Categories
লাইফ স্টাইল

বাড়িতে লাগান এই ফুলের গাছ, দূর হবে অর্থনৈতিক সংকট

বাস্তুশাস্ত্র মতে বাড়িতে কাঠ করবীর গাছ থাকলে তা গৃহ শান্তি মেটাতে এবং লক্ষীর কৃপাদৃষ্টি লাভে সহায়তা করে। জীবনের নানা রকমের সমস্যা সমাধানের উপায় রয়েছে বাস্তুশাস্ত্রে। এইসব উপায়ের সাহায্যে খুব সহজেই গৃহদোষ কেটে গিয়ে সুখ শান্তি এবং অর্থনৈতিক সাফল্য আসে।

মূলত তিন প্রকার ফুল দেখতে পাওয়া যায় এই গাছটির। বিভিন্ন রঙের ফুলের মাহাত্ম্য বাস্তু মতে বিভিন্ন। করবী মূলত লাল গোলাপি বা সাদা ফুলবিশিষ্ট চিরহরিৎ গুল্ম। অনেকেই এই গাছকে বন্য উদ্ভিদ বলে মনে করলেও সেটা ভুল তথ্য। কারণ বাস্তুমতে এই গাছটি লক্ষী দেবীর প্রতীক হিসাবে বিবেচিত হয়। আলাদা করে কোন যত্ন ছাড়াই এই গাছ জন্মাতে পারে এবং বৃদ্ধি পায়। পার্ক কিংবা রাস্তার পাশে প্রায়শই এই গাছ দেখতে পাওয়া যায়। অনেকেই বাড়িতে এই গাছ রাখতে পছন্দ না করলেও বাস্তুমতে আলাদা তাৎপর্য রয়েছে এই গাছটির।

কাঠ করবী গাছের সাদা ফুল বাস্তু মতে দেবী লক্ষীর প্রিয়। অন্যদিকে ভগবান বিষ্ণু পছন্দ করেন হলুদ রং। তাই সাদা ফুল দেবী লক্ষীকে নিবেদন করলে তিনি সন্তুষ্ট হবেন। অন্যদকে হলুদ ফুল দিয়ে পুজো করলে ভগবান বিষ্ণুর কৃপাদৃষ্টি পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাস্তুবিদরা। তাই বাস্তুমতে যাঁরা অর্থকষ্টে রয়েছেন তাঁরা এই গাছ রোপন করলে ভাল ফল পাবেন।

তবে এই গাছটিকে বাড়ির উত্তর কিংবা উত্তর-পূর্ব দিকে রোপন করলেই মা লক্ষীর আশীর্বাদ পাওয়া যাবে। বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠানের আগে কাঠ করবী গাছ বাড়িতে আনলে বিষ্ণুদেবতার আশীর্বাদে সম্মান এবং প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। এই গাছ বাড়িতে থাকলে ইতিবাচক শক্তির বিকাশ ঘটবে । বাড়ির প্রবেশ দ্বারের কাছে এই গাছ রোপন করলে বহু সমস্যা কেটে যায় এবং বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি বিরাজ করে বলে জানিয়েছেন অভিজ্ঞ বাস্তুবিদরা। এই গাছে সারা বছর ফুলের সমাহার দেখতে পাওয়া যায়।

তাই একবার রোপন করলে সারা বছর যেমন ভগবানের পুজোর জন্য ফুল পাওয়া যাবে তেমনি অর্থকষ্টও থাকবে না। আর্থিক দিক থেকে এই গাছটি ভাল হলেও এই গাছের ফুলের বীজ খুব বিষাক্ত। সেই কারণে শিশুরা যাতে এই গাছের কাছে যেতে না পরে সেইদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Disclaimer : বাস্তুবিদদের অভিজ্ঞ পরামর্শ এবং মতামত অনুযায়ী প্রতিবেদনটি লিখিত। ব্যক্তিবিশেষে এর ফলাফল আলাদা হতে পারে। সংবাদ২৪অনলাইন এই তথ্যের সত্যতা বিচার করেনি। এক্ষেত্রে প্রয়োগের পূর্বে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ আবশ্যক ।

Categories
লাইফ স্টাইল

বাড়িতে এইভাবে মানিপ্লান্ট লাগালে দূর হবে অর্থনৈতিক সংকট, রইল টিপস

গাছ দিয়ে ঘর সাজাতে অনেকেই পছন্দ করেন। অনেকেরই ঘরে কিংবা বারান্দায় শোভা পায় সুদৃশ্য গাছ। কিছু কিছু গাছ আছে যা বাড়িতে থাকলে আসে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। সেইসব গাছের মধ্যে অন্যতম হলো মানিপ্লান্ট গাছ। সঠিক উপায়ে এই গাছ বাড়িতে লাগালে সুখ সমৃদ্ধি আসবে।

মানিপ্লান্ট নামটির মধ্যে লুকিয়ে আছে অর্থ। তবে শুধুমাত্র অর্থের কারণেই নয়, ঘরের শোভা বাড়াতেও অনেকেই এই গাছ বাড়িতে লাগান। সৌখিন মানুষদের ঘর সাজানোর একটি অন্যতম উপরকরণ হলো সুদৃশ্য গাছ। ঘরে শোভা বাড়ানোর সাথে সাথে কিছু গাছ অর্থনৈতিক সম্পদকেও ত্বরান্বিত করে বলে মনে করেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা।

বাস্তুশাস্ত্র মেনে সঠিক জায়গায় সঠিক উপায়ে এই মানিপ্লান্ট গাছটি লাগালে তবেই আসবে কাঙ্খিত সম্পদ। সঠিকভাবে না লাগালে অর্থনৈতিক দুরাবস্থার শিকার হতে পারেন বাড়ির লোকেরা।

১. মানিপ্লান্ট গাছটিকে এমনভাবে বাড়িতে রাখতে হবে সেটি যেন ঘরের নিচ থেকে উপরের দিকে যায়। অর্থাৎ গাছটি যখন বাড়বে তখন সেটি যেন উপরের দিকে ওঠে। নিচের দিকে চলে এলে দড়ির সাহায্যে সেটিকে বেঁধে রাখতে হবে। ঘরের ভেতরে রাখলেও এই বিষয়ে নজর রাখতে হবে। গাছটি যত উপরের দিকে উঠবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও সেইভাবেই বৃদ্ধি পাবে।

২. এই গাছের সবুজ পাতা চোখের পক্ষে খুব উপকারী। এমনকি শরীর এবং মন ভালো রাখতেও সাহায্য করে। বাস্তুমতে সকলের বাড়িতেই এই গাছ রাখা দরকার। কিন্তু এই গাছের পাতা বেশি লম্বা হলে ছেঁটে ফেলে দিতে হবে। কারণ এই গাছের পাতা ঘরের শুভ কাজের পক্ষে ভালো নয় বলে জানিয়েছেন বাস্তুবিদরা।

বাস্তুবিদদের সঠিক পরামর্শ মেনে মানিপ্লান্ট গাছ লাগালে ঘরের শোভা বাড়ানোর সাথে সাথে অর্থের অভাবও মিটবে। যাদের জীবনে অর্থনৈতিক সমস্যা চলছে এই গাছের সাহায্যে তাঁদের সমস্যা মিটে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বাস্তুবিদরা।

Categories
লাইফ স্টাইল

বাড়িতে এই ৪টি গাছ কখনোই রাখবেন না, বাড়তে পারে অর্থনৈতিক সংকট

বাস্তু মতে অর্থনৈতিক সংকট এড়াতে কিছু গাছ আছে বাড়িতে লাগানো একেবারেই উচিত নয়। এতে সংসারের অশান্তি যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি অর্থের সংকটও গ্রাস করে। আজ জেনে নেব তেমনি কিছু গাছের কথা।

বনসাই গাছ : বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বনসাই গাছ বাড়ির অর্থনৈতিক সংকটকে বাড়িয়ে তোলে। তাই বাড়িতে এইরকম গাছ লাগানো একেবারেই উচিত নয়।

খেজুর গাছ : খেজুর গাছও বাড়ির পক্ষে অশুভ। এই গাছ বাড়িতে থাকলে অর্থের সংকট দেখা দিতে পারে। খেজুর নিঃসন্দেহে শরীরের জন্য পুষ্টিদায়ক একটি শুকনো ফল। বাজারজাত খেজুরের চেয়ে যদি বাড়ির খেজুর পাওয়ার আশায় এই গাছ লাগানো হয় তাহলে ভালো ফল পাওয়া যাবে না।

কাঁটা জাতীয় গাছ : ক্যাকটাস কিংবা ফণীমনসা জাতীয় কাঁটা গাছও বাড়িতে লাগানো উচিত নয়। অনেকেই এই গাছ বাড়ির টবে লাগিয়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেন। এতে করে বাড়ির সৌন্দর্য বাড়লেও জীবনে কুপ্রভাব পরে। সেই কারণে এই রকমের গাছ যদি আপনাদের বাড়ির শোভা বৃদ্ধি করে তাহলে অবিলম্বে কেটে ফেলুন।

বট অথবা অশ্বত্থ গাছ : মন্দিরের আশেপাশে অনেকসময় বট অথবা অশ্বত্থ গাছ দেখতে পাওয়া যায়। এই সমস্ত গাছ মন্দিরের পক্ষে শুভ। বাস্তু শাস্ত্র মতে এই ধরণের গাছ গৃহের পক্ষে অশুভ। বাড়ির উঠানে কিংবা বাগানে এইরকম গাছ থাকলে এখনই কেটে ফেলা উচিত। এতে গৃহ শান্তি বজায় থাকবে।

বাড়িতে অনেকেরই গাছ লাগানোর শখ রয়েছে। গাছের পরিচর্যা করতে অনেকেই ভালোবাসেন। গাছ বাড়ির শোভা বাড়ালেও সব গাছ শুভ হয় না । বাস্তু শাস্ত্র অনুসরণ করে গৃহশান্তি বজায় রাখার জন্য তাই এইসব গাছ বাড়িতে রাখা উচিত নয়।

Categories
নিউজ

এই সরকারি স্কিমে বিনিয়োগ করলে এককালীন পেয়ে যাবেন ২০ লাখ টাকা, জেনে নিন বিস্তারিত

সন্তানের জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা (Future Planning) সব বাবা-মা করে থাকেন। নিজস্ব আর্থিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে সবকিছু মাথায় রেখে ছেলে বা মেয়ে উভয়েরই শিক্ষা, পরবর্তী জীবন, বিয়ে সবকিছু নিয়ে মা-বাবা বিভিন্ন রকম পরিকল্পনা করে থাকেন। তবে আমাদের দেশ ভারতবর্ষে সাধারণত সামাজিক গঠনের জন্য মেয়ের মা-বাবারা বিয়ে নিয়ে অধিক মাত্রায় চিন্তাগ্রস্ত থাকেন। মেয়ের বিয়ের বয়স হওয়ার অনেক বছর আগে থেকেই অনেক মা-বাবাকে মেয়ের বিয়ের জন্য অর্থ সঞ্চয় করতে দেখা যায়।

বিভিন্ন ব্যাঙ্কে জীবন বীমা সংস্থায় এই কারণে অনেক ধরণের প্রকল্প বা সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এমন কী, ভারতবর্ষের কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও মেয়েদের আর্থিক নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে এমন এক প্রকল্পের সৃষ্টি করা হয়েছে। দেশের যে কোনো প্রান্তে যে কেউ নির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী মেনে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারবেন। ‘সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা’ (Sukanya Samriddhi Yojna) নামক এই প্রকল্পে কেবলমাত্র ১০ বছরের কম বয়সী মেয়েদের নামেই বিনিয়োগ করা যাবে। মেয়ের বয়স ৩ বছর হলেই তার নামে ‘সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা’-তে অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে। আপনাকে বার্ষিক ৪৮ হাজার নিয়োগ করতে হবে এবং আপনি ৭.৬% হারে সুদ পাবেন। এই প্রকল্পের অধীনে অ্যাকাউন্ট ম্যাচিওর না হ‌ওয়া অবধি আপনাকে মোট ৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

অ্যাকাউন্ট ম্যাচিওর হ‌ওয়ার সময় আপনি অন্তত ২০ লাখ টাকা লাভ করবেন অর্থাৎ আপনার প্রাপ্য সুদের পরিমাণ থাকবে প্রায় ১৩ লাখ টাকা। এই প্রকল্পে আপনি সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা জমা করতে পারবেন। যদি আপনার একের অধিক মেয়ে থাকে তবে তাদের প্রত্যেকের জন্য‌ই আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এই প্রকল্প ‘ট্যাক্স সেভিং প্রকল্প’; আয়কর আইনের ৮০সি ধারার আওতায় ‘সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা’-তে সঞ্চিত অর্থ, প্রাপ্য সুদ মেয়াদপূর্তির পরবর্তী সময়ে প্রাপ্য অর্থের ওপরে কর দিতে হয় না। ব্যাঙ্ক ও পোস্ট অফিস উভয় স্থানেই ‘সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা’-র অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে ও পরবর্তী সময়ে যে কোনো স্থানে অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করা যাবে।

Categories
অর্থনীতি নিউজ

মধ্যবিত্তদের জন্য পোস্ট অফিসের এই দুর্দান্ত স্কিম, ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন মাসিক ২৫০০ টাকা

সাধারণ ভারতীয় চাকুরীজীবি বেতনভোগী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অধিকাংশ মানুষ বিনিয়োগের জন্য ঝুঁকি সত্বেও বিকল্প খোঁজেন। ভারতীয় পোস্ট অফিস হয়ে উঠেছে এই ধরনের বিনিয়োগের সেরা ঠিকানা।

পোস্ট অফিসের জনপ্রিয় স্কিম হলো মান্থলি ইনকাম স্কিম (MIS)। সম্প্রতি সরকারের তরফ থেকে পোস্ট অফিস ন্যাশনাল মান্থলি ইনকাম স্কিম (Post Office Monthly Income Scheme) সহ স্মল সেভিংস স্কিম গুলির হার ঘোষণা করেছে। যদিও বা সরকার এই সব স্কিমের হার এখনো ৬.৬ % -ই রেখে দিয়েছে।
ন্যূনতম ১০০০ টাকায় পোস্ট অফিসে মান্থলি ইনকাম স্কিম অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। ২০২০ সালের ১ এপ্রিল-এর গাইডলাইন অনুযায়ী ডিপোজিটের পরিমাণ ১০০০-এর গুণিতক হতে হবে। সিঙ্গল অ্যাকাউন্টের জন্য সর্বোচ্চ ৪.৫ লক্ষ টাকা এবং জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯ লক্ষ টাকা বিনিয়োগের সীমা ধার্য্য করা হয়েছে।

নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্যে অভিভাবক এবং অভিভাবিকা মান্থলি ইনকাম স্কিম অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। তবে ১০ বছর বয়স্ক কোন নাবালক নিজের নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। পোস্ট অফিসে বিনিয়োগের সুদের টাকা স্কুলের মাইনে বা সন্তানের ভবিষ্যতের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

যদি কেউ সিঙ্গেল অ্যাকাউন্ট খুলে ২ লক্ষ টাকা জমা রাখেন তবে বার্ষিক সুদের সাম্প্রতিক হার অনুযায়ী ওই ব্যক্তি মাসিক ১১০০ টাকা সুদ পাবেন । অন্যদিকে কোন অভিভাবক যদি নিজের সন্তানের নামে ৩.৫০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন তবে মাসিক ১৯২৫ টাকা সুদ পাবেন। যদি কেউ ৪.৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন, তবে প্রতিমাসে ওই ব্যক্তি সুদ হিসেবে পাবেন ২৪৭৫ টাকা। মান্থলি ইনকাম স্কিম অ্যাকাউন্ট শুরুর পর থেকে পাঁচ বছরের মেয়াদ সম্পূর্ণ হলে বন্ধ করে দেওয়া যায়।

Categories
লাইফ স্টাইল

Lifestyle: অর্থনৈতিক সংকট চিরতরে দূর করতে শুকনো লঙ্কার সবচেয়ে সহজ ও ঘরোয়া টোটকা

শুকনোলঙ্কা। আমাদের রান্নাঘরের তাকে যা সারাবছর থাকে। সেই সাধারণ শুকনোলঙ্কা কি কামাল করতে পারে জানলে চমকে যাবেন। বিশ্বাস হচ্ছেনা? আসুন তাহলে দেখে নিই শুকনোলঙ্কার কয়েকটি প্রয়োগ যা আপনার জীবন বদলে দেবে।

যদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি পেতে চান তাহলে আজই বাড়িতে শুকনোলঙ্কার এই ছোট্ট টোটকাটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। শুকনোলঙ্কা আমরা রান্নার কাজে ব্যবহার করি। রান্নায় রং আনতে এবং স্বাদ বাড়াতে শুকনোলঙ্কা বহু প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও আপনি যদি মনে করেন আপনার উপর বা আপনার পরিবারের কোন সদস্যের উপর কারো নজর লেগেছে তাহলে সেক্ষেত্রে শুকনোলঙ্কা ব্যবহার করা যেতে পারে।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি পেতে চান, তাহলে শুকনোলঙ্কার এই টোটকাটি বাড়িতে প্রয়োগ করে দেখুন। পরপর সাত দিন এই টোটকা প্রয়োগ করলে আপনার অর্থনৈতিক সংকট একেবারে দূর হয়ে যাবে। অর্থনৈতিক সংকট দূর করার জন্য বালিশের নিচে শুতে যাওয়ার সময় সাতটি শুকনোলঙ্কা রেখে দিতে পারেন। এতে আপনার অর্থনৈতিক সংকট দূর হবে। পাশাপাশি আপনি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে থাকবেন।অর্থনৈতিক সংকট দূর করতে প্রতি বৃহস্পতিবার সাতটি শুকনোলঙ্কা একটি সাদা কাপড়ের মধ্যে জড়িয়ে এরপরে এই কাপড়টি মা লক্ষ্মীর সামনে রেখে দিতে হবে। আর মনে করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেবেলা লক্ষ্মীর পাঁচালী অবশ্যই পড়তে হবে।

এইভাবে যদি শুকনোলঙ্কার ঘরোয়া টোটকা নিয়মিত প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি তো আসবেই। শুধু তাই নয়, আপনি অনেক বেশি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ সবল থাকতে পারবেন।

Categories
লাইফ স্টাইল

Lifestyle: রান্নাঘরের এই তিনটি উপকরণেই দূর হবে দাম্পত্য কলহ থেকে শারীরিক সমস্যা

আমাদের রান্নাঘরে যে শুধুমাত্র পেট পুজো হয় এমনটা নয়। এই রান্নাঘরেই লুকিয়ে আছে এমন অনেক সামগ্রী যা আপনার জীবনের বড় বড় সমস্যার সমাধান করে দিতে সক্ষম। অবাক হচ্ছেন তো? কথাটা ভুল নয়। বাস্তুবিদরা মনে করেন, রান্না ঘরে থাকা কয়েকটি ছোটখাট জিনিস আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে। যেমন তেজপাতা, লবঙ্গ আর নুন এই তিন বস্তু করতে পারে সমস্যার সমাধান। কীভাবে? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

১) তেজপাতা – অমাবস্যার পরেরদিন থেকে পূর্ণিমার দিন পর্যন্ত প্রতিদিন আপনাকে এই কাজটা করতে হবে। তেজপাতা নিয়ে তার ওপরে চন্দন দিয়ে আপনার মনের ইচ্ছে লিখতে হবে প্রত্যেকদিন। এই তেজপাতাগুলোকে এক জায়গায় জমিয়ে রাখতে হবে। তারপরে পূর্ণিমার পরের দিন এগুলোকে একসঙ্গে পুড়িয়ে দিতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি করলে আপনার জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে।

২) লবঙ্গ – যদি আর্থিক সমস্যা ও সাংসারিক কলহ দূর করতে চান তবে একটি কাঁচের পাত্রের মধ্যে বেশ কয়েকটা লবঙ্গ নিয়ে ঘরের এক কোণে রেখে দিতে পারেন। এটি যদি আপনি নিয়ম করে করতে পারেন, তাহলে সাংসারিক কলহ একেবারে দূর হয়ে যাবে। তবে প্রত্যেক মাসে বাটির লবঙ্গ আপনাকে বদলাতে হবে।

৩) নুন- বাস্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ঘরের কোণে একটা বাটিতে একটু নুন রেখে দিতে পারেন। এটি আপনার গৃহে পজিটিভ এনার্জিকে অনেকাংশে টেনে আনতে পারে। তবে মাঝেমধ্যেই বাটির নুন আপনাকে বদল করতে হবে। বাথরুমের মধ্যে ছোট্ট একটা কাঁচের বাটিতে নুন রেখে দিতে পারেন। কারণ আমাদের ঘরের মধ্যে বাথরুমের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেগেটিভ এনার্জি থাকে।

তাহলে আর দেরী কেন! জীবনের সমস্যাগুলির চটজলদি সমাধান করে ফেলুন রান্নাঘরের মশলাপাতি দিয়ে।