×
Categories
অফবিট

বাবা তামাক বিক্রি করে চালাতেন পড়াশুনা, UPSC পাস করে সেই ছেলে আজ ডেপুটি কমিশনার

Advertisement

দেশের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা ইউপিএসসি (UPSC), এটি একটি কেন্দ্রীয় স্তরের পরীক্ষা হলেও, এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া চারটিখানি কথা নয়। এখন যুব প্রজন্ম বেশীরভাগই ঠিকঠাক চাকরি না পেয়ে ইউপিএসসি-এর দিকে ঝুঁকছেন। কারণ এটি আবেদন করা খুবই সহজ, এতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজনও হয় না। কিন্তু এই পরীক্ষায় পাশ করতে হলে মাসের পর মাস দিনের পর দিন অজস্র পরিশ্রম করতে হয়। যদিও এই পরীক্ষাটি দিতে গেলে আপনাকে ইঞ্জিনিয়ারিং বা মেডিকেল কলেজের মতো বিশাল ফিও দিতে হবেনা। এই কারণেই আমরা প্রায়শই শুনে থাকি, একজন রিকশাচালক বা একটি ছোট দোকানের মালিকের ছেলে বা মেয়েরাও এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছেন।

Advertisement
আরো পড়ুন -  ১ কোটি টাকার চাকরি ছেড়ে শুরু করেন নিজের কসমেটিক ব্র্যান্ড, আজ সেই ব্যবসার ১০০ কোটি টার্নওভার!

আজকে আমাদের প্রতিবেদনের বিষয়, এরকমই একজন উদাহরন। যিনি বিহারের নওয়াদা জেলার বাসিন্দা অরবিন্দ কুমারের (Arvind Kumar) ছেলে নিরঞ্জন কুমার (Niranjan Kumar)। যিনি ইউপিএসসি পরীক্ষাতে ৫৩৫ তম স্থান অর্জন করেছেন। এমনকি তিনি ২০১৬ সাল থেকে ইউপিএসসি ক্লিয়ার করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রথমে ৭২৮ তম র‌্যাঙ্ক অর্জন করে একজন আইআরএস (IRS) অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরে আরও ভালো ফল করার জন্যে ফের ইউপিএসসি দিয়ে ভালো র‌্যাঙ্ক অর্জন করেন তিনি। বর্তমানে, তিনি দিল্লিতে আয়কর ডেপুটি কমিশনার হিসাবে কাজ করছেন।

Advertisement
আরো পড়ুন -  স্বল্প খরচে সোলার সাইকেল বানিয়ে সকলকে তাক লাগলো ১৫ বছরের এই খুদে বালকটি, দেখুন ভিডিও

নিরঞ্জন ২০০৪ সালে জওহর নবোদয় বিদ্যালয় রেওয়ার নওয়াদা থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ২০০৬ সালে তিনি বিজ্ঞান কলেজ পাটনা থেকে ইন্টারস্কুল পাশ করেন। এরপরে, তিনি একটি আইআইটি ইন্সটিটিউটে উচ্চতর পড়াশোনা করার পর তিনি ‘কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড’ (Coal India Limited), ধানবাদে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসাবে চাকরি করতে থাকেন।

আরো পড়ুন -  নেই স্বামী, মাস্টার ডিগ্রী অর্জন করেও মেলেনি চাকরি, অভিনব উপায়ে সংসার চালাচ্ছেন এই গৃহবধূ!

তখনই চাকরি করতে করতে তিনি ইউপিএসসি পরীক্ষার জন্য অধ্যয়ন করতে শুরু করেন। তবে জানেন কি, তাঁর বাবা, অরবিন্দ কুমার একজন ছোট্ট তামাক দোকানের মালিক। কিন্তু কোভিড মহামারীর কারণে, তিনি তাঁর দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হন। তবে আজ আর তাঁর অভাব নেই, তাঁর ছেলে এত বড় মাপের একজন মানুষ হয়ে গিয়েছেন, তাই ছেলেকে নিয়ে তিনিও আজ গর্বিত।

Advertisement