×
Categories
ভাইরাল ভিডিও

জনপ্রিয় হিন্দি গানে প্রকাশ্যে রাস্তায় তুমুল নাচ মিঠাই ও তোর্সার, ভাইরাল ভিডিও

পর্দায় তাঁরা একে অপরের চিরশত্রু। একজন অপরজনের বিরুদ্ধে সর্বদা ষড়যন্ত্র করতে ওস্তাদ। কথা হচ্ছে জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিঠাই’-এর (Mithai)। এবার রাস্তার ধারে একসাথে হাসিমুখে রিল ভিডিও করতে দেখা গেলেও মিঠাই (Mithai) এবং তোর্সাকে (Torsha)। দুজনের এই ভিডিও দেখে শোরগোল পড়ে গিয়েছে নেট মাধ্যমে। আদতে যে তাঁরা কত ভাল বন্ধু তা প্রকাশিত হয়েছে এই ভিডিওর মাধ্যমে।

সবকটি ধারাবাহিককে পিছনে ফেলে একেবারে প্রথম থেকেই শীর্ষে উঠে এসেছে ‘মিঠাই’। ধারাবাহিকে নতুন নতুন চমক দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন দর্শকরা। মিঠাই রানীকে যতটা তারা পছন্দ করেন ঠিক ততটাই অপছন্দ কুটনি তোর্সাকে। আসরে প্রিয় বন্ধু সিদ্ধার্থের (Siddhartha) স্ত্রী হিসেবে কিছুতেই মিঠাইকে মেনে নিতে পারেনা তোর্সা। এখন মিঠাইকে জব্দ করতে সিডের দাদা তথা সোমকে (Som) বিয়ে করেছে তোর্সা। সম্পর্কে তোর্সা মিঠাইয়ের বড় জা। মিঠাইকে প্রতি পদে অপমান করতে ব্যস্ত হয়ে থাকে সে।

এবারে পর্দার বাইরে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা গেল। টিভিপর্দায় তাঁদের সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায় হলেও বাইরে তাঁরা একে অপরের ভীষণ ভালো বন্ধু। অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডু (Soumitrisha Kundu) ও তন্বী লাহা রায় (Tonni Laha Roy)। রিল ভিডিওর প্রতি মিঠাই রানীর আসক্তির কথা সবার জানা। কখনো আদৃত কখনো ঐন্দ্রিলা আবার ধ্রুবর সঙ্গে জুটি বাঁধেন সৌমিতৃষা। এবার তোর্সার সাথে “ধাগে রে মান কা হে” গানের সঙ্গে নাচ করতে দেখা গেলেও রাস্তায়। তাঁরা দুজনেই শুটিং কস্টিউম পরে রয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে শুটিংয়ের ফাঁকে একটু মজা করতে ব্যস্ত দুই অভিনেত্রী।

এই দুজনকে একসাথে দেখে বেশ আপ্লুত নেটিজেন। ভেসে এসেছে মজার মজার মন্তব্য, ‘তোমরা দুজন এভাবেই বন্ধুত্বের সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে যাও।’ কেউ কেউ আবার লিখেছেন, ‘পর্দায় তোমাকে এত হেনস্থা করে তাও তুমি তোর্সাকে এত ভালোবাসো মিঠাই!

Categories
Featured

সেরা নায়িকার শিরোপা পেল ‘মিঠাই রানী’, মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আপ্লুত সৌমিতৃষা

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল ‘মিঠাই’ (Mithai)। গত বছরের শুরুর দিকে পর্দায় এসেছিল সৌমিতৃষা ও আদৃতের (Soumitrisha-Adrit) এই জুটি। তারপর থেকে একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে চলেছে তাঁরা সহ গোটা টিম। ৪৩ সপ্তাহ ধরে সবার শীর্ষে ছিল এই ধারাবাহিক। ৪৪ সপ্তাহ থেকে খানিকটা খেই হারিয়েছে ধারাবাহিক। যদিও জনপ্রিয়তা কমেনি কোনোভাবেই।

এখনও ‘মিঠাই’ (Mithai) প্রেমী দর্শকরা রাত ৮ টা বাজলেই তুফান মেলকে দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন টিভির পর্দায়। তাঁর অভিনয় দক্ষতা মুগ্ধ করেছে সকলকে। প্রথমে একটি ব্রান্ডের হয়ে মডেলিং করেন। আর তাঁর মাধ্যমেই তিনি গ্ল্যামার জগতে পা রাখেন। আর তারপর ‘এ আমার গুরুদক্ষিণা’ নামের সিরিয়ালে নেগেটিভ চরিত্রে তাঁর অভিনয় নজর কাড়ে দর্শকদের।

এরপর আরও বেশ কয়েকটি ধারাবাহিকে অভিনয় করার পরই ‘মিঠাই’ ধারাবাহিক দিয়ে নজর কাড়েন নেটিজেনদের। সম্প্রতি ‘টেলি একাডেমি আওয়ার্ড ২০২২’ র সেরা অভিনেত্রীর শিরোপা পেয়েছেন সৌমিতৃষা (Soumitrisha Kundoo)। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির (Mamata Bannerjee) হাত থেকে এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আপ্লুত পর্দার মিঠাই রানী। আর সেই ছবিই অভিনেত্রী তুলে ধরেন ফেসবুক হ্যান্ডেলে।

অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার পর সৌমিতৃষাকে (Soumitrisha Kundoo) জড়িয়েও ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। ছবি শেয়ার করে সৌমিতৃষা ক্যাপশনে লেখেন যে-‘ইটস অ্যান ওনার রিসিভিং দিস প্রেস্টিজিয়াস অ্যাওয়ার্ড ‘বেস্ট অ্যাক্ট্রেস’ ফ্রম আওয়ার ভেরি ওন ওনারেবেল সিএম মমতা ব্যানার্জি’। টেলি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড ২০২২ ‘বেস্ট এক্টরেস’ ক্যাটাগরি। ছবি শেয়ার করার মূহুর্তেই একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তায় ভরেছে অভিনেত্রীর কমেন্ট বক্স।

Categories
ভিডিও

শুরু হতে চলেছেন উমার খেলা, ক্রিকেটের ময়দান ছেড়ে মন দেবেন সংসারের ব্যাটিং-এ

একের পর এক মহিলাকেন্দ্রিক গল্প নিয়ে আগাগোড়াই হাজির থেকেছে জি বাংলা। এদের মধ্যে ‘উমা’ ধারাবাহিকটি বেশ অন্যতম। উমা নিজেই পেশায় ক্রিকেটার। একদিকে স্বপ্ন একদিকে সংসার দুদিকেই সামাল দিচ্ছে সে। গড়গড়িয়ে এগিয়ে চলছে তার জীবনের চাকা। এদিকে মাঝেমধ্যেই ঘটে চলছে তার সাংসারিক জীবনে একের পর এক মহাবিপদ। প্রথমে বাবা তারপর আবার স্বামীও। মাথার উপর আবার ভিলেন আলিয়ার খাঁড়ার ঘা তো আছেই।

সব কিছু সামলে, বিপদকে পিছনে ফেলে রুখে দাঁড়াবে উমা। এমনটাই দেখা যাচ্ছে জি বাংলার প্রকাশ করা প্রোমোতে। কিন্তু ক্রিকেট খেলা ছেড়ে দিতে চায় সে। শত বাঁধা ঠেলে মাঠে নেমেও আবার ফিরতি পথে উমা। কিন্তু কেন? আসলে ভেঙে গিয়েছে তার মন। বাবাকে হারানোর পর এবার স্বামী অভিমন্যুর উপর হামলা, মেনে নিতে পারছেনা সে। তার মতে, স্ত্রীর ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করতে গিয়েই বিপদে পড়েছে অভিমন্যু। এখানেই ঘটে গল্পের ট্যুইস্ট।

অভিমন্যু কিন্ত বেশ রেগে গিয়েছেন উমার মাঠ ছেড়ে চলে আসার সিদ্ধান্তে। উমাকে শুনিয়ে বলেও দিয়েছেন, “ক্রিকেট খেলা যাকে তাকে দিয়ে হয়না।” এদিকে দম্পতির ঝামেলা দেখে আলিয়া তো বকবক খুশি, “ক্রিকেটও গেল, অভিও গেল।” আলিয়া ভাবছে এবার হয়ত অভিকে বিয়ে করে নেবে সে। কিন্তু বিয়ে তো কোন ছাড়, অভির ধারেকাছে গিয়ে দেখুক না আলিয়া, মজা দেখিয়ে দেবে দাপুটে উমা। উমার ভাষায়, “ মাঠ ছেড়ে পালানোর মেয়ে উমা নয় আলিয়া ম্যাডাম। আমি ক্রিকেট ছাড়ব বলেছি, সংসার ছাড়ব তো বলিনি।”

প্রসঙ্গত, এবার শুরু হবে উমারাণীর সংসারে টিকে থাকার ব্যাটিং। ছক্কা হাঁকাবে এক্কেবারে। সবই ঠিক, কিন্তু সত্যিই কি আর ক্রিকেট খেলবেনা উমা? অনুরাগীদের তো মাথায় হাত। এদিকে বেশ সপ্তাহেই উমার রেটিং একটু নেমেও গিয়েছে। এই ক্রিকেট ছাড়ার প্রশ্নে টিআরপি আরও না নেমে যায়। এমনটাই আশঙ্কা দর্শকের। কেউ কেউ অবশ্য আশায় বুক বেঁধেছেন, অভি নিশ্চয়ই আবার মানিয়ে নেবে বউকে। আবার খেলবে উমা। কিন্ত ওই টুকুসটুকুস প্রেমের বদলে সত্যিকারের প্রেমটা কবে দেখবে দর্শক। ভেবেই ফতুর তাঁরা।

Categories
বিনোদন

রিনির পর ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ ধারাবাহিক থেকে বিদায় নিলেন মিমি, মন খারাপ দর্শকদের

অসুখের কবলে জি বাংলার ‘এই পথ যদি না শেষ হয়।’ একের পর এক চরিত্ররা পথ হারাচ্ছেন এখানে। প্রথমে রিনি এখন আবার মিমি। জানা গিয়েছে ধারাবাহিকের মতো বাস্তবেও এই দুজন কাছের বন্ধু। তবে কি বন্ধু চলে যাওয়ায় মিমিও চান না থাকতে। অনুরাগীরা যে তাঁকে আটকাবেন তাও তো সম্ভব নয়, ইতিমধ্যে নিজের চলে যাওয়ার ঘোষণাটা সেরেও ফেলেছেন মিমি ওরফে তনুশ্রী সাহা “মিমি চরিত্রে আমার পথ চলা এখানেই শেষ হলো।” শোরগোল পড়ে গিয়েছে, “তাহলে কি অভিনয় জগৎ থেকেই বিরতি নিচ্ছেন তনুশ্রী।”

একদমই না। অভিনয় থেকে মিশমির মতো তনুশ্রী সরে দাঁড়াচ্ছেন না। কালার্স বাংলার ‘বসন্ত বিলাস মেসবাড়ি’ ধারাবাহিটির একটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তনুশ্রী সাহা। এক সাথে একাধিক ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়া তো বেশ কঠিন। তাই ডেট ইস্যু চলছিল অনেকদিন ধরেই। সমস্যার মুখেও পড়তে হয়েছে বারংবার। সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। পোস্ট করে সবার প্রথমে তিনি কিন্তু ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরিচালক স্বর্ণেন্দু সামাদ্দারকেই। মিমির ভাষায়, “এত মানুষের ভালোবাসা এত সবকিছু তোমার জন্যই পেয়েছি। তুমি ভরসা করে অডিশনে ডেকেছিলে তার জন্যই এত্ত কিছু পেয়েছি স্যার।”

ছেড়ে যাওয়ার সময়ে মনটা কিন্ত বেশ ভারাক্রান্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রীর। লেখনির ধাঁচ দেখেই তা বেশ বোঝা গিয়েছে। “পরিবার ছিলাম, পরিবারই থাকব আমরা। সবাইকে খুব মিস করবো। মেকআপ রুমে জমিয়ে আড্ডা, মেকআপ রুমে সবার সঙ্গে রিলস বানানো, একসঙ্গে বসে খাওয়া দাওয়া, নিজের বসার জায়গা, শুটিং ফ্লোর, মানুষি সিনহাদির কড়া শাসন সবকিছুই।” রিল লাইফের মা স্মৃতিকা মজুমদারকেও দুঃখ পেতে বারণ করলেন তিনি। শেষমেষ একটি রাগের ইমোজি দিয়ে আবেগ ভরে লিখেছেন, আমরা জায়গা যেন আমারই থাকে।”

বলা বাহুল্য, দর্শক বা অনুরাগীদেরও কিন্তু ভালোবাসা জানাতে ভোলেননি তনুশ্রী। “অসংখ্য ধন্যবাদ দর্শক। তোমরা আমার কাছে সবসময়ই বিশেষ। কত্ত ভালোবাসা দিয়েছো আমাকে। এই ভাবেই পাশে থেকো প্রতিটা দিন। তোমরাই আমার শক্তি।” বোধ হয় চোখ জলে ভরে উঠেছিল দর্শকদেরও। তাই তো অভিনেত্রীর কমেন্ট বক্সে কান্নার ইমোজি দিয়েই নিজেদের অনুভূতি এঁকে দিয়েছেন তাঁরা। অভিনেত্রীর পোস্ট করা ছবিটিতেও দেখা যাচ্ছিল, এক সাথে ঘিরে ধরেছেন সবাই তনুশ্রীকে। জোর করে হাসার চেষ্টা চলছে কিন্তু সম্ভবপর হচ্ছেনা।

Categories
ভাইরাল ভিডিও

‘কজরা রে’ গানে সেক্সি ঠুমকা লাগালেন ‘রাণীমা’ দিতিপ্রিয়া, রইল ভিডিও

গত কয়েক সপ্তাহ আগে সমাপ্তি ঘটেছে জি বাংলার মাইলফলক সিরিয়াল করুণাময়ী রাণী রাসমনির। যদিও সিরিয়ালটি থেকে রাণীমার বিদায় অনেক মাস আগেই হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্বে কিছু মুহূর্তের জন্য রাণী মাকে দেখতে পেয়েছিলেন দর্শকরা। করুণাময়ী রাণী রাসমণি ধারাবাহিকটির এতগুলো বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও একইরকমভাবে রাণীমা রূপে দর্শকদের মনে রয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়।

তবে আজ রাণীমাকে দেখা গেল একদম অন্য মেজাজে। পরিবারের সঙ্গে একটি বিয়ের সংগীতানুষ্ঠানে নিজের রাণীমার ইমেজ থেকে বেরিয়ে খোশমেজাজে নাচ এবং গানে মাতলেন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়। ইতিমধ্যে তার পোস্ট করা একটি ইনস্টাগ্রাম রিল ভাইরাল হতে দেখা যায়। যেখানে তিনি নিজের স্বমহিমায় কোমর দুলিয়ে নেচে চলেছেন কজরা রে গানে। পরনে তার ডিজাইনার কালো ব্লাউজ এবং জমকালো গোলাপি দীর্ঘ স্কার্ট। সংগীতানুষ্ঠানের বিশেষ সাজে অপূর্ব সুন্দরী হয়ে উঠেছেন দর্শকপ্রিয় রাণীমা।

গত কয়েক সপ্তাহ আগে সমাপ্তি ঘটেছে জি বাংলার মাইলফলক সিরিয়াল করুণাময়ী রাণী রাসমনির। যদিও সিরিয়ালটি থেকে রাণীমার বিদায় অনেক মাস আগেই হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্বে কিছু মুহূর্তের জন্য রাণী মাকে দেখতে পেয়েছিলেন দর্শকরা। করুণাময়ী রাণী রাসমণি ধারাবাহিকটির এতগুলো বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও একইরকমভাবে রাণীমা রূপে দর্শকদের মনে রয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়।

তবে আজ রাণীমাকে দেখা গেল একদম অন্য মেজাজে। পরিবারের সঙ্গে একটি বিয়ের সংগীতানুষ্ঠানে নিজের রাণীমার ইমেজ থেকে বেরিয়ে খোশমেজাজে নাচ এবং গানে মাতলেন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়। ইতিমধ্যে তার পোস্ট করা একটি ইনস্টাগ্রাম রিল ভাইরাল হতে দেখা যায়। যেখানে তিনি নিজের স্বমহিমায় কোমর দুলিয়ে নেচে চলেছেন কজরা রে গানে। পরনে তার ডিজাইনার কালো ব্লাউজ এবং জমকালো গোলাপি দীর্ঘ স্কার্ট। সংগীতানুষ্ঠানের বিশেষ সাজে অপূর্ব সুন্দরী হয়ে উঠেছেন দর্শকপ্রিয় রাণীমা।

বর্তমানে সিরিয়ালে ফিরতে চান না রাণীমা। ‘অভিযাত্রিক’-র পর তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল জয়দীপ মুখার্জির ‘রুদ্রবীণার অভিশাপ’ সিরিজে। বর্তমানে রাণীমা ব্যস্ত প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এর সাথে ‘আয় খুকু আয়’ সিনেমার শুটিংয়ে।

Categories
ভাইরাল

‘এঁনারা ভারতীয় সুরের জগতের গর্ব’, দাদাগিরির মঞ্চে শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রয়াত তাজি ও সন্ধ্যা দেবীকে

ভারতের দুই শ্রেষ্ঠ সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর এবং আশা ভোঁসলে, মহাশূন্যে বিলীন হয়ে গিয়েছেন। তাঁদের সুর থেকে গিয়েছে মানব জীবনের অন্তরে। প্রতি মুহূর্তে তাঁদের সুর ও তালকে ঘিরে স্মৃতিচারণ, শ্রদ্ধাঞ্জলী চলতেই থাকছে। দাদাগিরির মঞ্চ জুড়েও অনুষ্ঠিত হবে লতা-সন্ধ্যার সুরের সমাহার। জি বাংলা কর্তৃপক্ষ এই বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি সন্ধ্যার নাম রেখেছে, ‘সুরের জগতের নক্ষত্রদের শ্রদ্ধাঞ্জলী।’ শ্যুটিং ইতিমধ্যে শেষওই সুর সন্ধ্যার সাক্ষী হতে উৎসুক হয়ে রয়েছে দর্শকমহল।

প্রোমো প্রকাশ হয়েছে ইতিমধ্যেই। দাদাগিরির মঞ্চে ফুলের মালা দিয়ে সাজানো ছিল লতাজি এবং সন্ধ্যা দেবীর ছবি। এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, অরুন্ধতী হোম চৌধুরী ও হৈমন্তী শুক্লা সহ বেশ কিছু স্বনামধন্য গুণী শিল্পী। জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী শ্রাবণী সেনও নজরে পড়লেন। সবার সুরে সুরে শুরু হলো স্মরণসভা। সৌরভ গাঙ্গুলীর ভাষায়, “এনারা ছিলেন ভারতীয় সুরের জগতের ইতিহাস, ঐতিহ্য, গর্ব।” স্মৃতিচারণ করলেন মঞ্চে উপস্থিত প্রত্যেক বিশিষ্টজন।

‘চঞ্চল মন আনমনা হয় যেই তার ছোঁয়া লাগে’ গেয়ে উঠলেন অরুন্ধতী হোম চৌধুরী। কি অপরূপ সুর। তবুও যেন কোথাও খামতি রয়ে যাচ্ছে। নিজেই বলে বসলেন। লতাজির কণ্ঠে এই অপরূপ বাংলা গান বাঙালির জগতে মিলেমিশে গিয়েছিল একেবারে। এরপরেই গেয়ে উঠলেন হৈমন্তী শুক্লা, “ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা।” ধন্য হয়ে গেল কান। সন্ধ্যা দেবীর কণ্ঠে এই গান কি অপরূপটাই না শোনায়। গান শেষে হৈমন্তী শুক্লা নিজেই বললেন, “এইসব স্মৃতিগুলো গায়ে কাঁটা দেয় রে।” সৌরভও সম্মতি দিলেন তাঁর কথায়, “বাঙালি এইসব গান কোনোদিন ভুলবেনা।”

বলা বাহুল্য, বাঙালির জীবনে এইসব গান এক অতুলনীয় ছাপ রেখে যাবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রেখে যাবে। প্রোমোটি পেয়ে দর্শক তো বলে বসেছেন, “কবে আসবে পুরো এপিসোড।” কেউ কেউ আবার অল্প দুঃখিত বোধও করেছেন আর এক বাঙালি কিংবদন্তি বাপ্পি লাহিড়ীর কথা ভেবে। প্রশ্ন তাঁর স্মরণ সভা কেন হলো না? নেটিজনের এক অংশের মতে হয়ত অনেক আগেই এই স্মরণ সভার শ্যুটিং সম্পন্ন হয়েছে। তখনও বাপ্পি দা আমাদের ছেড়ে যাননি। তাই কিছুদিন পরেই বাপ্পি দার স্মরণেও নতুন এপিসোড আসবে।

Categories
Featured

টিআরপির তালিকায় ব্যাপক রদবদল, গাঁটছড়া ঝড়ে তলিয়ে গেল মিঠাই

আবারও বেঙ্গল টপার গাঁটছড়া। ঋদ্ধি-খড়ির মন কষাকষি বেশ মনে ধরেছে বাংলার দর্শকের। এদিকে মন-ফাগুনকে কিন্তু নিজের জায়গা থেকে এক পাও নড়তে দেয়নি ঋষি-পিহুর বাড়তে থাকা প্রেম। ওদিকে মিঠাই ভক্তদের জন্য হাজির দারুন সুখবর। এক লাফে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় স্থানে এসে পিহুদের ঘাড়ে নিঃস্বাস ফেলতে দেখা গেল মিঠাইকে। ধূলোকণা একটু এগোলেও সহচরীরা পিছিয়ে পড়ছে। নতুন আসা অনুরাগের ছোঁয়াও জায়গা ছাড়েনি। লক্ষী কাকিমা রয়ে গিয়েছেন আশেপাশে। প্রথম সপ্তাহেই বাজিমাত করতে পারেনি ‘লক্ষী কাকিমা সুপারস্টার’।

খুকুমণি ও পিলুর কিন্তু অবস্থা বেশ খারাপ। ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে পিলুদের রেটিং। আগের সপ্তাহে ৮ নম্বরে ছিল কিন্তু এ সপ্তাহে প্রথম সারির একদম শেষ স্থানে এসে দাঁড়িয়েছে দুই মেগা। এদিকে অপুদেরও খোঁজ নেই সেরা দশে। এ সপ্তাহে একেবারে ১৫তম হয়ে দাঁড়িয়েছে অপরাজিতা অপু। ক্রমাগত দাদাগিরি আর সুপার সিঙ্গারের লড়াই চলতেই থাকে। যে সপ্তাহে এগিয়ে এল দাদাগিরি। দুর্ভাগ্যবশত আগাগোড়ার মতোই তলানিতে পড়ে রয়েছে সুদীপা পরিচালিত রান্নাঘর। আসুন দেখে নেওয়া যাক কে কত স্কোর করল।

১. গাঁটছড়া – ১০.২
২. মনফাগুন ও মিঠাই – ৯.৪
৩. আলতাফড়িং – ৯.৩
৪. ধুলোকণা – ৯.০
৫. আয় তবে সহচরী – ৮.৮
৬. অনুরাগের ছোঁয়া – ৮.১
৭. লক্ষী কাকিমা সুপারস্টার – ৭.৯
৮. উমা – ৭.৬
৯. খুকুমনি হোম ডেলিভারি – ৭.৪
১০. পিলু – ৭.২

১১. যমুনা ঢাকি – ৭.১
১২. সর্বজয়া ও এই পথ যদি না শেষ হয় – ৬.২
১৩.খেলাঘর – ৫.৭
১৪. কড়িখেলা – ৫.২
১৫. অপরাজিতা অপু – ৪.৮
১৬. গ্রামের রানি বীনাপানি – ৩.৫
১৭. বরণ – ৩.৪
১৮. জীবন সাথী – ৩.০
১৯. জয় গোপাল – ২.৪
২০. মঙ্গলময়ী সন্তুষী মা – ২.৩
২১. ফেলনা- ২.১

রিয়্যালিটি শো

১. দাদাগিরি – ৫.৭.
২. সুপার সিঙ্গার – ৫.৫
৩. দিদি নাম্বার- ৪.২
৪. রান্নাঘর – ১.৩

Categories
ভাইরাল ভিডিও

মাথা যন্ত্রণায় ছটপট করছে মিঠাই, মাঝরাতে স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে ধরল উচ্ছেবাবু, রইল ভিডিও

টিআরপিতে নিজেদের জায়গা ফিরিয়ে আনতে ধুন্ধুমার ‘মিঠাই’-এর (Mithai) একেকটি পর্ব। পাহাড় থেকে এসেই বৌকে বুকে জড়িয়ে তাঁর সমস্ত ব্যথা দূর করে দিলো সিদ্ধার্থ! মিঠাইও স্বামীর এহেন আদর-ভালোবাসা দেখে নিজের ‘ডিরিম’ থেকে বেরোতেই পারছেন না! আপাতত পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে মিঠাইয়ের উপর নিজের সমস্ত অনুভূতি উজাড় করে দিয়েছেন সিদ্ধার্থ।

দর্শকরা যে দৃশ্য দেখার জন্যে দীর্ঘ একবছর অপেক্ষা করছিল, তারই অবসান করে দিন কয়েক আগেই সিদ্ধার্থ মিঠাইকে ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন। পাহাড়ের কোলেই বউকে জড়িয়ে ধরে এক্কেবারে জাদু কি ঝাপ্পি দিয়েছেন সিদ্ধার্থ।

সুতরাং মিঠাই পরিবারে এখন চলছে প্রেমের মরসুম। পাহাড় থেকে ফিরেও বউকে যেন চোখে হারাচ্ছে সিদ্ধার্থ। আর মিঠাইও যেন এখনও ‘ডিরিম’ দেখছেন। সম্প্রতি মিঠাই এপিসোডের আরও একটি প্রোমো ভিডিও ভাইরাল হল নেটদুনিয়ায়।

যেখানে দেখা যাচ্ছে, সারাদিন কাজ করে ক্লান্ত মিঠাই স্বামীর পাশে শুয়ে মাথা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। আর বৌয়ের এহেন অস্থিরতা দেখে ঘুম উড়েছে স্বামী সিদ্ধানন্দের। তখনই সে তাঁর তুফানমেলকে বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করে স্ত্রীর সামান্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি করার চেষ্টা করলেন।

আর মিঠাই স্বামীর এহেন আদর দেখে কেঁদে ভাসাতে থাকে। সে মনে মনে ভাবতে থাকে, এরকম সুখও তাঁর ভাগ্যে ছিল, এটি স্বপ্ন নয়তো! কারণ তাঁর স্বামী বরাবরই রুক্ষ মেজাজের ছিল, তাঁর প্রেম ভালোবাসার প্রতি কোনও বিশ্বাসই ছিল না কোনোদিন। সেই মানুষটির মনই মিঠাই তাঁর ভালবাসা দিয়ে জয় করে নিয়েছেন। এটা ভাগ্য ছাড়া আর কিই বা হতে পারে তাই না!

Categories
ভাইরাল ভিডিও

দাদাগিরির মঞ্চে সুর সন্ধ্যা, প্রয়াত লতাজি ও সন্ধ্যা দেবীর স্মরণে বিশেষ আসর

ভারতের দুই শ্রেষ্ঠ সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর এবং আশা ভোঁসলে, মহাশূন্যে বিলীন হয়ে গিয়েছেন। তাঁদের সুর থেকে গিয়েছে মানব জীবনের অন্তরে। প্রতি মুহূর্তে তাঁদের সুর ও তালকে ঘিরে স্মৃতিচারণ, শ্রদ্ধাঞ্জলী চলতেই থাকছে। দাদাগিরির মঞ্চ জুড়েও অনুষ্ঠিত হবে লতা-সন্ধ্যার সুরের সমাহার। জি বাংলা কর্তৃপক্ষ এই বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি সন্ধ্যার নাম রেখেছে, ‘সুরের জগতের নক্ষত্রদের শ্রদ্ধাঞ্জলী।’ শ্যুটিং ইতিমধ্যে শেষওই সুর সন্ধ্যার সাক্ষী হতে উৎসুক হয়ে রয়েছে দর্শকমহল।

প্রোমো প্রকাশ হয়েছে ইতিমধ্যেই। দাদাগিরির মঞ্চে ফুলের মালা দিয়ে সাজানো ছিল লতাজি এবং সন্ধ্যা দেবীর ছবি। এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, অরুন্ধতী হোম চৌধুরী ও হৈমন্তী শুক্লা সহ বেশ কিছু স্বনামধন্য গুণী শিল্পী। জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী শ্রাবণী সেনও নজরে পড়লেন। সবার সুরে সুরে শুরু হলো স্মরণসভা। সৌরভ গাঙ্গুলীর ভাষায়, “এনারা ছিলেন ভারতীয় সুরের জগতের ইতিহাস, ঐতিহ্য, গর্ব।” স্মৃতিচারণ করলেন মঞ্চে উপস্থিত প্রত্যেক বিশিষ্টজন।

‘চঞ্চল মন আনমনা হয় যেই তার ছোঁয়া লাগে’ গেয়ে উঠলেন অরুন্ধতী হোম চৌধুরী। কি অপরূপ সুর। তবুও যেন কোথাও খামতি রয়ে যাচ্ছে। নিজেই বলে বসলেন। লতাজির কণ্ঠে এই অপরূপ বাংলা গান বাঙালির জগতে মিলেমিশে গিয়েছিল একেবারে। এরপরেই গেয়ে উঠলেন হৈমন্তী শুক্লা, “ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা।” ধন্য হয়ে গেল কান। সন্ধ্যা দেবীর কণ্ঠে এই গান কি অপরূপটাই না শোনায়। গান শেষে হৈমন্তী শুক্লা নিজেই বললেন, “এইসব স্মৃতিগুলো গায়ে কাঁটা দেয় রে।” সৌরভও সম্মতি দিলেন তাঁর কথায়, “বাঙালি এইসব গান কোনোদিন ভুলবেনা।”

বলা বাহুল্য, বাঙালির জীবনে এইসব গান এক অতুলনীয় ছাপ রেখে যাবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রেখে যাবে। প্রোমোটি পেয়ে দর্শক তো বলে বসেছেন, “কবে আসবে পুরো এপিসোড।” কেউ কেউ আবার অল্প দুঃখিত বোধও করেছেন আর এক বাঙালি কিংবদন্তি বাপ্পি লাহিড়ীর কথা ভেবে। প্রশ্ন তাঁর স্মরণ সভা কেন হলো না? নেটিজনের এক অংশের মতে হয়ত অনেক আগেই এই স্মরণ সভার শ্যুটিং সম্পন্ন হয়েছে। তখনও বাপ্পি দা আমাদের ছেড়ে যাননি। তাই কিছুদিন পরেই বাপ্পি দার স্মরণেও নতুন এপিসোড আসবে।

Categories
ভাইরাল ভিডিও

রঞ্জা নয়, গুরুজীর সম্মান বাঁচাতে পিলুকেই বিয়ে করবে আহির! প্রোমো প্রকাশ্যে হতেই তুমুল উত্তেজনা দর্শকমহলে

বাংলা সিরিয়ালগুলিতে যাকে বলে একেবারে ধুন্ধুমার পর্ব চলছে। টিআরপি-র লড়াইয়ে জিততে কেউ অস্ত্র হিসেবে বেছে নিচ্ছে বিয়ে, কেউ হানিমুন, তো আবার কেউ দ্বিরাগমন। চলতি বছরের শুরুর দিকে জি বাংলা (Zee Bangla)-র পর্দায় পথচলা শুরু করেছিল ধারাবাহিক পিলু (Pilu)। খুব কম সময়েই দর্শকদের পছন্দের সিরিয়াল হয়ে উঠেছে পিলু।

যদিও আহিরের ছোড়া মালা উড়ে এসে পিলুর গলায় পরে বিয়ে হয়ে যাওয়ার কনসেপ্ট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল হয়েছিল এই ধারাবাহিক। আগের সপ্তাহে টিআরপি তালিকাতেও ফলাফল তেমন ভালো ছিল না। তাই ঘুরে দাঁড়াতে এইবার বিয়েকে অস্ত্র করছে নির্মাতারা। ‘মহা পরিণয়’ সপ্তাহের প্রোমো ইতিমধ্যেই চ্যানেল কর্তৃপক্ষ শেয়ার করে ফেলেছেন।

আর তা দেখে দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনার সীমা নেই। রঞ্জার সঙ্গে বিয়ে হতে চলেছে আহিরের। কিন্তু বিয়ের মণ্ডপে আহিরের বাবা বলে – ‘এতো স্বার্থপর তুমি আদিত্য নারায়ন! নিজের মেয়ের জন্য একটা গরীব বাড়ির মেয়েকে ঠকাচ্ছো। আহিরের বিয়ে পিলুর সঙ্গে হয়ে গেছে’।

তখনই আহির (Ahir) বলে – ‘ব্যাস, গুরুজীর সম্মান নিয়ে আমি কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবো না’। এই বলে পিলুর বিয়ের মণ্ডপে নিয়ে গিয়ে সিঁদুর পরিয়ে দেয় আহির। ওদিক থেকে রঞ্জা লাল বেনারসিতে কনে সেজে এসে দেখে আহির পিলুর সিঁথিতে সিঁদুর পরাচ্ছে। তখন রঞ্জা (Ranja) বলে – ‘আহির! এটা তুমি কি করছো’।

অন্যদিকে পিলু (Pilu) আহিরকে বলে – ‘এমনটা করবেন না। আমি এখান থেকে চলে যাবো’। কিন্তু আহির কোনো কথা শোনে না পিলুর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয়। আর বলে – ‘অনেক দেরি হয়ে গেছে। এইভাবে সবকিছু শেষ করে দিয়ে তুমি চলে যেতে পারো না’। এইবার আহির ও পিলুর (Ahir-Pilu) দাম্পত্য কোন সুরে বাজবে তা দেখার জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শকরা।