Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে পটলের ভর্তা বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, গরম ভাতের সাথে জাস্ট জমে যাবে

পটল একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং উপাদেয় সবজি। ডালের সাথে পটল ভাজা বাঙালির প্রিয় পদের মধ্যে অন্যতম। তবে পটলের অন্যান্য পদও বাঙালির খুব প্রিয়। পটলের ভর্তা তার মধ্যে অন্যতম। গরম ভাতের সাথে এই সুস্বাদু পদটি দুপুরে কিংবা রাতের খাওয়ার জন্য একেবারে আদর্শ। পটলের একঘেঁয়ে পদ থেকে এই পদটি অনেকটাই আলাদা।

উপকরণ :
১. পটল
২. জল
৩. সর্ষের তেল
৪. শুকনো লঙ্কা
৫. কালোজিরে
৬. রসুন
৭. কাঁচালঙ্কা
৮. পেয়াঁজ
৯. হলুদ গুঁড়ো
১০. লাল লংকার গুঁড়ো
১১. নুন
১২. চিনি

প্রণালী :
এই প্রথমে ৫০০ গ্রাম পটলকে ভাল করে ধুয়ে একটু খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। যেহেতু পটলের খোসার মধ্যেও খাদ্যগুণ বর্তমান সেইকারণে সমস্ত খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া উচিত হবে না। এর পরে পটলগুলিকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। একটি কড়াইতে অল্প পরিমাণে জল দিয়ে পটলগুলিকে ভালো করে ভাপিয়ে নিতে হবে। পটল ভাপানো হয়ে গেলে একটি মিক্সিতে ভাপা পটলগুলিকে ভাল করে পেস্ট করে নিতে হবে।

কড়াইতে পরিমাণমতো তেল দিয়ে ভালো করে গরম করতে নিতে হবে। তেল ভালো করে গরম হয়ে গেলে দিয়ে দিতে হবে অল্প পরিমাণে কালোজিরে এবং ৩ থেকে ৪টি শুকনো লঙ্কা। শুকনো লঙ্কা কিছুটা ভাজা ভাজা হয়ে গেলে কয়েকটি লঙ্কা তুলে নিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে।

এইবারে তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে আগে থেকে থেঁতো করে রাখা ১০ থেকে ১২ টা রসুন। রসুনের স্বাদ তেলের মধ্যে ভালো করে মিশে গেলে এর মধ্যে দিতে হবে ৩টি কাঁচালঙ্কা এবং ২টি মাঝারি আকারের পেয়াঁজ। সবগুলি ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পরে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে অল্প পরিমাণে হলুদ গুঁড়ো এবং সামান্য লাল লংকার গুঁড়ো। সমস্ত উপকরণকে ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পরে পটলের মিশ্রণটিকে দিয়ে দিতে হবে।

এইবারে মাঝারি আঁচে ভালো করে মিশ্রণটিকে মশলার সাথে নাড়া চাড়া করে নিতে হবে। মিশ্রণটি যত ঘন হয়ে আসবে স্বাদও তত ভালো হবে। এই পর্যায়ে স্বাদমতো নুন এবং চিনি দিয়ে দিতে হবে আর এর সাথে দিয়ে দিতে হবে আগে থেকে আলাদা করে রাখা শুকনো লঙ্কা ভাজা।

এইভাবে ভালো করে ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করে নিলেই সুস্বাদু পটলের ভর্তা পরিবেশনের জন্য তৈরী হয়ে যাবে।

Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে পোস্ত দিয়ে পটলের তরকারি বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, হাত চাটবে আট থেকে আশি, শিখে নিন রেসিপি

রোজ মাছ, মাংস খেয়ে একঘেয়ে হয়ে গেলে স্বাদ বদলাতে নিত্য নতুন খাবার ট্রাই করেন অনেকেই। আজ তাই আলু ও পটলের অসাধারণ স্বাদের নিরামিষ একটি রেসিপি বলবো। এটি হল ‛আলু পটলের পোস্ত’। চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক রেসিপিটি।

উপকরণ:
১.আলু ৪ টি
২.পটল ২৫০ গ্রাম
৩.পেঁয়াজ ১ টি
৪.টমেটো ২ টি
৫.নুন স্বাদমতো
৬.চিনি স্বাদমতো
৭.হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ
৮.রসুন কুচি ২ কোয়া
৯.আদা বাটা ১/২ চা চামচ
১০.কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো ১ চা চামচ
১১.জিরে গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
১২.ধনে গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
১৩.কাঁচালঙ্কা ৬ টি
১৪.পোস্ত ২ টেবিল চামচ
১৫.শুকনোলঙ্কা ১ টি
১৬.সাদা তেল পরিমাণ মত

প্রণালী:

প্রথমেই ৪ টে মাঝারি সাইজের আলু ও পটলকে লম্বা করে কেটে নিতে হবে। এরপর ২৫০ গ্রাম পটলকে সরু ও লম্বা করে কেটে নিতে হবে। তারপর ১ টি পেঁয়াজ ও ২ টো টমেটোকেও কেটে নিতে হবে। এরপর কড়াইতে ১ টেবিল চামচ সাদা তেল গরম করে ১/২ টেবিল চামচ নুন ও ১/৪ টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। তারপর পটল গুলো দিয়ে ৩-৪ মিনিট ভেজে তুলে নিতে হবে।

এরপর কড়াইতে আরও ১ টেবিল চামচ তেল গরম করে আলু গুলোকেও নুন-হলুদ দিয়ে ভেজে তুলে নিতে হবে। তারপর কড়াইতে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে ১ টা শুকনোলঙ্কা ফোড়ন দিয়ে ২ কোয়া রসুন কুচি, ১/২ চা চামচ আদাবাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। তারপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নরম করে ভেজে নিতে হবে। এরপর টমেটো কুচি ও ১/২ চা চামচ নুন, ১ চা চামচ কাশ্মীরি লাল লঙ্কার গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ ধনে গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ জিরে গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে রান্না করে নিতে হবে।

একটি মিক্সিং জারে ২ টেবিল চামচ পোস্ত, ৩ টে কাঁচালঙ্কা ও জল দিয়ে ভালো করে পেস্ট আগেই তৈরি করে নিতে হবে। এরপর বেটে রাখা পোস্ত কড়াইতে দিয়ে ২ মিনিট কষিয়ে নিতে হবে। তারপর ভেজে রাখা আলু ও পটল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। এরপর কিছুটা জল, স্বাদমতো নুন, চিনি, ৩ টে চেরা কাঁচালঙ্কা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট রান্না করতে হবে। তারপর ঢাকনা খুলে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিলেই একেবারে তৈরি দুরন্ত স্বাদের আলু ও পটলের পোস্ত।

Categories
লাইফ স্টাইল

আলু ও পটল দিয়ে এইভাবে তরকারি বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, জমে যাবে ভাত কিংবা রুটির সাথে

রোজকার রান্নায় যদি আনা যায় নতুনত্বের স্বাদ তাহলে সবাই খুশি। তা নাহলে একঘেয়ে রান্নায় অরুচি হয়ে যায়। তাই পটলের একটা দূরন্ত স্বাদের একটি রেসিপি আজ বলব। যা ভাত, রুটি দুই দিয়েই খাওয়া যায়। আসুন, দেখে নিই রেসিপিটি।

১.পটল ৫ টি
২.নুন স্বাদমতো
৩.হলুদগুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
৪.লঙ্কাগুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
৫.আদাবাটা ১ টেবিল চামচ
৬.জিরেগুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
৭.ধনেগুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
৮.সেদ্ধ আলু ২ টি
৯.বেসন ৪ টেবিল চামচ
১০.টমেটো ১ টি
১১.কাঁচালঙ্কা ২ টি চেরা
১২.চিনেবাদামবাটা ১-২ টেবিল চামচ
১৩.গরম মসলা ১/২ চা চামচ
১৪.ঘি ১ টেবিল চামচ
১৫.সাদা তেল পরিমাণ মত
১৬. সরষের তেল ১ টেবিল চামচ
১৭. চিনি স্বাদমতো

প্রনালী:

প্রথমেই ৫ টা পটলের খোসা ছাড়িয়ে জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে গোল গোল করে নিতে হবে। এরপর পটলের টুকরো থেকে বীজ গুলোকে বাদ দিয়ে দিতে হবে।

তারপর কড়াইতে ১ চামচ সরষের তেল গরম করে ১/২ টেবিল চামচ আদাবাটা, ১/২ টেবিল চামচ জিরেগুঁড়ো, ১/২ টেবিল চামচ ধনেগুঁড়ো, ১/২ টেবিল চামচ হলুদগুঁড়ো, ১/২ টেবিল চামচ লঙ্কাগুঁড়ো দিয়ে একসঙ্গে ভালো করে কষিয়ে ভেজে নিতে হবে। তারপর ২ টো সেদ্ধ আলু ভালো করে মেখে নিয়ে মসলার উপরে দিতে হবে। এরপর স্বাদমতো নুন দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। তারপর একটি বাটিতে ৪ চামচ বেসন, স্বাদমতো নুন, সামান্য হলুদগুঁড়ো ও জল দিয়ে ঘন ব্যাটার তৈরি করে নিতে হবে। এরপর পটলের টুকরোর মধ্যে আলুর পুর ভরে নিতে হবে।

তারপর পটলকে বেসনের ব্যাটারে কোট করে প্যানে সাদা তেল গরম করতে হবে। তেলে পটল দিয়ে উল্টে পাল্টে ভেজে তুলে নিতে হবে।

এরপর অল্প তেলে ১/২ চামচ নুন, ১ চামচ আদা বাটা, ১/২ চামচ জিরে গুঁড়ো, ১/২ চামচ ধনেগুঁড়ো, সামান্য ১/২ হলুদগুঁড়ো ও ১/২ চামচ লঙ্কাগুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।

তারপর কিছুটা জল দিয়ে ভালো করে করে কষিয়ে নিয়ে ১ টা কেটে রাখা টমেটো দিয়ে ১ মিনিট রান্না করে চিনা বাদামের পেস্ট দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। এরপর ভেজে রাখা পটলের টুকরো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পরিমাণ মতো জল, কয়েকটা চেরা কাঁচালঙ্কা, সামান্য চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মিনিট পাঁচেক রান্না করে নিতে হবে। এরপর সামান্য গরম মসলা ও ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে আবারও মিনিট দুয়েক রান্না করে নিলেই একেবারে তৈরি পটলের দুর্দান্ত স্বাদের রেসিপি।

Categories
লাইফ স্টাইল

একঘেয়ে পটলকে বানান আরও চটকদার! শিখে নিন পটলের ধোকার ডালনার রেসিপি

নিরামিষ (Veg) দিনে বা বিশেষ কোনো দিনে ভাত, পোলাও অথবা ফ্রাইড রাইসের সঙ্গে খাওয়ার মতো এক দুর্দান্ত পদের রেসিপি আজ আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেব। এমনিতে অনেকেই পটল খেতে পছন্দ না করলেও এইভাবে ‘পটলের ধোকা’ রান্না করলে সকলে চেটেপুটে খেয়ে নেবে।

উপকরণ:
১)পটল
২)আলু
৩)নুন
৪)হলুদ গুঁড়ো
৫)মটর ডাল
৬)জল
৭)তেল
৮)কালোজিরে
৯)হিং
১০)ধনে গুঁড়ো
১১)জিরে গুঁড়ো
১২)আদাবাটা
১৩)কাঁচালঙ্কাবাটা
১৪)আদার টুকরো
১৫)গোটা কাঁচালঙ্কা
১৬)ভাজা বাদাম
১৭)তেজপাতা
১৮)দারুচিনি
১৯)ছোট এলাচ
২০)কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো
২১)শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো
২২)চিনি
২৩)গরম মশলা গুঁড়ো
২৪)ঘি

প্রণালী:
প্রথমেই তিন-চারটি পটল ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপরে গ্রেটারে প্রত্যেকটি পটল মিহি করে গ্রেট করে নিতে হবে। এর সাথেই দুটো আলু খোসা ছাড়িয়ে বড়ো বড়ো টুকরো করে কেটে নুন-হলুদ গুঁড়ো মাখিয়ে রাখতে হবে। অন্যদিকে, ধোঁকা তৈরির জন্য ১০০ গ্রাম মটর ডাল ৫-৬ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে মিক্সার গ্রাইন্ডারে‌ দিয়ে ডাল বেটে নিতে হবে। ডাল বাটা হয়ে গেলে তুলে অন্য পাত্রে রাখতে হবে।

এরপর গ্যাসে ফ্রাইং প্যান বসিয়ে ২ চামচ তেল দিয়ে গরম করে নিতে হবে। তেল গরম হয়ে গেলে তার মধ্যে কিছু পরিমাণ কালোজিরে দিয়ে নেড়েচেড়ে নিতে হবে। কালোজিরে হালকা ভাজা হয়ে গেলে ফ্রাইং প্যানে সামান্য হিং দিয়ে আবারও নেড়ে নিতে হবে। এরপর ফ্রাইং প্যানে একে একে ১/২ চামচ ধনে গুঁড়ো, ১/২ চামচ জিরে গুঁড়ো, ১/৪ চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১ চামচ আদাবাটা, ইচ্ছে অনুযায়ী কাঁচালঙ্কাবাটা ও সামান্য জল দিয়ে সবকিছু একসাথে মিশিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে।

মশলা কষানো হয়ে গেলে ফ্রাইং প্যানে আগে থেকে গ্রেট করে নেওয়া পটল ও স্বাদ অনুযায়ী নুন দিয়ে মশলার সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। মশলার সাথে পটল মেশানো হয়ে গেলে তার মধ্যে আগে থেকে বেটে রাখা ডাল ও কিছু পরিমাণ জল দিয়ে আবার‌ও মেশাতে হবে। এবারে ডাল ও পটল একসাথে মিশিয়ে খানিকক্ষণ নেড়ে রান্না করে নিতে হবে। এরপর একটি থালায় সামান্য সাদা তেল লাগিয়ে ধোঁকার এই মিশ্রণ চৌকো আকারে থালায় ছড়িয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে।

ঠান্ডা হয়ে গেলে এই মিশ্রণ থেকে ছুরি দিয়ে চৌকো আকারে ছোট ছোট টুকরো করে ধোঁকা কেটে নিতে হবে।

অন্যদিকে, রান্নায় ব্যবহারের জন্য মিক্সার গ্রাইন্ডারে এক ইঞ্চি আদা, ইচ্ছে অনুযায়ী গোটা কাঁচালঙ্কা, ১ চামচ জিরে গুঁড়ো, ১ চামচ ধনে গুঁড়ো, ২ চামচ ভাজা বাদাম ও সামান্য জল দিয়ে মিহি পেস্ট বানিয়ে রাখতে হবে। এরপরে গ্যাসে কড়াই বসিয়ে পরিমাণ অনুযায়ী তেল দিয়ে কেটে নেওয়া ধোঁকার টুকরোগুলো দিয়ে উল্টেপাল্টে লালচে করে ভেজে নিতে হবে।

ধোঁকা ভাজা হয়ে গেলে তুলে নিয়ে ওই তেলেই আগে থেকে কেটে রাখা আলুর টুকরোগুলো দিয়ে ভাজতে হবে। এবারে আলু ভাজার পর তুলে নিয়ে কড়াইয়ের বাকি তেলে একটি তেজপাতা, দুই টুকরো দারুচিনি ও দুটো ছোট এলাচ দিয়ে খানিকক্ষণ নেড়ে নিতে হবে। তারপর কড়াইয়ে বেটে রাখা মশলা ও সামান্য জল দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। মশলা কষানোর আগেই তার মধ্যে ১/২ চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১ চামচ কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, ১/২ শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো, স্বাদ অনুযায়ী নুন ও সামান্য চিনি দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে।

মশলা কষানো হয়ে গেলে ১-১.৫ কাপ জল কড়াইয়ে দিয়ে তরকারির গ্রেভি খানিকক্ষণ ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপরে কড়াইয়ে প্রথমে আগে থেকে ভেজে রাখা আলুর টুকরোগুলো দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। এবারে কড়াইয়ে আগে থেকে ভেজে রাখা ধোঁকার টুকরোগুলো দিয়ে হালকা হাতে গ্রেভির সাথে মিশিয়ে আবারও মিনিটখানেক ফুটিয়ে নিতে হবে। একদম শেষে ১/২ চামচ গরম মশলা গুঁড়ো ও ১ চামচ ঘি ওপর থেকে ছড়িয়ে সবকিছুর সঙ্গে মিশিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে ‘পটলের ধোঁকা’।

Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে পটলের তরকারি বানালে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, জমে যাবে ভাত কিংবা রুটির সাথে, শিখে নিন রেসিপি

দুপুরবেলাতে (Lunch) ভাতের সাথে অথবা রাতে রুটি দিয়ে প্রতিদিন এক তরকারি খেতে কারোরই ভালো লাগেনা। স্বাদ বদলানোর জন্য আমরা মাঝেমধ্যেই এটা ওটা রান্না করে থাকি। আজকের এই প্রতিবেদনে পটল দিয়ে এক দুর্দান্ত রেসিপি শেয়ার করা হলো, যা একবার খেলে আপনি তার স্বাদ জীবনে ভুলবেন না।

উপকরণ:-

১. পটল
২. নুন
৩. হলুদ গুঁড়ো
৪. লঙ্কাগুঁড়ো
৫. জিরে গুঁড়ো
৬. ধনে গুঁড়ো
৭. সেদ্ধ করা আলু
৮. বেসন
৯. টমেটো
১০. কাঁচা লঙ্কা
১১. চিনেবাদাম
১২. ঘি
১৩.গরম মসলা
১৪. সাদা তেল

প্রণালী:-

প্রথমেই পাঁচটা পটল ভালোভাবে খোসা ছাড়িয়ে গোল গোল করে কেটে নিতে হবে। এরপর তার ভেতর থেকে সমস্ত বীজ বের করে নিতে হবে। এরপর একটি কড়াইতে পরিমাণ মতো তেল দিন। তেল গরম হলে তার মধ্যে একে একে আদা বাটা, ধনে গুঁড়ো , জিরেগুঁড়ো, শুকনো লঙ্কাগুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, পরিমাণ মতো নুন,মিষ্টি ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর তার সাথে আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা দুটো আলু দিয়ে সবকিছু ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। পুর রেডি হয়ে গেলে সেটা ঠান্ডা করতে দিন। এরপর আগে থেকে গোল করে রাখা পটলের মধ্যে সেই আলুর পুর ভরে রাখুন। এরপর একটি বাটিতে চার চামচ বেসন পরিমাণ মতো নুন,হলুদ গুঁড়ো দিয়ে জল দিয়ে একটি ব্যাটারে পরিণত করুন। এরপর আলুর পুর ভরে রাখা পটলগুলি সেই ব্যাটারে ডুবিয়ে তেলে ভালোভাবে ভেজে তুলে নিন। এরপর একটি কড়াইতে তেল দিয়ে তার মধ্যে একে একে ধনে গুঁড়ো ,জিরেগুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো, গরম মসলাগুঁড়ো সবকিছু দিয়ে কষাতে হবে। তারপর এর মধ্যে টমেটো এবং চিনেবাদাম বাটা যোগ করুন।

অল্প একটু জল দিয়ে মসলা ফুটতে দিন। এরপর আগে থেকে ভেজে রাখা পটলগুলো তার মধ্যে দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে অল্প একটু জল দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য সিদ্ধ হতে দিন। এরপর ওপর থেকে ঘি ছড়িয়ে ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন এই অসাধারণ পটলের রেসিপি।

Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে পটল রান্না করলে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, হাত চাটবে আট থেকে আশি, শিখে নিন রেসিপি

পটল, একটা সাধারণ সবজি। কিন্তু এরমধ্যে রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে পটল কার্যকরী। অথচ পটল খেতে অনেক খুব একটা ভালবাসেন না। কিন্তু এই পটলকেই গতানুগতিকভাবে না রেঁধে একটু অন্যরকমভাবে রান্না করলেই অসাধারণ খেতে হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক পটলের একটি অনন্য রেসিপি পটল পসিন্দা।

উপকরণ
দশ-বারোটি পটল
পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ
কালোজিরে ১ চা চামচ
শুকনো লঙ্কা ২ টি
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
কাজু বাদাম বাটা ৩ টেবিল চামচ
দুধ ১ কাপ
নুন পরিমাণ মত
চিনি পরিমাণ মত
পোস্ত বাটা ২ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ
লঙ্কাগুঁড়ো ১/২ চা চামন
ধনেপাতা কুচি এক মুঠো
টমেটো বাটা ৩ টেবিল চামচ
সরষের তেল ৬ টেবিল চামচ

প্রণালী
পটল পসিন্দা পটলের খোসা না ছাড়িয়েও রান্না করা যায়। তবে আপনি চাইলে খোসা ছাড়িয়েও নিতে পারেন।
গোটা পটলগুলিকে মাঝখান থেকে সামান্য করে চিরে নিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম করে একে একে কালো জিরে, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। ফোড়নের একটু গন্ধ বেরুলে এইবার একে একে তেলের উপর দিয়ে দিন পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা, টমেটো বাটা, সমস্ত গুঁড়ো মশলা, পোস্ত বাটা, কাজু বাদাম বাটা। সমস্ত মসলা দিয়ে এইবারে ভালো করে কষাতে থাকুন। মসলা কষে তেল ছাড়লে দুধ, নুন, মিষ্টি দিতে হবে। এরপর পটলগুলো একে একে ছেড়ে দিতে হবে। পটল চাইলে সামান্য ভাপিয়ে দিতে পারেন। এছাড়া এমনিও দেওয়া যেতে পারে। এইবার সামান্য উষ্ণ গরম জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে রান্নাটা গ্যাসে রাখতে হবে অন্তত ১০ মিনিটের জন্য। দশ মিনিট পরে ঢাকা খুলে ওপরে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নিলেই তৈরি পটল পসিন্দা। এইবার গরম ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন পটল পসিন্দা।