×
Categories
ভাইরাল ভিডিও

গায়ক বাপ্পি লাহিড়ীর স্মরণসভায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন কন্যা রিমা

Advertisement

বয়স হয়েছিল ৬৯। লতাজির চলে যাওয়ার ঠিক ১০ দিন পরই হারিয়ে গেলেন প্রখ্যাত গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ি। প্রায় এক সপ্তাহ পেরিয়েছে। গত বুধবার শোকাকুল লাহিড়ী পরিবার তাঁর উদ্দেশ্যে মুম্বাইয়ের জুহুতে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করলেন। এই বিশেষ সভায় উপস্থিত ছিলেন বাপ্পি দার ছেলে বাপ্পা লাহিড়ী এবং মেয়ে রিমা লাহিড়ী সহ সারা পরিবার। উপস্থিত ছিলেন শ্রদ্ধা কাপুর, তাঁর মা শিবাঙ্গি কোলাপুরী, ভাই সিদ্ধান্ত কাপুর, ইলা অরুণ, মানশী যোশী রায়, সুনীল পাল, নীতু চন্দ্র,শর্বাণী মুখার্জীরাও।

Advertisement

পাপ্পিরাজিদের ক্যামেরায় নাতি-পোতি সহ সারা পরিবারের আবেগপ্রবণ ছবি গুলিও ধরা পড়েছে। বাবার মৃত্যুতে ছেলে বাপ্পার সাথে সাথে মেয়ে রীমা ভীষণই ভেঙে পড়েছেন। বাবাকে শেষ বিদায় জানানোর সময় ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠেছিলেন তিনি৷ এদিন বাবার আত্মার শান্তি কামনার উদ্দেশ্যে আয়োজিত স্মরণ সভাতেও তাঁকে একইরকম কষ্টকাতর দেখা গেল। স্বর্গীয় বাবার ফুলে ঘেরা ছবিতে চুম্বনও এঁকে দিয়েছেন রিমা। ছেলে বাপ্পাও কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না যে বাবা আর তাঁদের মধ্যে নেই।

Advertisement

বাপ্পা লাহিড়ীর কাছে প্রশ্ন ছিল শেষ সময়েও গানের প্রতি কতটা আকুল ছিলেন বাপ্পি দা?

“তিনি তার বিছানার কাছের টেবিলে টোকা দিতেন গান বেজে উঠলে। একদিন হাসপাতালেও উচ্চস্বরে গান গেয়ে উঠেছিলেন। মা তো দেখে অবাক। বলে বসেছিলেন কেন করছো এমন? আসলে বাবা লতা মঙ্গেশকরের মৃত্যুটা মেনে নিতে পারছিলেন না। খুব ভেঙে পড়েছিলেন। বাবা বলেছিলেন লতাজির বিশাল বড় হাত রয়েছে বাবার জয়যাত্রার পিছনে। অনেক সাহায্য করেছিলেন বাবাকে। আমার বাবা যে এখন এখানে নেই তা হজম করতে পারছি না। আমি এটা বিশ্বাসই করতে পারছি না,বাবার অতুলনীয় গান বাবার সোনা প্রতি ভালোবাসা সারা পৃথিবীতে একটি ছাপ রেখে গেল।”

একথা কিন্তু অক্ষরে অক্ষরে সত্যি যে কিংবদন্তি সংগীত শ্রেষ্ঠ বাপ্পি লাহিড়ীর সংগীত মহল হোক বা সাংস্কৃতিক মহল হোক দুদিকেই কি ভীষণ অবদান রয়েছে। তুলনাই হবেনা। তিনিই ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পে ডিস্কো সঙ্গীতের ব্যবহারকে জনপ্রিয় করে তোলেন এবং নিজের কিছু কম্পোজিশনও গেয়েছিলেন বাপ্পি দা। ১৯৪০ এবং ১৯৯০ এর দশক, এমনকি ২১-এর সেঞ্চুরিতেও ফিল্মি সাউন্ডট্র্যাকগুলির মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী। শুধু বাংলা বা হিন্দি নয়, তেলেগু এবং কন্নড় চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রেও বক্স অফিসে এক বিরাট সাফল্য তুলে এনেছিলেন।

“তিনি তার বিছানার কাছের টেবিলে টোকা দিতেন গান বেজে উঠলে। একদিন হাসপাতালেও উচ্চস্বরে গান গেয়ে উঠেছিলেন। মা তো দেখে অবাক। বলে বসেছিলেন কেন করছো এমন? আসলে বাবা লতা মঙ্গেশকরের মৃত্যুটা মেনে নিতে পারছিলেন না। খুব ভেঙে পড়েছিলেন। বাবা বলেছিলেন লতাজির বিশাল বড় হাত রয়েছে বাবার জয়যাত্রার পিছনে। অনেক সাহায্য করেছিলেন বাবাকে। আমার বাবা যে এখন এখানে নেই তা হজম করতে পারছি না। আমি এটা বিশ্বাসই করতে পারছি না,বাবার অতুলনীয় গান বাবার সোনা প্রতি ভালোবাসা সারা পৃথিবীতে একটি ছাপ রেখে গেল।”

একথা কিন্তু অক্ষরে অক্ষরে সত্যি যে কিংবদন্তি সংগীত শ্রেষ্ঠ বাপ্পি লাহিড়ীর সংগীত মহল হোক বা সাংস্কৃতিক মহল হোক দুদিকেই কি ভীষণ অবদান রয়েছে। তুলনাই হবেনা। তিনিই ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পে ডিস্কো সঙ্গীতের ব্যবহারকে জনপ্রিয় করে তোলেন এবং নিজের কিছু কম্পোজিশনও গেয়েছিলেন বাপ্পি দা। ১৯৪০ এবং ১৯৯০ এর দশক, এমনকি ২১-এর সেঞ্চুরিতেও ফিল্মি সাউন্ডট্র্যাকগুলির মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী। শুধু বাংলা বা হিন্দি নয়, তেলেগু এবং কন্নড় চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রেও বক্স অফিসে এক বিরাট সাফল্য তুলে এনেছিলেন।

আরো পড়ুন -  ভুবন বাদ্যকরের ‘কাঁচাবাদাম’ গানে দুর্দান্ত কায়দায় অসাধারণ নাচলেন কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্য্য, রইল ভিডিও
Advertisement