু বছর ধরে দিদি নম্বর ওয়ান অনেকবার পুরস্কৃত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ইন্দ্রানীর নতুন শো জি বাংলার পর্দায় সম্পচারিত হলে দুই নায়িকার মধ্যে লড়াই দেখতে পাওয়ার সম্ভবনা অনেকটাই। দর্শক এই সংবাদ পাওয়ার পরে স্বভাবতই বেশ উৎসাহী হয়ে উঠেছেন।

২০১৫ সালে ‘গোয়েন্দা গিন্নি’ (Goyenda Ginni ) নামে একটি ধারাবাহিকে অভিনয় করে বেশ ভালোই প্রশংসা পেয়েছিলেন ইন্দ্রানী। সবাই আশা করেছিলেন এই ধারাবাহিকের নতুন সিজন নিয়ে আরেকবার পর্দায় দেখতে পাওয়া যাবে তাঁকে। কিন্তু অন্য ধরণের শোতে তাঁকে দেখতে অনুরাগীরা অপেক্ষা করে থাকবেন সেটা বলাই বাহুল্য।