Categories
লাইফ স্টাইল

এইভাবে পটল রান্না করলে স্বাদ হবে দুর্দান্ত, হাত চাটবে আট থেকে আশি, শিখে নিন রেসিপি

পটল, একটা সাধারণ সবজি। কিন্তু এরমধ্যে রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে পটল কার্যকরী। অথচ পটল খেতে অনেক খুব একটা ভালবাসেন না। কিন্তু এই পটলকেই গতানুগতিকভাবে না রেঁধে একটু অন্যরকমভাবে রান্না করলেই অসাধারণ খেতে হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক পটলের একটি অনন্য রেসিপি পটল পসিন্দা।

উপকরণ
দশ-বারোটি পটল
পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ
কালোজিরে ১ চা চামচ
শুকনো লঙ্কা ২ টি
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
কাজু বাদাম বাটা ৩ টেবিল চামচ
দুধ ১ কাপ
নুন পরিমাণ মত
চিনি পরিমাণ মত
পোস্ত বাটা ২ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ
লঙ্কাগুঁড়ো ১/২ চা চামন
ধনেপাতা কুচি এক মুঠো
টমেটো বাটা ৩ টেবিল চামচ
সরষের তেল ৬ টেবিল চামচ

প্রণালী
পটল পসিন্দা পটলের খোসা না ছাড়িয়েও রান্না করা যায়। তবে আপনি চাইলে খোসা ছাড়িয়েও নিতে পারেন।
গোটা পটলগুলিকে মাঝখান থেকে সামান্য করে চিরে নিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম করে একে একে কালো জিরে, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। ফোড়নের একটু গন্ধ বেরুলে এইবার একে একে তেলের উপর দিয়ে দিন পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা, টমেটো বাটা, সমস্ত গুঁড়ো মশলা, পোস্ত বাটা, কাজু বাদাম বাটা। সমস্ত মসলা দিয়ে এইবারে ভালো করে কষাতে থাকুন। মসলা কষে তেল ছাড়লে দুধ, নুন, মিষ্টি দিতে হবে। এরপর পটলগুলো একে একে ছেড়ে দিতে হবে। পটল চাইলে সামান্য ভাপিয়ে দিতে পারেন। এছাড়া এমনিও দেওয়া যেতে পারে। এইবার সামান্য উষ্ণ গরম জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে রান্নাটা গ্যাসে রাখতে হবে অন্তত ১০ মিনিটের জন্য। দশ মিনিট পরে ঢাকা খুলে ওপরে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নিলেই তৈরি পটল পসিন্দা। এইবার গরম ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন পটল পসিন্দা।