Categories
বিনোদন

বিয়ের ৩ বছরের মধ্যেই দাম্পত্য জীবনে ছেদ, এই কারণে বিচ্ছেদ হয়েছিল প্রসেনজিৎ-দেবশ্রীর!

বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কিংবদন্তী দুই নক্ষত্র হলেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি ও দেবশ্রী রায়। তাঁদের অভিনয় প্রতিভা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। এই দুই তারকা একসময় প্রেম সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন। পরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের মধ্যেকার সম্পর্কের অবনতি ও বিবাহবিচ্ছেদের কথাও কারোর অজানা নয়। তবে, সেসবই এখন অতীত। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন ঠিক কি কারণে তাদের বিচ্ছেদ হয়েছিল তা জানার আগ্রহ নেটিজেনদের আজও শেষ হয়নি।

প্রসেনজিৎ-দেবশ্রী ছোটবেলা থেকেই বন্ধু ছিলেন। এরপর তাঁরা সহকর্মী হিসেবে একের পর এক ছবিতে কাজ করতে থাকেন। ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব প্রেমে রূপান্তরিত হয়। অবশেষে ১৯৯২ সালে দেবশ্রী ও প্রসেনজিৎ সাতপাকে বাঁধা পড়েন। তবে তাঁদের এই সংসারজীবন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিয়ের বছর তিনেকের মধ্যেই ভেঙে যায় সাজানো সংসার। আলাদা হয়ে যায় দুজনের পথ। কিন্তু ঠিক কি কারণে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছিল তা নিয়ে নানান কথা শোনা যায়।

ঋতুপর্ণ ঘোষের ‛উনিশে এপ্রিল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন দেবশ্রী রায়। এই ছবিতে প্রসেনজিৎ ও অপর্ণা সেন ছিলেন। এজন্য দেবশ্রীকে হিংসে করেন প্রসেনজিত। শোনা যায় ক্রিকেটার সন্দীপ পাতিলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন দেবশ্রী। এছাড়া বিয়ের পর দেবশ্রীকে নাকি অভিনয় ছেড়ে দিতে বলেছিলেন প্রসেনজিৎ। যা কোনোভাবেই মানতে রাজী ছিলেননা দেবশ্রী।

প্রসেনজিৎ-দেবশ্রীর বিবাহবিচ্ছেদের সঠিক কারণ কি ছিল তা আজও পরিষ্কারভাবে জানা যায়না। তাঁদের বিচ্ছেদের পর প্রসেনজিৎ বা দেবশ্রী কেউই কোনোদিন মিডিয়ার সামনে কোনো মুখ খোলেননি। দুজনকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এড়িয়েই গিয়েছেন। এমনকি একবার তো দেবশ্রী রেগেই গিয়েছিলেন। দেবশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৯৯৭ সালে অপর্ণা গুহ ঠাকুরতার সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন প্রসেনজিৎ।বযদিও সেই বিয়েও টেকেনি। ২০০২ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর অভিনেত্রী অর্পিতা চ্যাটার্জিকে বিয়ে করেন প্রসেনজিৎ। তাঁরা সুখেই সংসার করছেন। তৃষানজিৎ নামে তাঁদের একটি ছেলেও আছে।