×
Categories
দেশ নিউজ

‘আমি যদি বেঁচে থাকি নেতাজি পারবেন না কেন?’ প্রশ্ন তুললেন ১২৫ বছর বয়সী বাবা শিবানন্দ!

Advertisement

125 বছর বয়সে পদার্পণ করেছেন স্বামী শিবানন্দ। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাল্যবন্ধু তিনি। সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম তার কাছেই উপস্থিত হয়েছিল সাক্ষাৎকার নিতে। নেতাজির জন্ম দিনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন তার বাল্যবন্ধু। শিবানন্দ জানালেন আমি যদি বেঁচে থাকি তাহলে নেতাজি কেন থাকবে না! বন্ধুর প্রতি বন্ধুত্বের টানে তার অগাধ বিশ্বাস নেতাজি এখনো জীবিত আছেন। কিন্তু কি হয় তাদের সাক্ষাৎ হয়েছিল কেমন ছিল তাদের সম্পর্ক! সবটা মনে না থাকলেও কিছুটা জানালেন শিবানন্দ।

Advertisement

তিনি জানান 1897 সালে জন্ম হয়েছিল ওপার বাংলার। অন্যদিকে ওই একই বছরের জানুয়ারি মাসে জন্ম নিয়েছিলেন ভারতের বিপ্লবী সুভাষচন্দ্র বসু এবারের কটকে। তবে কিছুদিনের মধ্যেই ওপার বাংলা থেকে এদেশে চলে আসেন শিবানন্দ। এখানে এসে এলগিন রোডের একটা এক চিলতে বাড়িতে ভাড়া নিয়েছিলেন। তার পাশেই বাড়ি কিনেছিলেন জানকীনাথ বোস। সেখানেই মাঝে মধ্যেই তার ছোট ছেলে বড় ছেলে এবং বাড়ির মেয়েরা বেড়াতে আসতে। তখন বয়স হবে 12 কি 13। একদিন সুভাষের সঙ্গে সাক্ষাৎ। উঠোনের সামনে ব্যাট বল খেলতে আসেন তারা।

আরো পড়ুন -  সরস্বতী পুজোর দিনে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, বাড়বে শীতের তীব্রতা, জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস

এরপর মাঝেমধ্যে পাঁচ-ছয় বার দেখা হয়েছে। তবে এর থেকে বেশী আর কিছু মনে নেই শিবানন্দের। তিনি এখনো সুস্থ সবল আছেন। কিন্তু সুভাষ হয়তো বেঁচে নেই। কথা শুনেই প্রতিবাদ করে উঠলেন বৃদ্ধ। জানালেন আমি যদি বেঁচে থাকতে পারি সুভাষ কেন নয়? তিনি আরো জানান ওতো দেশনায়ক মহামানব। মানুষের আশীর্বাদে সুভাষচন্দ্র বসু এখনো বেঁচে আছেন। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। সুভাষচন্দ্র এলগিন রোডে বাড়ি থেকে ছদ্মবেশে মস্কো পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে জার্মানি। তারপর আঁতাত করে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

Advertisement
আরো পড়ুন -  রাজস্থানি গরমের জেরে বৃষ্টিতে ভিজতে পারে এই এলাকাগুলি, পূর্বাভাস ভূতত্ত্ববিদদের

তারপর আর কোনদিন শিবানন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি সুভাষের। সুভাষ চক হল স্কটিশ চার্চ কলেজ ত্যাগ করে বিদেশে সিভিল সার্ভিস পরতে গেলেন, ইংল্যান্ডে। কয়েক বছরের জন্য শিবানন্দ গিয়েছিলেন বিদেশে। তারপর গয়া চলে যান। তারপর দীর্ঘদিন সুভাষ এর কোন খবর পাননি। তবে মাঝেমধ্যে সংবাদপত্র চোখ রাখলে জানতে পারতেন তার হালহকিকতের কথা। তারপর শুনলেন সুভাষ নিরুদ্দেশ। বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন তিনি। কিন্তু এসব কথা মোটেও বিশ্বাস করেননি। সুভাষর বিরুদ্ধে চক্রান্ত হয়েছে।

আরো পড়ুন -  মন থেকে ভালোবেসেছিলেন উত্তম কুমারকে, তাই সারা জীবন কুমারী র‍য়েগেছেন ‘সাবিত্রী চ্যাটার্জি’

এখনো প্রায় শক্ত সামর্থ্য আছে। যদিও কিছু মনে রাখতে পারেন না। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন মনেপ্রাণে সুভাষচন্দ্র বসু বেঁচে আছেন।

Advertisement