Categories
ভিডিও লাইফ স্টাইল

এইভাবে কাশ্মীরি চিকেন বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, হাত চাটবে আট থেকে আশি, শিখে নিন রেসিপি

মৎস্যপ্রিয় বাঙালির পছন্দের খাদ্যতালিকা মাংস ছাড়া একেবারে অসম্পূর্ণ। দুপুরবেলা গরম ভাতের সাথে কিংবা যেকোন অনুষ্ঠান চিকেন কিংবা মাটনের যেকোন লোভনীয় পদ থাকবেই। মাংসের ঝোল থেকে শুরু করে কাবাব কিংবা স্ন্যাকসের জন্য সুস্বাদু পকোড়া সবেতেই মাংসের জয়জয়কার। বিভিন্ন উপাদান দিয়ে নানা ভাবে মাংস রান্না করা যায়। একেবারে সাধারণ ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিংবা রেস্টুরেন্ট স্টাইলে যেভাবেই হোক বাঙালি মাংসের যেকোন পদেই তৃপ্তি খুঁজে পায়।

উপকরণ :
১. চিকেন
২. নুন
৩. হলুদ গুঁড়ো
৪. লাল লংকার গুঁড়ো
৫. সর্ষের তেল
৬. পেয়াঁজ
৭. আদা বাটা
৮. রসুন বাটা
৯. টমেটো বাটা
১০. কাশ্মীরি লাল লংকার গুঁড়ো
১১. ধনে গুঁড়ো
১২. জিরে গুঁড়ো
১৩. গোলমরিচ গুঁড়ো
১৪. গরম মশলা
১৫. টক দই
১৬. দুধ
১৭. চিনি
১৮. ধনে পাতা

প্রণালী :
১ কেজি চিকেনকে ভালো করে ধুয়ে ১/২ চামচ হলুদে গুঁড়ো , লাল লংকার গুঁড়ো এবং স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। ৫ থেকে ১০ মিনিট এইভাবে মাংসকে ম্যারিনেট করে রাখতে হবে।

এর পরে কড়াই গরম করে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণের থেকে একটু বেশি সর্ষের তেল। তেল ভাল করে গরম হয়ে গেলে এর মধ্যে ম্যারিনেট করে রাখা মাংসের টুকরোগুলোকে দিয়ে ৩ থেকে ৪ মিনিট উল্টেপাল্টে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। চিকেনগুলো হালকা করে ভাজা হয়ে গেলে কড়াই থেকে তুলে নিয়ে আলাদা পাত্রে রেখে দিতে হবে।

মাংস ভাজার তেলের মধ্যেই দিয়ে দিতে হবে ৩টি বড় আকারের পেয়াঁজ কুচি। পেয়াঁজকে ৫ থেকে ৬ মিনিট ভালো করে ভেজে নেওয়ার পরে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ২ টেবিল চামচ আদা রসুন বাটা। গ্যাসের আঁচ কমিয়ে দিয়ে ২ থেকে ৩ মিনিট ভাল করে কষিয়ে নিতে হবে। আদা রসুন বাটা থেকে কাঁচা গন্ধ চলে গেলে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে বড় আকারের ২টো টমেটো বাটা।

টমেটো বাটা ভালো করে কষে শুকিয়ে এলে দিতে হবে ১ টেবিল চামচ কাশ্মীরি লংকার গুঁড়ো, ১/২ টেবিল চামচ লাল লংকার গুঁড়ো , ১ এবং ১/২ টেবিল চামচ ধনে গুঁড়ো এবং ১ চামচ জিরে গুঁড়ো,সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো এবং অল্প পরিমানে গরম মশলা। পরিমানমত লবণ দিয়ে সমস্ত মশলাগুলিকে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। মশলা কষানোর সময় গরম জল ব্যবহার করলে রান্নার স্বাদ ভালো হয়। তাই মশলা কষে শুকিয়ে এলে যোগ করতে হবে অল্প পরিমাণে গরম জল।

এইভাবে ভালো করে কষিয়ে নেওয়ার পরে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ৩ টেবিল চামচ ফেটানো টক দই। গ্যাসের আঁচ আবার কমিয়ে দিয়ে গ্রেভির সাথে ফেটানো টক দই ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। মশলা ভালো করে কষে গিয়ে তেল বেরোতে শুরু করলে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ গ্লাস দুধ।

দুধ ঘন হয়ে না আসা পর্যন্ত ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। দুধ যোগ করার আগে ভালো করে গরম করে নিয়ে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। ৫ থেকে ৬ মিনিট রান্না করার পরে ভাজা চিকেনগুলো দিয়ে দিতে হবে। মশলার সাথে ৫ মিনিট ধরে মাঝারি আঁচে ভাল করে চিকেন কষিয়ে নিতে হবে। চিকেন কষানোর সময় বারবার ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে যাতে কড়াইয়ের নিচে ধরে না যায়।

চিকেন ভাল করে কষানো হয়ে এলে দিয়ে দিতে হবে গরম জল। ১০ মিনিট মত কড়াইয়ের ঢাকা বন্ধ করে দিতে হবে যতক্ষণ না চিকেন ভাল করে সেদ্ধ হয়ে যায়। এর মাঝে ঢাকা খুলে প্রয়োজন হলে লবণ দিতে হবে। এই পর্যায়ে যোগ করতে হবে অল্প পরিমাণে চিনি। দুধ এবং দইয়ের সাথে এই রান্নায় চিনি যোগ করলে স্বাদ আরও ভাল হবে। ৫ থেকে ৬ মিনিট এইভাবে ঢাকা দিয়ে রান্না করার পরে দিয়ে দিতে হবে ধনে পাতা কুচি।

এর কিছুক্ষণ পরে গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। সাধারণ ঘরোয়া মশলা দিয়েই মাংসের এই অসাধরণ পদটি পরিবেশনের জন্য একদম তৈরী।

Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে পটলের ভর্তা বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, গরম ভাতের সাথে জাস্ট জমে যাবে

পটল একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং উপাদেয় সবজি। ডালের সাথে পটল ভাজা বাঙালির প্রিয় পদের মধ্যে অন্যতম। তবে পটলের অন্যান্য পদও বাঙালির খুব প্রিয়। পটলের ভর্তা তার মধ্যে অন্যতম। গরম ভাতের সাথে এই সুস্বাদু পদটি দুপুরে কিংবা রাতের খাওয়ার জন্য একেবারে আদর্শ। পটলের একঘেঁয়ে পদ থেকে এই পদটি অনেকটাই আলাদা।

উপকরণ :
১. পটল
২. জল
৩. সর্ষের তেল
৪. শুকনো লঙ্কা
৫. কালোজিরে
৬. রসুন
৭. কাঁচালঙ্কা
৮. পেয়াঁজ
৯. হলুদ গুঁড়ো
১০. লাল লংকার গুঁড়ো
১১. নুন
১২. চিনি

প্রণালী :
এই প্রথমে ৫০০ গ্রাম পটলকে ভাল করে ধুয়ে একটু খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। যেহেতু পটলের খোসার মধ্যেও খাদ্যগুণ বর্তমান সেইকারণে সমস্ত খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া উচিত হবে না। এর পরে পটলগুলিকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। একটি কড়াইতে অল্প পরিমাণে জল দিয়ে পটলগুলিকে ভালো করে ভাপিয়ে নিতে হবে। পটল ভাপানো হয়ে গেলে একটি মিক্সিতে ভাপা পটলগুলিকে ভাল করে পেস্ট করে নিতে হবে।

কড়াইতে পরিমাণমতো তেল দিয়ে ভালো করে গরম করতে নিতে হবে। তেল ভালো করে গরম হয়ে গেলে দিয়ে দিতে হবে অল্প পরিমাণে কালোজিরে এবং ৩ থেকে ৪টি শুকনো লঙ্কা। শুকনো লঙ্কা কিছুটা ভাজা ভাজা হয়ে গেলে কয়েকটি লঙ্কা তুলে নিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে।

এইবারে তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে আগে থেকে থেঁতো করে রাখা ১০ থেকে ১২ টা রসুন। রসুনের স্বাদ তেলের মধ্যে ভালো করে মিশে গেলে এর মধ্যে দিতে হবে ৩টি কাঁচালঙ্কা এবং ২টি মাঝারি আকারের পেয়াঁজ। সবগুলি ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পরে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে অল্প পরিমাণে হলুদ গুঁড়ো এবং সামান্য লাল লংকার গুঁড়ো। সমস্ত উপকরণকে ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পরে পটলের মিশ্রণটিকে দিয়ে দিতে হবে।

এইবারে মাঝারি আঁচে ভালো করে মিশ্রণটিকে মশলার সাথে নাড়া চাড়া করে নিতে হবে। মিশ্রণটি যত ঘন হয়ে আসবে স্বাদও তত ভালো হবে। এই পর্যায়ে স্বাদমতো নুন এবং চিনি দিয়ে দিতে হবে আর এর সাথে দিয়ে দিতে হবে আগে থেকে আলাদা করে রাখা শুকনো লঙ্কা ভাজা।

এইভাবে ভালো করে ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করে নিলেই সুস্বাদু পটলের ভর্তা পরিবেশনের জন্য তৈরী হয়ে যাবে।

Categories
লাইফ স্টাইল

গরম ভাতের সাথে খাওয়ার জন্য ‘চিংড়ি ভাপা’, স্বাদ হবে দুর্দান্ত, শিখে নিন রেসিপি

চিংড়িমাছ বাঙালির অন্যতম প্রিয় পদ। বাঙাল হোক বা ঘটি চিংড়িমাছ সকলেই ভালবাসেন। যে কোন রান্নাতেই চিংড়িমাছ ব্যবহার করলেই সেই রান্না একটা আলাদা মাত্রা পায়। চিংড়িমাছের একটা নতুন রেসিপি আজ রইল। ‛চিংড়ি ভাপা’ কী ভাবে বানাবেন চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক।

উপকরণ:
১.চিংড়ি মাছ ২৫০ গ্রাম
২.নুন স্বাদমত
৩.হলুদ ১ চামচ
৪.কালো সরষে ১/২ চামচ
৫.হলুদ সরষে ১/২ চামচ
৬.পোস্ত ১ টেবিল চামচ
৭.কাঁচালঙ্কা চেরা ৪-৫টি
৮.লঙ্কার গুঁড়ো ১/২ চামচ
৯.নারকেল কুচি ২ চামচ
১০.চিনি স্বাদমত
১১.টকদই ২.৫ চামচ
১২.সরষের তেল ৪ চামচ

প্রনালী:
প্রথমে ২৫০ গ্রাম চিংড়ি মাছকে খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর মাছ ধুয়ে নুন, হলুদ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিতে হবে। এরপর একটি মিক্সিং জারে ১ টেবিল চামচ কালো ও হলুদ সরষে, ১ টেবিল চামচ পোস্ত, ৪-৫ টা কাঁচালঙ্কা, হলুদ গুঁড়ো, লাল লঙ্কার গুঁড়ো, কিছুটা নারকেল কুচি, স্বাদমতো নুন, চিনি ও সামান্য জল দিয়ে পেস্ট করে নিতে হবে।

এরপর মিশ্রণটিকে একটি টিফিনবক্সে ঢেলে নিয়ে এর মধ্যে ২.৫ টেবিল চামচ টকদই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর ম্যারিনেট করে রাখা চিংড়ি মাছ ও ১.৫ টেবিল চামচ সরষের তেল টিফিনবাক্সে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর উপর দিয়ে গোটা কাঁচালঙ্কা দিয়ে দিয়ে ঢাকনা বন্ধ করে দিতে হবে। এরপর একটি কড়াইতে কিছুটা জল গরম করে তারমধ্যে স্ট্যান্ড বসিয়ে টিফিন বক্স বসিয়ে ঢেকে মিনিট ১২ রান্না করে নিলেই একেবারে তৈরি ‛চিংড়ি ভাপা’। গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে সুজির পকোড়া বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, হাত চাটবে আট থেকে আশি, শিখে নিন রেসিপি

বিকেল বেলায় জলখাবারে চায়ের সাথে মুখরোচক স্ন্যাক্স অনেকেরই বেশ পছন্দের। সুজির তৈরী মুখরোচক এই স্ন্যাক্স নিমেষেই মন ভালো করে দেবে। জমিয়ে দেবে চায়ের সাথে আড্ডাটা। বাড়িতে থাকা সামান্য কিছু উপকরণ দিয়েই বানানো যাবে এই পদটি।

উপকরণ-
১. সুজি
২. টক দই
৩. বেকিং সোডা
৪. লবণ
৫. গোটা জিরে
৬. পেঁয়াজ কুচি
৭. কাঁচা লঙ্কা কুচি
৮. কারি পাতা কুচি
৯. ভাজা চিনেবাদাম
১০. সরষের তেল
প্রণালী :

প্রথমে ১০০ গ্রাম সুজিকে মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিতে হবে। একটি মিক্সিং বোলের মধ্যে গুঁড়ো করে রাখা সুজির সাথে মেশাতে হবে স্বাদমতো লবণ , ১/৩ চামচ গোটা জিরে, ১ টি কুচি করে রাখা পেয়াঁজ, ২টি লঙ্কা কুচি ,পরিমানমত টক দই এবং কারিপাতা কুচি।

সমস্ত উপাদান ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পরে জল দিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরী করতে হবে। এইবার এই মিশ্রণটির মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণমতো ভাজা চীনাবাদাম এবং অল্প পরিমানে বেকিং সোডা। সমস্ত উপকরণকে মিশিয়ে নিতে হবে ভালো করে।

এইবারে কড়াইতে পরিমাণমত সর্ষের তেল নিয়ে ভালোভাবে গরম করে নিতে হবে। তেল একটু বেশি পরিমানে দিতে হবে কারণ ডুবো তেলেই ভাজা হবে এটি। মিশ্রণ থেকে অল্প পরিমানে নিয়ে তেলের মধ্যে ভালো করে ভেজে নিতে হবে। বেশ কিছুক্ষন ধরে দুই পিঠ লালচে করে ভেজে নিতে হবে।

এইভাবে সমস্ত মিশ্রণ থেকে কিছুটা পরিমান নিয়ে একইভাবে ভেজে নিতে হবে। গরম চায়ের সাথে খাওয়ার জন্য একেবারে তৈরী সুজির তৈরী এই মুখরোচক বড়া।

Categories
লাইফ স্টাইল

মাত্র ৫ মিনিটে ডিম ও আটা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন দুর্দান্ত স্বাদের বিকালের নাস্তা, শিখে নিন রেসিপি

সকালের জলখাবারে (Breakfast) বা বিকেলের টিফিনে (Tiffin) ভালো কিছু খাবার খেতে সকলের ইচ্ছে করে। কিন্তু হাজার কাজের মাঝে সবসময় দারুণ কোনো পদ তৈরি করা সম্ভব হয় না। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে আজকে তাই আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেবো এমন এক অভিনব ‘ডিম পরোটা’-র রেসিপি যা খুব কম সময়ে সামান্য কিছু জিনিস দিয়েই খুব সহজে বানিয়ে ফেলা যাবে।

•উপকরণ:
১)ডিম
২)নুন
৩)জল
৪)গরম মশলা গুঁড়ো
৫)গোলমরিচ গুঁড়ো
৬)ময়দা
৭)গাজর কুচি
৮)বাঁধাকপি কুচি
৯)পেঁয়াজকলি কুচি
১০)কাঁচালঙ্কা কুচি
১১)তেল

•প্রনালী:
প্রথমেই একটি মিক্সিং বোলে দুটো ডিম ভেঙে দিয়ে দিতে হবে। এরপরে ডিমের মধ্যে স্বাদ অনুযায়ী নুন দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ ধরে ডিম ফেটিয়ে নেওয়ার পর ওই পাত্রে ১/২ কাপ জল দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। মিক্সিং বোলে এবারে ১/৪ চামচ গরম মশলা গুঁড়ো ও ১/৪ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে আবারও মেশাতে হবে, খেয়াল রাখতে হবে মশলা যেন দানা দানা হয়ে না থাকে।

এরপর মিক্সিং বোলের ডিমের মিশ্রণের মধ্যে অল্প অল্প ময়দা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে একটি ব্যাটার বানিয়ে নিতে হবে, ব্যাটারের মধ্যে পরিমাণ অনুযায়ী জল দিয়ে পাতলা করে নিতে হবে।

ব্যাটার তৈরি হয়ে গেলে তার মধ্যে একে একে কিছু পরিমাণ গাজর কুচি, কিছু পরিমাণ বাঁধাকপি কুচি, কিছু পরিমাণ পেঁয়াজকলি কুচি ও ইচ্ছে অনুযায়ী কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে। আপনারা চাইলে এর মধ্যে আপনাদের পছন্দের অন্যান্য সবজিও কুচি কুচি করে কেটে দিয়ে দিতে পারেন।

এবারে গ্যাসে ফ্রাইং প্যান বসিয়ে অল্প তেল ব্রাশ করে ১.৫-২ হাতা ব্যাটার দিয়ে দিতে হবে। গ্যাসের আঁচ কম রেখে পুরো ফ্রাইং প্যানে ব্যাটার ভালো করে ছড়িয়ে দিতে হবে। একদিক ভাজা হয়ে গেলে অপরদিকেও অল্প তেল ব্রাশ করে উল্টে দিতে হবে।

প্রত্যেকটি পরোটা এইভাবে উল্টেপাল্টে নেড়ে নিয়ে ভালো করে ভাজতে হবে। ভালো করে না ভাজলে যে সব সবজি দেওয়া হবে তা কাঁচাই থেকে যাবে। ভাজা হয়ে গেলে হাতা দিয়ে পরোটা মুড়িয়ে নিতে হবে। এক‌ই পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ ব্যাটার থেকে যতগুলি সম্ভব হয় ততগুলি পরোটা ভেজে নিতে হবে। এবারে ফ্রাইং প্যান থেকে নামিয়ে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করে ফেলুন অভিনব এই ‘ডিম পরোটা’।

Categories
ভিডিও লাইফ স্টাইল

পাউরুটি ও ডিম দিয়ে বানিয়ে ফেলুন দুর্দান্ত স্বাদের এই মুখরোচক নাস্তা, রইল রেসিপি

সকালবেলার জলখাবার কিংবা বিকেলের স্ন্যাক্স সবেতেই পাউরুটি এবং ডিমের যুগলবন্দী বাঙালির একেবারে মনের মত পদ। সবার বাড়িতেই প্রায় ডিম এবং পাউরুটি খাদ্যতালিকায় থাকে। ডিম খুব উপকারী এবং পুষ্টিকর। অন্যদিকে পাউরুটিও খুব উপাদেয়। বিভিন্নভাবে পাঁউরুটি খাওয়া হলেও ডিমের সাথে খেতে বেশিরভাগ মানুষই পছন্দ করেন।

উপকরণ :
১.পাঁউরুটি
২.ডিম
৩.নুন
৪.গাজর
৫.চিজ
৬.টমেটো সস
৭.সেদ্ধ চিকেন
৮.বাটার
৯.অলিভ অয়েল।

প্রণালী :
প্রথমে পাউরুটিকে টুকরো টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এর পরে একটি মিক্সিং বলে ডিম ফাটিয়ে তার মধ্যে পরিমাণমতো নুন মিশিয়ে দিতে হবে। একটি ফ্রাইং প্যানে বাটার দিয়ে পাউরুটিগুলোকে ভেজে নিতে হবে। এর পরে ২ চামচ অলিভ অয়েল এবং ফেটানো ডিম দিয়ে প্যানের ঢাকনা বন্ধ করে দিতে হবে। এইভাবে দুইপাশ ভালো করে ভেজে নিতে হবে। এর পরে এর উপরে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণমতো বাটার, টমেটো সস। চিকেন অল্প পরিমানে সেদ্ধ করে এর মধ্যে মিশিয়ে দিতে হবে। এর ফলে আরো ভালো লাগবে খেতে। এছাড়া মুখের স্বাদের জন্য টমেটো সস এবং চিজ দেওয়া যাবে। অল্প পরিমানে গাজর গ্রেট করে ঢাকনা চাপা দিয়ে কিছুক্ষন রান্না করলেই তৈরী হয়ে যাবে সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর এই জলখাবারটি।
গাজর, বাটার এবং ডিমের উপকারিতা একসাথে পাওয়া যাবে এই একটি পদের মধ্যে। অন্যদিকে চিকেনের স্বাদও পাওয়া যাবে ভরপুর। সেদ্ধ হওয়ার কারণে সেটি স্বাস্থ্যের পক্ষে আরো ভালো হবে।

Categories
লাইফ স্টাইল

বিকেল বা সকালের জলখাবারে বানিয়ে ফেলুন ‘সুজির রসবড়া’, স্বাদ হবে দুর্দান্ত, শিখে নিন রেসিপি

ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলা যাবে সুজির রসবড়া পিঠা। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা ঘরোয়া অনুষ্ঠানের জন্য এই পদটি যেমন সুস্বাদু তেমনি উপাদেয়। বিকেলের জলখাবার হিসাবেও খাওয়া যাবে এটি।

সুজির বড়া বানানোর উপকরণ :
১. সুজি
২. তরল দুধ
৩. পাউডার মিল্ক
৪. ঘি

চিনির সিরার উপকরণ:

৫. চিনি
৬.জল
৭. এলাচ

প্রণালী :

প্রথমে একটি প্যানে এক চামচ ঘি গরম করে নিতে হবে। এর পরে এই ঘিয়েই ভাজতে হবে আধ কাপ সুজি। সুজি ভাজার পরে এতে দিতে হবে এক কাপ তরল দুধ।

সুজির সাথে দুধকে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। সুজি এবং দুধের মিশ্রণ ভালো করে মিশিয়ে ডো বানিয়ে নিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে। ডোয়ের সাথে দুই চা চামচ গুঁড়ো দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। ডো থেকে কিছুটা পরিমাণ নিয়ে আলাদা আলাদা করে চ্যাপ্টা বড়া বানিয়ে নিতে হবে। বড়া ভালো করে তেলে বাদামি করে ভেজে নিতে হবে।

বড়া বানানোর পরে চিনির সিরা বানাতে হবে। চিনির সিরা বানানোর জন্য প্রথমে প্যানে এক কাপ চিনির সাথে দুই কাপ জল মিশিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে নিতে হবে। জল ফুটানোর সময় এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে তিনটি এলাচ।

জ্বাল দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নেওয়ার পরে দুই থেকে মিনিটের মধ্যে সমস্ত মিশ্রণটি ঘন হয়ে আসবে। কিছুক্ষণ নামিয়ে রাখার পরে সুজির বড়াগুলি এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে।

সুজির রসবড়া পরিবেশনের জন্য একদম তৈরী।

Categories
লাইফ স্টাইল

ঠাকুমার স্টাইলে বানিয়ে ফেলুন পুরনো দিনের মটন কষা, হাত চাটবে আট থেকে আশি, রইল রেসিপি

ভোজনরসিক বাঙালির প্রিয় খাদ্যতালিকায় মাংসের পদ থাকবেই। রবিবারের দুপুরে অধিকাংশ বাড়িতে সুস্বাদু কচি পাঁঠার ঝোল কিংবা খাসির মাংসের চল বহুদিন ধরেই চলে আসছে। মাংস মাত্রই বাঙালির প্রিয়। তবে অনেকেই পাঁঠার থেকে খাসির মাংস বেশি পছন্দ করেন। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে মাংসের পদ থাকাটা সব ক্ষেত্রেই বাঞ্ছনীয় হয়ে গিয়েছে বর্তমানে তবে শুধুমাত্র এই রেওয়াজ যে শহরেই প্রচলিত তাই নয়, গ্রামের অনেক বাড়িতেই রয়েছে এর প্রচলন। শহুরে কায়দায় রান্না করা মাংসের চেয়ে গ্রাম্যভাবে রান্না করা খাসির মাংসের স্বাদ কোনো অংশে কম নয়। গ্রাম্য কায়দায় রান্না করলেও বাঙালি তৃপ্তি করে খাবে।

উপকরণ :
১. খাসির মাংস
২. গোটা জিরে
৩. গোটা ধনে
৪. ছোট এলাচ
৫. বড় এলাচ
৬. দারচিনি
৭. লবঙ্গ
৮. পেঁয়াজ
৯. রসুন
১০. আদা
১১. শুকনো লঙ্কা
১২. কাঁচালঙ্কা
১৩. গোলমরিচ
১৪. কাশ্মিরী লঙ্কা
১৫. চিনি
১৬. নুন
১৭. হলুদগুঁড়ো
১৮.তেল
১৯. আলু
২০. টকদই
২১. গরম মসলা গুঁড়ো

প্রণালী :

রান্নার শুরুতে ২ টেবিল চামচ গোটা জিরে এবং ২ টেবিল চামচ গোটা ধনেকে ভালো করে বেটে একটা আলাদা পাত্রে তুলে রাখতে হবে। একইভাবে ২ ইঞ্চি আদা , ১৫ থেকে ১৬ কোয়া রসুন, ৪ থেকে ৫টা শুকনো লঙ্কা, ৫ থেকে ৬ টা কাশ্মীরি লঙ্কা, ১৫ থেকে ১৬ টা গোলমরিচ বেটে আলাদা পাত্রে তুলে রাখতে হবে। কড়াইতে ১.৭ কেজি খাসির মাংসকে ভালো করে পরিমাণমতো হলুদ গুঁড়ো এবং স্বাদমতো নুন দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে আলাদা করে তুলে রাখতে হবে।

নাড়াচাড়া করার সময় মাংস থেকে যে জল বেরোবে সেটাকে আলাদা করে তুলে রাখতে হবে। ৫ থেকে ৬ টা আলুকে ভালো করে ধুয়ে টুকরো করে কেটে রাখতে হবে রান্না শুরু করার আগে। এইবারে কড়াইতে পরিমাণমতো তেল গরম করে আগে থেকে কেটে রাখা আলু ভালো করে নুন এবং হলুদ দিয়ে মাখিয়ে নিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে আলাদা করে।

আলু ভাজা হয়ে গেলে তাতে ফোড়নের জন্য দিয়ে দিতে হবে গোটা জিরে। ফোড়ন ভাজা হয়ে গেলে এর মধ্যে দিতে হবে ২৫০ গ্রাম কুচি করে রাখা পেয়াঁজ। পেয়াঁজ লাল করে ভাজা হয়ে গেলে এর মধ্যে দিতে হবে ৪ থেকে ৫ টা ছোট এলাচ , ১ টা বড়ো এলাচ, ২ ইঞ্চি দারচিনি এবং ৮ থেকে ১০ টা লবঙ্গ।

এইসমস্ত উপকরণকে পেয়াঁজের সাথে ভালো করে মিশিয়ে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। এর পরে পরিমাণমতো আদা, রসুন এবং লঙ্কা বাটা দিয়ে দিয়ে ভালো করে কষিয়ে জিরে এবং ধনে বাটা দিয়ে আবার ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। ভালো করে সমস্ত মশলা কষানো হয়ে গেলে ১ কাপ টক দই দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে কষানো মশলার মধ্যে দিয়ে নাড়াতে হবে। এর পরে যোগ করতে হবে স্বাদমতো নুন, চিনি এবং হলুদ গুঁড়ো। এইবারে আগে থেকে ভেজে রাখা খাসির মাংস দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে।

মাংস ভালো করে কষে এলে জল ছাড়বে। এই জল এবং আগে থেকে আলাদা করে রাখা জল দিয়ে ভালো করে নাড়িয়ে রেখে দিতে হবে ৪০ থেকে ৪৫ মিনিটের জন্য। এই সময়ের পরে আবার ভেজে রাখা আলু দিয়ে সমান সময় রেখে দিতে হবে কড়াইয়ের ঢাকনা বন্ধ করে। মাংস এবং আলু ভালো করে সেদ্ধ হয়ে এলে দিয়ে দিতে হবে অল্প একটু গরম মশলার গুঁড়ো।

সমস্ত কিছুকে এর পরে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিলেই তৈরী হয়ে যাবে সুস্বাদু খাসির মাংসের এই পদটি।

Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে ‘চিংড়ি মাছের দোপিয়াজা’ বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, গরম ভাতের সাথে পুরো জমে যাবে

মাছ ভাত প্রিয় বাঙালির খাদ্যতালিকায় মাছের মধ্যে চিংড়ির স্থান বেশ উপরে দিকে। দুপুর বেলা খাওয়ার সময় কিংবা রাতের মেনুতে গরম ভাতের সাথে চিংড়ির যেকোনো পদ বাঙালি মাত্রই খুব পছন্দের। আজকের চিংড়ি দোপেয়াঁজাও সবারই ভাল লাগবে।

উপকরণ :
১. মাছ
২.পেঁয়াজ
৩.হলুদ গুঁড়ো
৪.নুন
৫.এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি
৬.লঙ্কার গুঁড়ো
৭.ধনে গুঁড়ো
৮.টকদই
৯.চিনি
১০.আদা বাটা
১১.রসুন বাটা
১২.সাদা তেল

প্রণালী :

রান্না শুরু করার আগে ৪ টুকরো চিংড়িকে ভালো করে ধুয়ে দিয়ে ভাল করে নুন হলুদ মাখিয়ে নিতে হবে। এর পরে কড়াইতে দিয়ে দিতে হবে ২ টেবিল চামচ সাদা তেল। সর্ষের তেলে রান্না করলেও এর স্বাদে কোনো পরিবর্তন হবে না। তেল গরম হয়ে এলে নুন এবং হলুদ দিয়ে দিয়ে মাখিয়ে রাখা চিংড়িগুলিকে ভালো করে ভেজে নিতে হবে। চিংড়ি কড়া করে ভাজলে শক্ত রবারের মতো হয়ে যাবে। তাই হালকা করে ভেজে নিতে হবে।

মাছ ভাজা হয়ে গেলে ওই তেলেই ফোড়নের জন্য দিয়ে দিতে হবে ১ টুকরো দারচিনি , ৩টি এলাচ এবং ৪টি লবঙ্গ। ফোড়ন হালকা ভাজার পরে সুগন্ধ বেরোতে শুরু করলে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১/২ কাপ পেয়াঁজ কুচি। পেয়াঁজ একটু ভাজা ভাজা হয়ে গেলে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ চামচ আদা এবং রসুন বাটা ,১ চামচ হলুদ গুঁড়ো , ১ চামচ লংকার গুঁড়ো , ১ চামচ ধনে গুঁড়ো আর পরিমাণমতো জল।

সমস্ত মশলাকে ভালো করে কষিয়ে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ২ টেবিল চামচ টক দই। সমস্ত উপকরণকে ভালো করে মিশিয়ে স্বাদমতো নুন এবং চিনি দিয়ে দিতে হবে। আবার একটু জল দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। এর পরে ভেজে রাখা চিংড়ি মাছগুলিকে দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।

ঝোল ভালো করে ফুটে এলে পেয়াঁজের পাপড়ি ঝোলের মধ্যে দিয়ে মিনিট দুয়েক রান্না করে নিতে হবে। এইভাবেই তৈরী হয়ে যাবে সুস্বাদু চিংড়ির দোপেয়াঁজা।

Categories
লাইফ স্টাইল

গরম ভাতের সাথে খাওয়ার জন্য বানিয়ে ফেলুন দুর্দান্ত স্বাদের ‘বেগমতি চিকেন’, শিখে নিন রেসিপি

ভোজনরসিক বাঙালির প্রিয় পদের তালিকা মাংসের পদ ছাড়া অসম্পূর্ণ। মাংসের যে কোন পদই বাঙালি ভালোবাসে। রেস্টুরেন্টের মতো ভিন্ন স্বাদের বেগমতী চিকেনের স্বাদ একবার খেলে কেউই ভুলতে পারবে না।

উপকরণ :
১. চিকেন
২.কাজু বাদাম
৩.পেঁয়াজ কুচি
৪.আদা বাটা
৫.রসুন বাটা
৬.ধনে গুঁড়ো
৭.জিরে গুঁড়ো
৮.হলুদ গুঁড়ো
৯.নুন
১০.গোলমরিচ গুঁড়ো
১১.পেঁয়াজ পাতা
১২.ধনেপাতা
১৩.কাঁচালঙ্কা
১৪.নুন
১৫.সাদা তেল

প্রণালী :
কড়াইতে ১০০ গ্রাম সাদা তেল নিয়ে ভালো গরম করে নিতে হবে। তেল ভালো করে গরম হয়ে গেলে এর মধ্যে ফোড়নের জন্য দিয়ে দিতে হবে ২টো এলাচ , ২টো মাঝারি আকারের পেয়াঁজ কুচি , স্বাদমতো নুন। পেয়াঁজ একটু ভাল করে নাড়াচাড়া করে নিয়ে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে আদা এবং রসুন বাটা।

আগে থেকে ভালো করে কেটে ধুয়ে রাখা চিকেন দিয়ে মিনিট সাতেকের জন্য ভালো করে রান্না করতে হবে। এর পরে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ চামচ জিরে গুঁড়ো, সামান্য ধনে গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো। সমস্ত মশলাকে চিকেনের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।

একটি মিক্সিং জারে ১৫ টি কাজুকে অল্প জল দিয়ে মিশিয়ে ভালো করে একটা মিশ্রণ তৈরী করতে হবে। মিশ্রণটিকে চিকেনের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। ১ চামচ গোলমরিচ দিয়ে মিনিট তিনেকের জন্য রান্না করে নিতে হবে । অন্যদিকে একটি পাত্রে গরম জল নিয়ে পরিমাণমতো পেয়াঁজ পাতা , ধনেপাতা এবং ১০ টি কাঁচালংকাকে ভালো করে ভাপিয়ে নিতে হবে। এর পরে এইগুলিকে বরফ জলে ভিজিয়ে রাখার পরে পেস্ট তৈরী করে নিতে হবে। চিকেনের মধ্যে এই জল দিয়ে কড়াইয়ের ঢাকনা বন্ধ করে মিনিট দুয়েক রান্না করতে হবে। এর পরে দিয়ে দিতে হবে পেয়াঁজ , ধনেপাতা এবং কাঁচালংকার মিশ্রণটিকে।

সমস্ত উপকরণকে পাঁচ মিনিটের জন্য ভালো করে রান্না করে নিতে হবে। এইভাবেই তৈরী হয়ে যাবে অন্যস্বাদের বেগমতী চিকেন দুপুরবেলা ভাতের সাথে পরিবেশনের জন্য একদম তৈরী চিকেনের এই অভিনব পদটি।