×
Categories
বিনোদন

বড় মেয়ের মৃত্যু দেখে অঝরে কেঁদেছি, অতীত স্মৃতি কৃষ্ণ নিয়ে মুখ খুললেন যীশু সেনগুপ্ত

Advertisement

টলিউডের এক অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত। নানান রকম ইমেজে দর্শকদের কাছে ধরা দিয়েছেন তিনি। নিজের স্বল্প অভিনয় ক্যারিয়ারে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র পুরস্কার তার ঝুলিতে এসেছে। যীশুর মাইলফলক বলতে প্রথমেই মনে আসে ‘উমা’ ছবির কথা। নিজের অভিনীত ছবি সাধারণত দেখেন না তিনি।

Advertisement

তবে এই ছবিতে বড় মেয়ের মৃত্যু ছোট মেয়েকে কোলে নিয়ে দেখেছিলেন সিনেমা হলে। জানালেন এই ছবি দেখে অঝোরে কেঁদেছেন তিনি। বাস্তব আর অভিনয় যেন একসূত্রে গাঁথা হয়ে গিয়েছিল সেদিন।সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত’ উমা ‘ছবির মধ্য দিয়ে প্রথম বার অভিনয় জগতে পা রাখেন যিশু সেনগুপ্তের বড় কন্যা সারা। ছবিটি বক্স অফিসে সুপারহিট হয়েছিল। কানাডার এক বাচ্চা মেয়ের দুরারোগ্য ব্যাধি। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে তার শেষ ইচ্ছে ছিল বড়দিন দেখার। তাই তার ইচ্ছে মর্যাদা দিয়ে বাবা সকাল বড়দিন পালন করেছিলেন কানাডায়। বাংলায় শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব।

আরো পড়ুন -  আলো-আঁধারিতে স্পষ্ট বুকের খাঁজ, ৪৫ বছর বয়সে সব সীমা ছাড়িয়ে সাহসী হট ফটোশুটে আমিশা প্যাটেল

দুর্গাপুজোর ইমেজে সৃজিতের ছবি। ছবিতে যীশুর একমাত্র কন্যা উমার বিরল রোগ। মাত্র কয়েকদিন পৃথিবীতে রয়েছে সে। তার শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে হাউজিংয়ে অকালবোধন উদযাপন করেছেন প্রতিবেশীরা। ছবির শেষে ওপারে পাড়ি দিতে হয়েছে উমাকে। ঠিক যেমন দশমীর দিন মা দুর্গা পাড়ি দেন কৈলাসের উদ্দেশ্যে। নিজের ছবি দেখে হাউমাউ করে কেঁদে ছিলেন যীশু।কোলে ছিল ছোট মেয়ে যারা। ছোট মেয়ে বাবাকে প্রশ্ন করতেই যীশু উত্তর দেন এখন এর কারন সে বুঝবে না। বাবা হয়ে মেয়ের মৃত্যু দেখা যে কতটা যন্ত্রণাদায়ক অভিনয়ের মাধ্যমে বোধগম্য হয়েছে যীশুর। তবে সারার অভিনয় সম্পর্কে অভিনেতা বাবা বললেন, মেয়ে চায় অভিনয়ের সঙ্গে সঙ্গে মনস্তত্ত্ব এবং আইন নিয়ে পড়াশোনা করতে। আমি অষ্টম শ্রেণী পাস। তাই পড়াশোনার খুঁটিনাটি বুঝিনা। মেয়ের ইচ্ছে যদি সমান্তরালে চালিয়ে যেতে পারে পড়াশোনা এবং অভিনয় তাকে নিশ্চয়ই স্বাগত জানাবো।

Advertisement
আরো পড়ুন -  কালো পোশাকে উন্মুক্ত বক্ষবিভাজিকা, সোশ্যাল মিডিয়ায় উষ্ণতার পারদ চড়ালেন বাঙালি অভিনেত্রী ঋতাভরী
Advertisement